রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ
“ খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড ”
লেখক: RAJA Bhuiyan.
পর্বঃ->>>[( ১৫ )]<<<-
.…...........
** স্যার ইকবালের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চলে এসেছে**
মেহেরাব ভাবছিলো ইকবাল তখন কি বলতে চেয়ে ছিলো কিন্তু আর বলতে পারে নি। আমার থানায় এমন বিশ্বাসঘাতক অফিসার আছে তাও আবার আমার চোখের সামনে কিন্তু আরালে,,কি নাম টা বলতে যাচ্ছিলো। মেহেরাব অধির আগ্রহ নিয়ে বসে আছে কখন ইকবালের ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসবে। এগুলো ভাবছিল মেহেরাব তখনই সাইফুল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট টা নিয়ে মেহেরাবের কেবিনে প্রবেশ করে। মেহেরাব তাড়াতাড়ি করে রিপোর্ট টা পড়তে শুরু করে এক পর্যায়ে দেখতে পান ইকবালের খুন কোনো স্নাইপার দিয়ে করা হয়েছে। বন্ধুকের বুলেট ইকবালের ভিতর থেকে পাওয়া গেছে। মেহেরাব যেয়ে কাচের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখতে পায় কাচঁ টা ছিদ্র হয়ে আছে। তার মানে পাশের বিল্ডিং এর ছাঁদ থেকে স্নাইপিং করা হয়েছে। মেহেরাব সাইফুল কে বলে-- ঐ বাসার ছাঁদে যেয়ে দেখ কোনো ক্লো পাওয়া যায় কি না।
মেহেরাব টেবিলের ভিতর থেকে সিগারেটের পেকেট বের করে একটা সিগারেট তার ঠোঁটে চাপে। ব্যস্ত শহর টা দেখছে আর ভাবছে কে ইকবাল কে মারতে পারে,, মেহেরাবের জানা মতে ইকবালের এমন কোনো শত্রু ছিলো না যে তাকে এভাবে জানে মেরে দিবে।
..
“ রাজ তুমি কি জানো ইকবাল খুন হয়েছে ”
রাজ কারো সাথে মোবাইলে কথা বলছিলো তখনই মেহেরাব রাজকে কথা টা বলে। হঠাৎ কারো কথায় রাজ চমকে উঠে পিছনে ফিরে তাকায় দেখে মেহেরাব চেয়ারের উপর আরাম করে বসে আছে। রাজ তাড়াতাড়ি ফোনটা কেটে মেহেরাবের কাছে এসে বলে-
• জ্বি স্যার শুনছি ইকবালের লাশ টা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
• মেহেরাব উদ্বীগ্ন কন্ঠে বলে -- ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চলে এসেছে। কিন্তু এভাবে খুন টা হবে আমি ভাবতে পারছি না।
• রাজ ব্রু কুচকে প্রশ্ন বোধক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে-- রিপোর্টে কিভাবে খুন টা হয়েছে লেখা।
• মেহেরাব মুচকি হেসে জবাব দেয় -- সেটা ত আমার থেকে তুমি ভালো করে জানো।
• রাজ যেমন অবাক হয়ে যায় -- মানে স্যার আমি তো এখনো রিপোর্ট দেখি নি তাহলে জানবো কি করে।
• আরে এত অস্থির হচ্ছো কেনো আমি তো এমনি জিজ্ঞেস করলাম। তুমি তো ভালো মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসাে তাহলে আমার সাথে খেলবে মাইন্ড গেম। ( মেহেরাব)
• রাজের কাছে কেমন যেন লাগছে মেহেরাব কে এত রহস্যময়ী হয়ে কথা বলতে আগে কখনো দেখেনি রাজ।তবে মেহেরাবের সাথে মাইন্ড গেম খেলতে ভালোই লাগবে। স্যার আমার সাথে আবার আপনি কি মাইন্ড গেম খেলবেন।
• মেহেরাব তাড়াতাড়ি উওর দেয় তুমি খেলতে চাইলে বলো, আমি কিন্তু প্রস্তুত আছি তুই বল্লে শুরু করবো। আর গেমটা ধর চোর পুলিশ খেলা খেলবো কেমন হবে গেম টা,,ভাবতেই আমার ভালো লাগছে।
• রাজও মুচকি হাসি দিয়ে বলে-- আপনি যেহেতু প্রস্তুত তাহলে আমি আর না করবো কেনো,,তবে গেমটা আমার কাছে ইন্টারেস্টিং হবে মনে হচ্ছে।
• মেহেরাব আর কথা বাড়ায় না দাঁড়িয়ে রাজ কে উদ্দেশ্য করে বলে-- গেমটা ইন্টারেস্টিং হতেই হবে না হলে দুই মাইন্ড গেমার মজা পাবো না,,আসি। বলে মেহেরাব রাজের কেবিন থেকে চলে আসে। রাজ মেহেরাবের বের হওয়ার দিকে চেয়ে মুচকি হেসে চেয়ারে বসে পরে।
...........
