রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ
“ খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড ”
লেখক: RAJA Bhuiyan.
পর্ব:>>[ ( ১০ ) ]<<
.........
• আগন্তুক টি জ্বলন্ত সিগারেট টা ফেলে দিয়ে জোরে জোরে হাসতে থাকে আর বলে -- কিরে চলে যাস কেনো আসছিলাম তো তদের সাথে একটু
খোস গল্প করতে।
জিসান: এই মাঝরাতে
তর সাথে বসে বসে গল্প করব আমরা। সর
সামনে থেকে এত রাতে এখানে ঝামেলা করতে চাই না। এ কথা শুনে আগন্তুক টা
হো হো করে হেসে বলে-- রাতের আগন্তুক তো শুধু রাতেই গল্প করার জন্য আসে। দিনের বেলা তাদের অস্তিত্ব থাকলেও মানুষের ভিরে চেনে যায় না। তাই চাচ্ছিলাম আর কি তদের সাথে একটু গল্প করতাম,, বলে আবার হাসতে থাকে।
আশিক: দেখ ভাই তুই রাস্তা থেকে বাইক টা সরা,, তুই কালকে সকালে এসে আমাদের সাথে গল্প করিস। আগন্তুক এবার বেশ গম্ভীর গলায় বলতে থাকে -- মুন্নার মার গায়ে কে প্রথম হাত দিয়েছিস।
কথাটা শুনে একজন আরেকজনের দিকে চাওয়া চায়ি করছে,,সবাই বাইক থেকে নামে,জিসান বলে-- কেনো কি হয়েছে হাত দিয়েছি বলে ঐ শালি বেস্যার** জন্য তুই এখন আমাদের জিজ্ঞাসা বাধ করবি। আগন্তুকের যেন কথাটা সহ্য হয় না। তাই সে আবার বলে তদের মধ্যে থেকে কে প্রথম হাত দিয়েছিস সেটা বল। সানি বলে -- আমি দিয়েছি হাত প্রথমে। কথাটা বলতে দেরি কিন্তু আগন্তুক টা
তার পিছন থেকে “পয়েন্ট থার্টি এইট” রিবাল বার টা বের করে সানির পায়ে গুলি করে। পরিবেশ টা এখন বেশ থমথমে চারপাশে পিন পিন নিরবতা দূরে দূরে কুকুর গুলো গেউ গেউ,,করছে ল্যাম্পোস্টের ঘোলাটে আলো চারিপাশ ভরে গেছে,,কারো মুখে কোনো কথা নেই। আগন্তুক টা এভার বেশ জোরেই বলে-- কেনো তরা মুন্নার মার সাথে এমন করেছিস। জিসান ভয়ে ভয়ে বলতে থাকে-- খুব বড় একটা পার্টি ছিলো ওকে নিয়ে গেলে আমাদের অনেক লাভ হতো কিন্তু শালি আসছিলো না তাই জোর করে তুলে আনছি। আর তর,, ঐ বেশ্যা** মাগির জন্য এত দরদ কেনো নাকি তুই সেদিন কার কাস্টমার ছিলি। কথাটা জিসান বলা মাএ একটা গুলির শব্দ হয় এভার আর কারো পায়ে গুলি টা লাগে নি,,
সোজা জিসানের কপালে লাগে,,জিসান
এর দেহটা নিস্তেজ হয়ে গেছে। এটা দেখে আশিক চিৎকার দিয়ে পিছন থেকে গান বের করে আগন্তুক কে গুলি করবে যাবে এর আগেই পর পর দুটা গুলির করার শব্দ হয়,
100°c তাপমাত্রার দুটা বুলেট যেয়ে আশিকের বুকের ডান পাশে লাগে,আশিকের দেহটা মাটিতে লুটিয়ে পরে সে শেষে একটা কথা বলে,,সানি তুই পালিয়ে যা এ তকে মেরে দিবে চলে যা।
সানি এভার খুরাতে খুরাতে আগন্তুকের পায়ের পরে যায় আর বলতে থাকে -- ভাই কে আপনি আমাদের সাথে এমন করছেন কেনো ওদের মেরে দিছেন কেনো,, আমাকে ছেড়ে দেন ভাই বলে জোরে জোরে কান্না করতে থাকে। এ কথা শুনে আগন্তুক টা উচ্চ সরে হাসতে হাসতে বলে-- আমি, আমি কোনো এক অশান্ত শহরের শান্ত মাইন্ড গেমার। তদের কিভাবে ছেড়ে দেই বল,,কাজ সেটা ছোট হোক কিংবা বড় তার সম্মান করতে হবে। ছোট কাজ থেকেই মানুষের জীবন যাএা শুরু হয়, কিন্তু তরা কি করলি, থাক তা আর নাই বলি
কিন্তু দুঃখের কথা হলো তকেও এখন মরতে হবে। সানি এবার বলে ভাই আমি
