Showing posts with label আমি যা লিখি তাই গল্প হয়ে যায়। আর সে গল্প গুলো রহস্যময় হয়।. Show all posts
Showing posts with label আমি যা লিখি তাই গল্প হয়ে যায়। আর সে গল্প গুলো রহস্যময় হয়।. Show all posts

Tuesday, June 15, 2021

খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড--পর্ব: ১০--RAJA Bhuiya.

রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ   



“ খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড ”


লেখক: RAJA Bhuiyan. 


পর্ব:>>[ (  ১০  ) ]<<


.........


• আগন্তুক টি জ্বলন্ত সিগারেট টা ফেলে দিয়ে জোরে জোরে হাসতে থাকে আর বলে -- কিরে চলে যাস কেনো আসছিলাম তো তদের সাথে একটু 

খোস গল্প করতে। 


জিসান: এই মাঝরাতে 

তর সাথে বসে বসে গল্প করব আমরা। সর 

সামনে থেকে এত রাতে এখানে ঝামেলা করতে চাই না। এ কথা শুনে আগন্তুক টা  

হো হো করে হেসে বলে-- রাতের আগন্তুক তো শুধু রাতেই গল্প করার জন্য আসে। দিনের বেলা তাদের অস্তিত্ব থাকলেও মানুষের ভিরে চেনে যায় না। তাই চাচ্ছিলাম আর কি তদের সাথে একটু গল্প করতাম,, বলে আবার হাসতে থাকে। 


আশিক: দেখ ভাই তুই রাস্তা থেকে বাইক টা সরা,, তুই কালকে সকালে এসে আমাদের সাথে গল্প করিস। আগন্তুক এবার বেশ গম্ভীর গলায় বলতে থাকে -- মুন্নার মার গায়ে কে প্রথম হাত দিয়েছিস।


কথাটা শুনে একজন আরেকজনের দিকে চাওয়া চায়ি করছে,,সবাই বাইক থেকে নামে,জিসান বলে-- কেনো কি হয়েছে হাত দিয়েছি বলে ঐ শালি বেস্যার** জন্য তুই এখন আমাদের জিজ্ঞাসা বাধ করবি। আগন্তুকের যেন কথাটা সহ্য হয় না। তাই সে আবার বলে তদের মধ্যে থেকে কে প্রথম হাত দিয়েছিস সেটা বল। সানি বলে -- আমি দিয়েছি হাত প্রথমে। কথাটা বলতে দেরি কিন্তু আগন্তুক টা  

তার পিছন থেকে   “পয়েন্ট থার্টি এইট” রিবাল বার টা বের করে সানির পায়ে গুলি করে। পরিবেশ টা এখন বেশ থমথমে চারপাশে পিন পিন নিরবতা দূরে দূরে কুকুর গুলো গেউ গেউ,,করছে    ল্যাম্পোস্টের ঘোলাটে আলো চারিপাশ ভরে গেছে,,কারো মুখে কোনো কথা নেই। আগন্তুক টা এভার বেশ জোরেই বলে-- কেনো তরা মুন্নার মার সাথে এমন করেছিস। জিসান ভয়ে ভয়ে বলতে থাকে-- খুব বড় একটা পার্টি ছিলো ওকে নিয়ে গেলে আমাদের অনেক লাভ হতো কিন্তু শালি আসছিলো না তাই জোর করে তুলে আনছি। আর তর,, ঐ বেশ্যা** মাগির জন্য এত দরদ কেনো নাকি তুই সেদিন কার কাস্টমার ছিলি। কথাটা জিসান বলা মাএ একটা গুলির শব্দ হয় এভার আর কারো পায়ে গুলি টা লাগে নি,,

সোজা জিসানের কপালে লাগে,,জিসান

এর দেহটা নিস্তেজ হয়ে গেছে। এটা দেখে আশিক চিৎকার দিয়ে পিছন থেকে গান বের করে আগন্তুক কে গুলি করবে যাবে এর আগেই পর পর দুটা গুলির করার শব্দ হয়,

100°c তাপমাত্রার দুটা বুলেট যেয়ে আশিকের বুকের ডান পাশে লাগে,আশিকের দেহটা মাটিতে লুটিয়ে পরে সে শেষে একটা কথা বলে,,সানি তুই পালিয়ে যা এ তকে মেরে দিবে চলে যা।