“ কিরে তুকে যে দুই দিন বাসায় দেখি নি আবার ভার্সিটিতেও যাস নি কারণ কি”??
তারা ভরা আকাশ দেখতে আসছে রাফি। চারপাশে হিমেল হাওয়ার স্পর্শ মনটা শিতল হয়ে যায়। রাফি যদি কবি থাকতো তাহলে সে অবশ্যই একটা কবিতা লিখত এই ফর্সা আকাশ নিয়ে। কিন্তু দূর্ভাগ্য রাফি কোনো কবি না এটা ভেবেই রাফির মন খারাপ হয়ে যায়। এই রাতে যদি পাশে প্রিয় মানুষ টা থাকতো তাহলে সারা রাত দেখে কাটিয়ে দিতে পারবে কিন্তু রাফির কোনো পছন্দের মানুষ নেই। রাফি একাকিত্ব থাকলেও সে সব সময় উৎফুল্ল থাকে। রাফি যখন ছাঁদে দাঁড়িয়ে এগুলো ভাবছিল তখনই নুসরাত রাফিকে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলে। রাফি পিছনে ফিরে দেখে নুসরাত দোলনায় বসতে বসতে কথাটা বলে। নুসরাতের হাতে একটা সিগারেটের পেকেট তার থেকে একটা সিগারেট জ্বালায় আর সেটা টানতে থাকে। রাফি যেন বিশ্বাস ই করতে পারছে না,,নুসরাত মেয়ে হয়ে সিগারেট খায়। কিন্তু আগে তো কখনো নুসরাত কে সিগারেট খেতে দেখে নি,তাহলে। নুসরাতের প্রতি রাফির মনে ঘৃণা সৃষ্টি হয়।
• রাফি বিরক্ত বোধ করে নুসরাত কে উত্তর দেয় -- জ্বি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম।
• নুসরাত পেকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে রাফির দিকে দেয়। কিন্তু রাফি তা নেয় না। সিগারেটের প্রতি রাফির অনিহা দেখে সে একটা মুচকি হাসি দেয়। ‘তা তর গ্রামের বাড়ি যেন কই’
• রাফি স্বাভাবিক ভাবে জবাব দেয়- জ্বি চট্টগ্রামে।
• সিগারেটের ধোঁয়া উপরের দিকে ছেড়ে বলে -- চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এত তাড়াতাড়ি আসলি কিভাবে।(নুসরাত)
• রাফি বুঝতে পারছে না নুসরাত তাকে এত প্রশ্ন করছে কেনো। ‘ট্রেন দিয়ে আসছি তাই সময় কম লাগছে’
• রাফি তুই যানি কেমন ছেলে বুজছিস। আমার কাছে তকে শুধু রহস্যময়ী লাগে তুই কি আদেও বোকা না রহস্যময়ী বুঝতে পারছি না।(নুসরাত)
• রাফি কেমন যেন থমথমে অবস্থা হয়ে গেছে তাই সে আমতা আমতা করে জবাব দেয় -- আ..আমি আবার কেমন ছেলে। আমি কেনো রহস্যময়ী ছেলে না। আর আমি বোকা না হলে আপনাদের অপমান সব সহ্য করি না।(রাফি)
• আমার কেমন যেন লাগছে তুকে,,যেন সন্দেহ সন্দেহ যেই দিন রাতে সজিবরা খুন হয় ঐই দিন থেকে তকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। আর ঐই একই দিন তর চট্টগ্রাম যেতে হয়েছে তাহলে কি আমি কিছু একটা ভেবে নিব।
• রাফি নিজেকে ঠান্ডা করে এখন যদি সে কোনো ভুল করে তাহলে তার সমস্যা হতে পারে। রাফি মাথাটা ঠান্ডা করে উওর দেয় -- আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে,, আমি কেনো সজিব ভাইদের খুন করতে যাবো। আমার তো সামান্য রক্ত দেখলেই মাথা ঘুরায় আর আপনি বলছেন আমি খুন করছি,,এক নিশ্বাসে কথা বলে থামে রাফি।