এই শহর থেকে চলে যাব আমাকে মাফ করে দেন দয়া করে। আগন্তুক টা সানির দিকে রিবাল বার টা তাক করে, যেন র্টিগার
টায় চাপ দিলেই গরম বুলেটে সানির কপাল টা ভেদ করে পিছন দিয়ে বেড়িয়ে যাবে। সানি সময় নষ্ট না করে হুট করে আগন্তুকের থেকে গান
টা নিয়ে নেয় কোনো মতে এক পায়ের উপর ভর দিয়ে পকেট
থেকে সিগারেটের পেকেট আর মেছ বের করে,, একটা সিগারেট জ্বালায় আর সেটা টানতে টানতে বলতে থাকে -- শত্রু কে কখনো সামনে রেখে বেশি কথা বলবি না,,এতে তর ই সময় নষ্ট হবে, পিস্তল এমন একটা জিনিস এটা যার হাতে থাকবে সেই রাজা। শুন এতক্ষণ কন্নাকাটি
করার এক টাই করন,, তর সময় নষ্ট করা আর মাথায়টাকে একটু চাপ মুক্ত করা। তর উপরে যাওয়ার সময় চলে এসেছে,, বলে সানি আগন্তুকের মাথায় তাক করে। কিন্তু অবাক করার বিষয় আগন্তুক টা জোরে জোরে হাসতে থাকে। সানি রেগে বলে।
•সানি: কিরে এমন পাগলের মতো হাসছিস কেনো,ভয় পেয়ে পাগল হয়ে গেলি নাকি।
• আগন্তুক টা ঠোঁটের কোণায় হাসি রেখে বলে-- শুন তকে একটা কথা বলি,,“বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে” তেমন ই তর সাথে একটু মাইন্ড গেম খেলবো। সানি আর সময় নষ্ট করতে চায় না। তাই সে র্টিগারের চাপ দেয় কিন্তু কোনো গুলি বের
হলো না দু তিন বার চাপ দিচ্ছে কাজ হচ্ছে না। এটা দেখে আগন্তুক টা হাসতে হাসতে বলে-- বল্লাম তো তুই যদি মাইন্ড গেমার হস তাহলে আমি মাস্টার মাইন্ড গেমার। এখানে ছোট্ট একটা গেম খেল্লাম তর সাথে,, পিস্তলে কোনো বুলেট নেই আমি আগে থেকে বের করে নিয়েছি। জানতাম তুই এমন কিছু একটা করবি বাঁচার জন্য,,এটা বলে আগন্তুক টা নিচে থেকে সিগারেট নিয়ে জ্বালিয়ে টানতে থাকে,
সানিকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে পায়ের বুট থেকে একটা গান বের করে পর পর চার টা গুলি করে,, গরম বুলেটে সানির কপালটা ভেদ করে বেড়িয়ে আসে,, আর তিনটা বুলেট তার বুকটা ঝাঁজরা হয়ে যায়,, সানি মাটিতে লুটিয়ে পরে। চারদিকে জোনাকিপোকারা নিভু নিভু করে জ্বলছে
হিমেল হাওয়ায় পরিবেশ টা মনোরম হয়ে উঠেছে। কিন্তু চারিপাশে রক্তের গন্ধে
ম ম করছে,, পরিবেশ টার সাথে রক্ত টা মিলছে না। হয়তো কিছুক্ষন পর রাস্তার কুকুর গুলো লাশ গুলো খুবরে খুবরে খাবে। আগন্তুক টা মুখের সিগারেট টা ফেলে বাইকে এসে বসে আর নিস্তব্ধ আধারে মিলিয়ে যায়।
•• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ টি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ এই লাশ ৩ টি কে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে কে বা কারা এই খুন গুলো করেছে তা এখনো জানা যায় নি। তবে পুলিশের বক্তব্য তারা আসামিদের ধরে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবে।এই হত্যা কান্ড
টির তদন্ত চালাবে
‘ মেহেরাব চৌধুরী ’ ও তার দলের কিছু সদস্য। এই ছিল সকাল ৮ টার খবর। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। খবরটা দেখে চায়ের দোকান থেকে বেড়িয়ে যায় রাফি,, আর জোরে জোরে হাসতে থাকে রাস্তার অনেকে রাফিকে দেখে বলছে মনে হয় পাগল হয়ে গেছে। রাফি মনে মনে বলতে থাকে মুন্নার মার সাথে জোরাজোরি করার শাস্তি ছেলে গুলো পেয়েছে।
........