সানি এভার খুরাতে খুরাতে আগন্তুকের পায়ের পরে যায় আর বলতে থাকে -- ভাই কে আপনি আমাদের সাথে এমন করছেন কেনো ওদের মেরে দিছেন কেনো,, আমাকে ছেড়ে দেন ভাই বলে জোরে জোরে কান্না করতে থাকে। এ কথা শুনে আগন্তুক টা উচ্চ সরে হাসতে হাসতে বলে-- আমি, আমি কোনো এক অশান্ত শহরের শান্ত মাইন্ড গেমার। তদের কিভাবে ছেড়ে দেই বল,,কাজ সেটা ছোট হোক কিংবা বড় তার সম্মান করতে হবে। ছোট কাজ থেকেই মানুষের জীবন যাএা শুরু হয়, কিন্তু তরা কি করলি, থাক তা আর নাই বলি

কিন্তু দুঃখের কথা হলো তকেও এখন মরতে হবে। সানি এবার বলে ভাই আমি

এই শহর থেকে চলে যাব আমাকে মাফ করে দেন দয়া করে। আগন্তুক টা সানির দিকে রিবাল বার টা তাক করে, যেন র্টিগার 

টায় চাপ দিলেই গরম বুলেটে সানির কপাল টা ভেদ করে পিছন দিয়ে বেড়িয়ে যাবে। সানি সময় নষ্ট না করে হুট করে আগন্তুকের থেকে গান 

টা নিয়ে নেয় কোনো মতে এক পায়ের উপর ভর দিয়ে পকেট 

থেকে সিগারেটের পেকেট আর মেছ বের করে,, একটা সিগারেট  জ্বালায় আর সেটা টানতে টানতে বলতে থাকে -- শত্রু কে কখনো সামনে রেখে বেশি কথা বলবি না,,এতে তর ই সময় নষ্ট হবে, পিস্তল এমন একটা জিনিস এটা যার হাতে থাকবে সেই রাজা। শুন এতক্ষণ কন্নাকাটি 

করার এক টাই করন,, তর সময় নষ্ট করা আর মাথায়টাকে একটু চাপ মুক্ত করা। তর উপরে যাওয়ার সময় চলে এসেছে,, বলে সানি আগন্তুকের মাথায় তাক করে। কিন্তু অবাক করার বিষয় আগন্তুক টা জোরে জোরে হাসতে থাকে। সানি রেগে বলে।


•সানি: কিরে এমন পাগলের মতো হাসছিস কেনো,ভয় পেয়ে পাগল হয়ে গেলি নাকি।


• আগন্তুক টা ঠোঁটের কোণায় হাসি রেখে বলে-- শুন তকে একটা কথা বলি,,“বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে” তেমন ই তর সাথে একটু মাইন্ড গেম খেলবো।  সানি আর সময় নষ্ট করতে চায় না। তাই সে র্টিগারের  চাপ দেয় কিন্তু কোনো গুলি বের 

হলো না দু তিন বার চাপ দিচ্ছে কাজ হচ্ছে না। এটা দেখে আগন্তুক টা হাসতে হাসতে বলে-- বল্লাম তো তুই যদি মাইন্ড গেমার হস তাহলে আমি মাস্টার মাইন্ড গেমার। এখানে ছোট্ট একটা গেম খেল্লাম তর সাথে,, পিস্তলে কোনো বুলেট নেই আমি আগে থেকে বের করে নিয়েছি। জানতাম তুই এমন কিছু একটা করবি বাঁচার জন্য,,এটা বলে আগন্তুক টা নিচে থেকে সিগারেট নিয়ে জ্বালিয়ে টানতে থাকে,

সানিকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে পায়ের বুট থেকে একটা গান বের করে পর পর চার টা গুলি করে,, গরম বুলেটে সানির কপালটা ভেদ করে বেড়িয়ে আসে,, আর তিনটা বুলেট তার বুকটা ঝাঁজরা হয়ে যায়,, সানি মাটিতে লুটিয়ে পরে।  চারদিকে জোনাকিপোকারা নিভু নিভু করে জ্বলছে  

হিমেল হাওয়ায় পরিবেশ টা মনোরম হয়ে উঠেছে। কিন্তু চারিপাশে রক্তের গন্ধে 

ম ম করছে,, পরিবেশ টার সাথে রক্ত টা মিলছে না। হয়তো কিছুক্ষন পর রাস্তার কুকুর গুলো লাশ গুলো খুবরে খুবরে খাবে। আগন্তুক টা মুখের সিগারেট টা ফেলে বাইকে এসে বসে আর নিস্তব্ধ আধারে মিলিয়ে যায়।


•• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ টি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ এই লাশ ৩ টি কে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে কে বা কারা এই খুন গুলো করেছে তা এখনো জানা যায় নি। তবে পুলিশের বক্তব্য তারা আসামিদের ধরে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবে।এই হত্যা কান্ড

 টির তদন্ত চালাবে

‘ মেহেরাব চৌধুরী ’ ও তার দলের কিছু সদস্য। এই ছিল সকাল ৮ টার খবর। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। খবরটা দেখে চায়ের দোকান থেকে বেড়িয়ে যায় রাফি,, আর জোরে জোরে হাসতে থাকে রাস্তার অনেকে রাফিকে দেখে বলছে মনে হয় পাগল হয়ে গেছে।  রাফি মনে মনে বলতে থাকে মুন্নার মার সাথে জোরাজোরি করার শাস্তি ছেলে গুলো পেয়েছে।


........


** কি হচ্ছে এগুলো কিছু বুঝতে পারছে না 

মেহেরাব। সে সবাইকে  

দিয়ে নিজে মাইন্ড গেম খেলে কিন্তু আজ মনে হচ্ছে সেই কারো মাইন্ড গেমের গুটি হয়ে যাচ্ছে। এই খুনে, খুনি কোনো প্রমাণ রেখে যায় নি,, এর আগের খুনটা তো এমন ধরনের ছিলো না। কিন্তু কি করে এমন ভাবে খুন হয়,,ভেবে পাচ্ছে না মেহেরাব।


• স্যার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চলে এসেছে দেখেন একটু।


হঠাৎ সাইফুলের কথায় ধ্যান ভাঙ্গে তার 

সে সামনে থেকে রিপোর্ট টা নিয়ে দেখতে থাকে যে,,রিপোর্ট আসছে খুন যে বা যারা করছে তারা ভিকটিমদের কিছু দূরত্ব রেখে গুলি চালিয়েছে। আর ওরা মরার আগে মদ পান করছে। রিপোর্টে আর কিছু লেখা নেই। মেহেরাবের মনে মনে চিন্তা করছে,,কিছু দিনের ভিতর শহরে অনেক কিছু হয়ে গেছে। মেহেরাব চায় খুনিদের সাথে মাইন্ড গেম খেলতে কিন্তু সে এখনো বুঝতে পারছে না যে কে আসল খুনি। 


• আজ ভার্সিটিতে এমন একটা ঘটনা ঘটার জন্য পুলিশের কড়া নির্দেশ যে অর্ধেক ক্লাস করিয়ে ছুটি দিয়ে দিতে। রাফি ভার্সিটিতে এসে সোজা 

যেয়ে আম গাছের নিচে বসে পড়ে। কিছুক্ষণ পর সেখানে ফুল নিয়ে মুন্না আসে,,এসেই রাফির পাশে বসে রাফির দিকে সন্দেহের সৃষ্টি তে চেয়ে থাকে। রাফি সেটা খেয়াল করে বলে-- কিরে এমন করে আমার দিকে চেয়ে কি দেখিস,, আবার মনে হয় সন্দেহের সৃষ্টি তে চেয়ে আছিস,, বেপার কি??


মুন্নাঃ দেখতাছি তুমি যে কালকা কইলা হেগ 

মাইরা লাইবা,, হেডা দেখি আজকা সত্যি হইছে। তয় তুমার চেহারা দেইহা মনে হয় না যে তুমি হেগো মারতে পারবা।


রাফিঃ আমাকে দেখে তর কেমন মনে হয় আমি।


মুন্নাঃ তুমার চেহারা দেইহা মনে হয় তুমি একটা মুরগী জুব করলে তোমার হাত কাপবো,,বলে মুন্না হি হি হি করে হাসতে থাকে। তয় আমার মনে একটা প্রশ্ন যে কে এই খুন গিলা করছে। তারে তো আবার ধন্যবাদ দিতে হইব। রাফি আর কিছু না বলে ক্লাসের দিকে চলে আসে। স্যার ক্লাসে ক্লাস করাচ্ছিলো হঠাৎ ই স্যার একটা প্রশ্ন করে ফেলে। প্রশ্ন টা হলো যে -- ধর তুমি তীব্র জ্বরে আক্রান্ত তুমার মনে হয় ঠান্ডা অনুভব করছ কিন্তু অন্য কারো কাছে তুমার শরীর টা গরম মনে হয় কেনো। 