• নুসরাত দেখতে পারছে রাফির চোখে ভয় নয় আতংক ঝলঝল করছে। নুসরাত মুচকি হেসে রাফি কে বলে-- আমি তো বলি নি তুই ই সজিবদের খুন করেছিস। আমি তো শুধু তকে সামান্য সন্দেহ করেছি,,এখন কিন্তু আমার সন্দেহ টা সত্যি হবে মনে হচ্ছে।
• রাফি কোনো রকমে নিজেকে শান্ত করে উওর দেয় -- আমি তো আপনার সন্দেহ দূর করার জন্য এই কথা বলছি। (রাফি)
• তবে তুই আমার সন্দেহের তালিকায় প্রথমে আছিস। এমন কিছু দেখলে আমি কিন্তু পুলিশ কে বলতে বাধ্য হবো। (নুসরাত)
• রাফি যেন হাফঁ ছেড়ে বাঁচলো। মুচকি হেসে জবাব দেয় - এমন কিছু করবো না যাতে আপনার পুলিশের কাছে যেতে হয়। (রাফি)
• নুসরাত হাত দিয়ে নিজের কপাল টা স্লাইড করে রাফিকে বলে-- তাই যেন হয়। এটা বলে নুসরাত নিচে চলে আসে আর ভাবতে থাকে,,কি ছিলো রাফির চোখে কোনো ভয় নেই কিন্তু আতংকের প্রতিছবি ফোটে উঠছে। আর আসলেই তো রাফির মতো একটা ক্ষেত ছেলে কিভাবে সজিবদের খুন করবে। যার কিনা প্রতিবাদ করার সাহস নেই সে কিভাবে মানুষ খুন করবে। এগুলো ভাবছিল তখনই নুসরাতের মোবাইলে একটা মেসেজ আসে,, মেসেজ টা দেখে নুসরাতের ঠোঁটের কোণায় হাসি ফোটে উঠে............
....
“ রাজ আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ। মানে কেমন মেয়ে হলে আপনি বিয়ে করবেন ”
প্রশ্ন টা শুনে রাজ কিছুক্ষণ রিমির দিকে তাকিয়ে আবার অন্য দিকে তাকায়। রাজ দেখতে পাচ্ছে রিমির চোখে মুখে লজ্জার ছাপ। রাজের প্রতি যে একটা অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে সেটা তার চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তবে সেই অনুভূতি কি ভালোবাসা নাকি ভালোলাগা শুধু সেটা এখনো জানে না রাজ। রিমির প্রতি উওরে রাজ বলে-- আমার তেমন কোনো মেয়ে পছন্দ নেই। তবে আমি কখনো আমার অনিশ্চিত জীবনে কোনো মেয়ে কে স্থান দিতে পারবো না।
• রিমি বড় বড় চোখ করে বলে-- অনিশ্চিত জীবন মানে বুঝি নি আপনার কথা।
• রাজ একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে-- পুলিশের চাকরি মানেই তো জীবন মরনের খেলা। যে কোনো সময় কোনো কিছু হয়ে যেতে পারে। তাই আমি চাই না এই জীবনে কাউকে জড়িয়ে তার জীবন টা নষ্ট করতে।
• রিমি একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে রাজকে বলে- যদি কোনো মেয়ে নিজের ইচ্ছায় আপনার জীবনে জড়াতে চায় তাহলে আপনি কি করবেন। আর আমার বাবাও তো পুলিশ তাই বলে কি ওনি বিয়ে করেন নি, করেছে তো তাহলে আপনার এমন সিদ্ধান্ত কেনো আমি বুঝতে পারছি না।