** কি হচ্ছে এগুলো কিছু বুঝতে পারছে না
মেহেরাব। সে সবাইকে
দিয়ে নিজে মাইন্ড গেম খেলে কিন্তু আজ মনে হচ্ছে সেই কারো মাইন্ড গেমের গুটি হয়ে যাচ্ছে। এই খুনে, খুনি কোনো প্রমাণ রেখে যায় নি,, এর আগের খুনটা তো এমন ধরনের ছিলো না। কিন্তু কি করে এমন ভাবে খুন হয়,,ভেবে পাচ্ছে না মেহেরাব।
• স্যার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চলে এসেছে দেখেন একটু।
হঠাৎ সাইফুলের কথায় ধ্যান ভাঙ্গে তার
সে সামনে থেকে রিপোর্ট টা নিয়ে দেখতে থাকে যে,,রিপোর্ট আসছে খুন যে বা যারা করছে তারা ভিকটিমদের কিছু দূরত্ব রেখে গুলি চালিয়েছে। আর ওরা মরার আগে মদ পান করছে। রিপোর্টে আর কিছু লেখা নেই। মেহেরাবের মনে মনে চিন্তা করছে,,কিছু দিনের ভিতর শহরে অনেক কিছু হয়ে গেছে। মেহেরাব চায় খুনিদের সাথে মাইন্ড গেম খেলতে কিন্তু সে এখনো বুঝতে পারছে না যে কে আসল খুনি।
• আজ ভার্সিটিতে এমন একটা ঘটনা ঘটার জন্য পুলিশের কড়া নির্দেশ যে অর্ধেক ক্লাস করিয়ে ছুটি দিয়ে দিতে। রাফি ভার্সিটিতে এসে সোজা
যেয়ে আম গাছের নিচে বসে পড়ে। কিছুক্ষণ পর সেখানে ফুল নিয়ে মুন্না আসে,,এসেই রাফির পাশে বসে রাফির দিকে সন্দেহের সৃষ্টি তে চেয়ে থাকে। রাফি সেটা খেয়াল করে বলে-- কিরে এমন করে আমার দিকে চেয়ে কি দেখিস,, আবার মনে হয় সন্দেহের সৃষ্টি তে চেয়ে আছিস,, বেপার কি??