ক্লাসের অনেকেই একে অপরের দিকে চাওয়া চায়ি করছে কি হতে পারে উওর। প্রথম বেঞ্চ থেকে সবারই একই উওর তারা কোনো সময় এমন প্রশ্ন শোনে নি,,

শেষের বেঞ্চে রাফি মাথাটা নিচু করে বসে আছে এবার রাফির পালা স্যারের প্রশ্নের জবাব তার কাছে আছে। স্যার বলে তুমাকে কি আবার প্রশ্ন টা করবো নাকি এমনই ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে,,উত্তর জানা থাকলে বল। রাফি মাথাটা নিচু করেই বলতে শুরু করে-- স্যার প্রশ্ন টা সবার কাছে কঠিন মনে হলেও আমার কাছে মনে হচ্ছে সহজ। তীব্র জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রা অপেক্ষা বেশি থাকে। যার কারণে শরীর খেকে তাপশক্তি পরিবেশে সঞ্চারিত হয় এবং আমার নিজের ঠান্ডা অনুভব হয়। কিন্তু অন্য কেউ জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে তার শরীরে তাপ প্রবাহিত হয়। যার ফলে আমাদের কাছে এমন মনে হয়,, এটা বলে রাফি থামে মাথাটা উচু করে দেখে অনেকেই অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।  স্যার বলে-- সঠিক উওর। আশা করি আরো ভালো করে পড়াশোনা করবে। রাফি ছেলেটা অন্য রকম সবাই তাকে অনেক অপমান করে কিন্তু সে সব মাথা পেতে নেয়। সবাই ক্লাস করে বের হয়ে যায় আড্ডা দেওয়ার উদ্দেশ্য,, আর ক্লাস হবে না আজ কিছুক্ষণ পর ছুটি হয়ে যাবে তাই।


.......


নুসরাত, স্নেহা,রিয়া,

সামিয়া,সজিব,রিদয়,সোহাগ,আয়ান,

রিয়াজ বসে আছে গাছ তলায়,, আয়ান খুব ভালো গান গাইতে পারে তাই সে গিটার দিয়ে সুর তুলতে ছিলো,, এমন সময় সামনে দিয়ে রাফি চলে যেতে থাকে। সজিবের হাতের ইশারায় আয়ান গিটার 

বাজানো বন্ধ করে। সজিব রাফিকে উদ্দেশ্য করে বলে--- এই রাফি না সাফি,

কি যেন নাম তর, যাই হক এদিকে আয়। রাফি চাচ্ছিলো না অাজ ওদের হাতে র্যাগ হতে তাই সে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিলো তখন ই সজিব তাকে ডাক দেয়,,বাধ্য হয়ে রাফি ওদের সামনে আসে।


সজিবঃ কিরে তকে না একদিন বলছিলাম বড় ভাইদের সালাম দিতে।


রাফিঃ আস্সালামু আলাইকুম ভাইয়ারা আর আপুরা। সবাই জবাব দেয়। এবার রিয়া বলে-- সজিব চলো আজ ক্ষেত টার সাথে একটা গেম খেলি।


সজিবঃ হু খেলবো পরে,, এখন তুই বল তুই নুসরাত দের বাড়িতে থাকিস কেনো। রাফি সোজা উওর দেয় -- আংকেল ই আমাকে থাকতে দিয়েছে তাই থাকি। ওনি যেদিন যখন বলবে আমি সেদিন ই চলে যাবো। এটা বলতে দেড়ি কিন্তু রাফির বাম গালে একটা চড় পরতে দেড়ি হলো না। রাফির কথাটা শোনে সজিব দাঁড়িয়ে চড় মারে। এটা দেখে রিয়াজ বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়,,কিন্তু রাফির চোখের ইশারার কারণে কিছু বলতে পারে না। সবাই এটা লক্ষ্য করছে যে রিয়াজ রাগ করেই উঠে দাঁড়িয়ে ছিল। এখন এর সাথে খেলা শুরু করবো,,কি দেওয়া যায়।