• শুনো রিমি তুমার বাবার জীবনও অনিশ্চিত ছিলো কিন্তু তুমার বাবা কিন্তু প্রেম করে বিয়ে করেছে। কোনো মেয়ে কামনা করে না তার স্বামীর মৃত্যু। তুমার মা তুমার বাবা কে অনেক ভালোবাসতো তাই তাদের ভালোবাসার অটুত বিশ্বাসে তারা বিয়ে করে। কিন্তু আমার জীবনে এমন কোনো মেয়ে নেই যে জেনে শুনে আমার জীবনের সাথে জড়াবে।
• রিমি করুণ কন্ঠে জবাব দেয়-- আমিও তো জানি আপনার জীবন অনিশ্চিত,, তবে আমাকে কি কোনো ভাবে এক্সেপ্ট করা যায়।
• রাজ বুঝে গেছে তার প্রতি রিমির অনুভূতি আকাশ পরিমাণ ছেয়ে গেছে। রাজ কিছু না বলে মুচকি হাসি দিয়ে চলে আসে সেখান থেকে। রিমি রাজের যাওয়ার দিকে চেয়ে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে। সে রাজের মুচকি হাসির মানে বুঝতে পারছে না। তবে এই হাসির মানে কি হতে পারে ভাবতে থাকে রিমি........
..
সজিব মারা যাওয়ার পর থেকে ভার্সিটি টা পুরো ঠান্ডা হয়ে গেছে কোথাও কোনো র্যাগ হচ্ছে না। এভাবে আর কত দিন,,চল আজকে নতুন কাউকে মুরগী বানাই। রিয়ার কথা শোনে সবাই রিয়ার দিকে তাকায়। রিয়া সবার তাকানো দেখে বলে-- কিরে সবাই আমার দিকে এমন ভাবে তাকিয়েছিস কেনো আমাকে কি জোকারের মতো দেখতে লাগছে,,রিয়া মুখটা কে ইনোসেন্ট চেহারা করে বলল।
সবাই তার কথায় হেসে দেয়। এবার আয়ান বলে,,,
• রিয়া কথাটা খারাপ বলে নি আসলেই অনেক দিন ধরে মজা করা হয় না আজ জমিয়ে র্যাগ দিবো, কি বলিস সবাই। সবাই আয়ানের সাথে সহ মত দেয়। রিয়া বলে,
• তা আজকে প্রথম কাকে দিয়ে শুরু করবো। (রিয়া)
মামা দেখ একটা মেয়ে বোরকা পরে আসতেছে,,চল আজকে এই মেয়েকে দিয়ে শুরু করি। রিদয়ের কথায় সবাই গেটের দিকে তাকায় দেখে একটা কালো বোরকা পড়া মেয়ে আসতেছে। সবাই ভাবছে এই আধুনিক যুগে কেউ এরকম কালো বোরকা পড়ে আসে।
জান্নাতের আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন। তার অনেক দিনের স্বপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার তাই সে সিলেট থেকে এখানে টার্নস্ফার হয়ে ২য় বর্ষে ভর্তি হয়েছে। সে ঘুরে ঘুরে দেখছিলো ভার্সিটি টা। ক্যাম্পাসটা খুবই বড় আর সুন্দর,,তাই সে ভালো করে ঘুরে দেখছিলো তখনই পাশ থেকে একটা মেয়ে ডাক দেয় কিন্তু কাকে ডাকছে তা বুঝতে পারছে না জান্নাত। কিন্তু যখন মেয়েটা কালো বোরকাওলি বলে ডাক দিল তখন জান্নাত দেখে আসেপাশে কোনো কালো বোরকা পড়া মেয়ে নেই তাই সে মেয়ে টার ডাকে সেখানে যায়। আসলে রিয়ারা মজা করার জন্যই জান্নাত কে ডাকছে। জান্নাত জানে না ওর সাথে আজ কি হতে যাচ্ছে।
জান্নাত গুটি গুটি পায়ে ওদের সামনে আসে আর সবাইকে সালাম দেয়। জান্নাত বুঝতে পারছে না কেনো ওকে ডাকা হয়েছে তাই সে প্রশ্ন করে ফেলে -- আপু আমাকে কেনো ডেকেছেন।