মুন্নাঃ দেখতাছি তুমি যে কালকা কইলা হেগ
মাইরা লাইবা,, হেডা দেখি আজকা সত্যি হইছে। তয় তুমার চেহারা দেইহা মনে হয় না যে তুমি হেগো মারতে পারবা।
রাফিঃ আমাকে দেখে তর কেমন মনে হয় আমি।
মুন্নাঃ তুমার চেহারা দেইহা মনে হয় তুমি একটা মুরগী জুব করলে তোমার হাত কাপবো,,বলে মুন্না হি হি হি করে হাসতে থাকে। তয় আমার মনে একটা প্রশ্ন যে কে এই খুন গিলা করছে। তারে তো আবার ধন্যবাদ দিতে হইব। রাফি আর কিছু না বলে ক্লাসের দিকে চলে আসে। স্যার ক্লাসে ক্লাস করাচ্ছিলো হঠাৎ ই স্যার একটা প্রশ্ন করে ফেলে। প্রশ্ন টা হলো যে -- ধর তুমি তীব্র জ্বরে আক্রান্ত তুমার মনে হয় ঠান্ডা অনুভব করছ কিন্তু অন্য কারো কাছে তুমার শরীর টা গরম মনে হয় কেনো।
ক্লাসের অনেকেই একে অপরের দিকে চাওয়া চায়ি করছে কি হতে পারে উওর। প্রথম বেঞ্চ থেকে সবারই একই উওর তারা কোনো সময় এমন প্রশ্ন শোনে নি,,
শেষের বেঞ্চে রাফি মাথাটা নিচু করে বসে আছে এবার রাফির পালা স্যারের প্রশ্নের জবাব তার কাছে আছে। স্যার বলে তুমাকে কি আবার প্রশ্ন টা করবো নাকি এমনই ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে,,উত্তর জানা থাকলে বল। রাফি মাথাটা নিচু করেই বলতে শুরু করে-- স্যার প্রশ্ন টা সবার কাছে কঠিন মনে হলেও আমার কাছে মনে হচ্ছে সহজ। তীব্র জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা অপেক্ষা বেশি থাকে। যার কারণে শরীর খেকে তাপশক্তি পরিবেশে সঞ্চারিত হয় এবং আমার নিজের ঠান্ডা অনুভব হয়। কিন্তু অন্য কেউ জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে তার শরীরে তাপ প্রবাহিত হয়। যার ফলে আমাদের কাছে এমন মনে হয়,, এটা বলে রাফি থামে মাথাটা উচু করে দেখে অনেকেই অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে। স্যার বলে-- সঠিক উওর। আশা করি আরো ভালো করে পড়াশোনা করবে। রাফি ছেলেটা অন্য রকম সবাই তাকে অনেক অপমান করে কিন্তু সে সব মাথা পেতে নেয়। সবাই ক্লাস করে বের হয়ে যায় আড্ডা দেওয়ার উদ্দেশ্য,, আর ক্লাস হবে না আজ কিছুক্ষণ পর ছুটি হয়ে যাবে তাই।
.......
নুসরাত, স্নেহা,রিয়া,
সামিয়া,সজিব,রিদয়,সোহাগ,আয়ান,
রিয়াজ বসে আছে গাছ তলায়,, আয়ান খুব ভালো গান গাইতে পারে তাই সে গিটার দিয়ে সুর তুলতে ছিলো,, এমন সময় সামনে দিয়ে রাফি চলে যেতে থাকে। সজিবের হাতের ইশারায় আয়ান গিটার
বাজানো বন্ধ করে। সজিব রাফিকে উদ্দেশ্য করে বলে--- এই রাফি না সাফি,
কি যেন নাম তর, যাই হক এদিকে আয়। রাফি চাচ্ছিলো না অাজ ওদের হাতে র্যাগ হতে তাই সে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিলো তখন ই সজিব তাকে ডাক দেয়,,বাধ্য হয়ে রাফি ওদের সামনে আসে।
সজিবঃ কিরে তকে না একদিন বলছিলাম বড় ভাইদের সালাম দিতে।
রাফিঃ আস্সালামু আলাইকুম ভাইয়ারা আর আপুরা। সবাই জবাব দেয়। এবার রিয়া বলে-- সজিব চলো আজ ক্ষেত টার সাথে একটা গেম খেলি।
সজিবঃ হু খেলবো পরে,, এখন তুই বল তুই নুসরাত দের বাড়িতে থাকিস কেনো। রাফি সোজা উওর দেয় -- আংকেল ই আমাকে থাকতে দিয়েছে তাই থাকি। ওনি যেদিন যখন বলবে আমি সেদিন ই চলে যাবো। এটা বলতে দেড়ি কিন্তু রাফির বাম গালে একটা চড় পরতে দেড়ি হলো না। রাফির কথাটা শোনে সজিব দাঁড়িয়ে চড় মারে। এটা দেখে রিয়াজ বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়,,কিন্তু রাফির চোখের ইশারার কারণে কিছু বলতে পারে না। সবাই এটা লক্ষ্য করছে যে রিয়াজ রাগ করেই উঠে দাঁড়িয়ে ছিল। এখন এর সাথে খেলা শুরু করবো,,কি দেওয়া যায়।