• রিয়া মুচকি হেসে বলে -- এত তারা কিসের তুমার তুমাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে। আর কিছু কাজ করতে হবে যদি না করতে পারো তাহলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা আছে,, এখন বল তুমি কি প্রস্তুত।
• জান্নাত সবার দিকে একবার চেয়ে জবাব দেয় -- উত্তর দেয়ার মতো প্রশ্ন হলে আমি রাজি,,এখন প্রশ্ন করতে পারেন।
• রিয়া জান্নাতের সম্পর্কে জানতে চায়। জান্নাত ও সব গুলো প্রশ্নের সঠিক উওর দেয়। কিন্তু এখন এই সিনিয়রা কি কাজ দিবে তা ভাবতেই কেমন যেন লাগছে জান্নাতের।
• রিয়া কিছু বলতে যাবে তার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে আয়ান বলতে থাকে-- মামনি এখন আমি যে কাজ টা করতে বলবো তুমাকে সেটা করতে হবে কিন্তু।(আয়ান)
• জান্নাত না বুঝে বলে ফেলে -- জ্বি ভাইয়া বলেন আমাকে কি করতে হবে,,আমার দ্বারা কাজটা করা সম্ভব হলে করবো।
• আয়ান শয়তান মার্কা হাসি দিয়ে বলে-- ঐই যে দেখতেছ গাছের নিচে একটা ছেলে বসে আছে।
• জান্নাত গাছের দিকে তাকায় দেখে একটা ছেলে বসে আছে পরনে তার,,হালকা ময়লা হলুদ শার্ট, কালো পেন্ট, চুল গুলো বড় বড় কুকরা, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা মাথাটা নিচু করে বসে আছে। ভালো করে ছেলেটা কে দেখে জান্নাত উত্তর দেয় -- জ্বি ভাইয়া দেখছি এখন কি করতে হবে আমাকে।
• যেই ছেলেটা কে দেখতেছো তার নাম রাফি তোমার ক্লাসেই পড়ে। তুমি এখন যেয়ে রাফি কে প্রপোজ করবে।
• সবাই হেসে উঠে আয়ানের কথায় কেউ ভাবছিলো না আয়ান এমন কিছু দিবে। জান্নাতের চোখ জোরা যেন বেরিয়ে আসার উপক্রম। সে ভাবতেও পারে নি আয়ান তাকে এমন একটা কাজ করতে বলবে। সে আয়ানের মুখের উপর বলে দেয়, ভাইয়া আমাকে অন্য কিছু করতে বলেন আমি এটা করতে পারবো না।
• এবার রিয়া রেগে যেয়ে বলে-- তুমি তো বলছিলে আমরা যেটা বলবো তুমি সেটা করবে কিন্তু এখন আবার না করছো,, নয়তো আজ ভার্সিটির প্রথম দিনই তোমাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে,,আয়ান যা বলছে তাই করো যাও তাড়াতাড়ি।
• জান্নাত কাদো কাদো ফেস করে বলে প্লিজ আমাকে এটা করতে বলবেন না অন্য কিছু দেন প্লিজ।
• জান্নাতের কথা না শুনে সাদিয়া ধমক দিয়ে বলে-- যা বলছে তা করো তাড়াতাড়ি।
জান্নাত সবার দিকে একবার চেয়ে রওনা দেয় রাফির উদ্দেশ্য,, কিন্তু যেয়ে এমন একটা পরিস্থিতি তে পরবে বুঝতে পারে নি জান্নাত...........
### চলবে ###
[ আজকের পর্ব টা দেরি করে দেওয়ার জন্য দুঃখীত। শরীর টা বেশি একটা ভালো ছিলো না তাই একটু দেরি হয়ে গেছে। আর সবাই পরের পর্ব টা কেমন চান বলতে ভুলবেন না ]ধন্যবাদ
wait for the next part.
শুধুই রহস্য
ReplyDelete