রিয়াঃ এখন আমাদের সামনে দিয়ে প্রথম যে মেয়ে যাবে তাকে এই ক্ষেতটা প্রপোজ করবে। রাফি মাথাটা নিচু করে আরচোখে রিয়াজের দিকে তাঁকায়। রিয়াজ বলে-- হেই এগুলা বাদ দেও ও পারবে না
এছাড়া আমরা তো এখন আয়ানের গান শুনবো বাদ দেও তোমরা,, এই তুমি যাও তুমি। সবাই দেখতে পাচ্ছে রিয়াজ কাথা গুলো বলতে বলতে ঘেমে গেছে। মনে হচ্ছে সামনে কোনো আতঙ্ক দাঁড়িয়ে আছে। রিয়াজের চোখে ভয় বিরাজ করছে যা সবাই দেখতে পারছে। কিন্তু সবার মাথায় আসছে না যে রিয়াজ রাফিকে দেখে ভয় পাবে কেনো
ক্ষেত ছেলেটাকে রিয়াজ ভয় পাবে সবাই ভাবতে থাকে। রাফি মাথাটা নিচু করেই মুচকি একটা হাসি দেয় সবাই দেখতে না পেলেও নুসরাতের চোখ এরালো না,,নুসরাত ভাবতে থাকে ছেলেটা তো খুবই রহস্যময়ী। এর মধ্যে সজিব বলে-- রিয়াজ পরে গান শুনতে পারবো এখন ক্ষেত টা প্রপোজ করবে। এই দেখ জান্নাত আসছে যা তুই যেয়ে প্রপোজ করবি। জান্নাত নুসরাতদের সাথে একই ক্লাসে পড়ে। তার বাবা রাজনৈতিক দলের নেতা,, জান্নাত ৩য় বর্ষের ক্লাস টপার এবং খুবই ভদ্র আর রাগি মেয়ে,,তাই কোনো ছেলে তার পিছু লাগে না ভয়ে। রাফি মাথাটা উচু করে একবার জান্নাতের দিকে তাকিয়ে মাথাটা নিচু করে বলে-- ভাইয়া আমাকে অন্য কিছু দেন এটা আমি করতে পারবো না।
সজিবঃ যা বলছি নয়তো আজ তর এমন অবস্থা করবো তুই ভাবতেও পারবি না। ঐই দিন তো ভার্সিটির সবাই তকে খালি গায়ে দেখছে। আজ কিন্তু রাস্তার সবাই কে দেখাবো।
তবুও রাফি তার নিজের জায়গা থেকে সরে না। এটা দেখে সজিব রাফির শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে গেটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে,,সবাই তাদের পিছু পিছু যায় দেখতে সজিব রাফির সাথে আজ কি করে। কিন্তু কেউ সজিবকে থামাতে পারবে না। রাফির মনে হচ্ছে এই সময় তাকে কেউ যদি বাঁচাতো তাহলে,,কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে আসবে না কারণ সে গরীব, ক্ষেত, রাফি একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। সাবাই রাস্তায় এসে দেখে কিছু পুলিশ তদন্তের জন্য ইনফরমেশন খুজতেছে। আর একটা অফিসার গাড়িতে হেলান দিয়ে মাথাটা উপরের দিকে করে তাকিয়ে আছে,, হাতে তার জ্বলন্ত সিগারেট।
** এই তুমি এই ছেলেকে এবাবে রাস্তায় শার্টের কলার ধরে টানছো কেনো **
রাফিকে যখন সজিব এবাবে ধরে রাস্তায় নিয়ে আসতেছিল তখন ই পুলিশ অফিসার টা সজিব কে কথাটা বলে। রাফি পুলিশ অফিসার টা কে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে,রিয়াজ
এগুলো দেখতে না পেরে সেখান থেকে চলে আসে। এবার সজিব বলে-- আপনাকে বলতে হবে,,আমার যা ইচ্ছে আমি তাই করবো। আপনারা আপনাদের কাজে মন দিন এগুলো না দেখলেই হবে। এটা বলে একটা হাসি দিয়ে রাফির শার্টের বুতাম গুলো খুলতে যাবে তখনই....
.........
## চলবে ##
[ আজ মনে হয় একটু বড় করে দিয়েছি। কাল গল্প না দেওয়ার জন্য দুঃখীত। আর এই গল্পে কারো সাপোর্ট পাচ্ছি না,, জানি না পরের পাঠ গুলো দিব কি না] ধন্যবাদ
wait for the next part.