রিয়াঃ এখন আমাদের সামনে দিয়ে প্রথম যে মেয়ে যাবে তাকে এই ক্ষেতটা প্রপোজ করবে। রাফি মাথাটা নিচু করে আরচোখে রিয়াজের দিকে তাঁকায়। রিয়াজ বলে-- হেই এগুলা বাদ দেও ও পারবে না

এছাড়া আমরা তো এখন আয়ানের গান শুনবো বাদ দেও তোমরা,, এই তুমি যাও তুমি। সবাই দেখতে পাচ্ছে রিয়াজ কাথা গুলো বলতে বলতে ঘেমে গেছে। মনে হচ্ছে সামনে কোনো আতঙ্ক দাঁড়িয়ে আছে। রিয়াজের চোখে ভয় বিরাজ করছে যা সবাই দেখতে পারছে। কিন্তু সবার মাথায় আসছে না যে রিয়াজ রাফিকে দেখে ভয় পাবে কেনো

 ক্ষেত ছেলেটাকে রিয়াজ ভয় পাবে সবাই ভাবতে থাকে। রাফি মাথাটা নিচু করেই মুচকি একটা হাসি দেয় সবাই দেখতে না পেলেও নুসরাতের চোখ এরালো না,,নুসরাত ভাবতে থাকে ছেলেটা তো খুবই রহস্যময়ী। এর মধ্যে সজিব বলে-- রিয়াজ পরে গান শুনতে পারবো এখন ক্ষেত টা প্রপোজ করবে।  এই দেখ জান্নাত আসছে যা তুই যেয়ে প্রপোজ করবি। জান্নাত নুসরাতদের সাথে একই ক্লাসে পড়ে। তার বাবা রাজনৈতিক দলের নেতা,, জান্নাত ৩য় বর্ষের ক্লাস টপার এবং খুবই ভদ্র আর রাগি মেয়ে,,তাই কোনো ছেলে তার পিছু লাগে না ভয়ে। রাফি মাথাটা উচু করে একবার জান্নাতের দিকে তাকিয়ে মাথাটা নিচু করে বলে-- ভাইয়া আমাকে অন্য কিছু দেন এটা আমি করতে পারবো না। 


সজিবঃ যা বলছি নয়তো আজ তর এমন অবস্থা করবো তুই ভাবতেও পারবি না। ঐই দিন তো ভার্সিটির সবাই তকে খালি গায়ে দেখছে। আজ কিন্তু রাস্তার সবাই কে দেখাবো।

তবুও রাফি তার নিজের জায়গা থেকে সরে না। এটা দেখে সজিব রাফির শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে গেটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে,,সবাই তাদের পিছু পিছু যায় দেখতে সজিব রাফির সাথে আজ কি করে। কিন্তু কেউ সজিবকে থামাতে পারবে না। রাফির মনে হচ্ছে এই সময় তাকে কেউ যদি বাঁচাতো তাহলে,,কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে আসবে না কারণ সে গরীব, ক্ষেত, রাফি একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। সাবাই রাস্তায় এসে দেখে কিছু পুলিশ তদন্তের জন্য ইনফরমেশন খুজতেছে। আর একটা অফিসার গাড়িতে হেলান দিয়ে মাথাটা উপরের দিকে করে তাকিয়ে আছে,, হাতে তার জ্বলন্ত সিগারেট। 


** এই তুমি এই ছেলেকে এবাবে রাস্তায় শার্টের কলার ধরে টানছো কেনো **

রাফিকে যখন সজিব এবাবে ধরে রাস্তায় নিয়ে আসতেছিল তখন ই পুলিশ অফিসার টা সজিব কে কথাটা বলে। রাফি পুলিশ অফিসার টা কে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে,রিয়াজ 

এগুলো দেখতে না পেরে সেখান থেকে চলে আসে।  এবার সজিব বলে-- আপনাকে বলতে হবে,,আমার যা ইচ্ছে আমি তাই করবো। আপনারা আপনাদের কাজে মন দিন এগুলো না দেখলেই হবে। এটা বলে একটা হাসি দিয়ে রাফির শার্টের বুতাম গুলো খুলতে যাবে তখনই....


.........


## চলবে ##


[ আজ মনে হয় একটু বড় করে দিয়েছি। কাল গল্প না দেওয়ার জন্য দুঃখীত। আর এই গল্পে কারো সাপোর্ট পাচ্ছি না,, জানি না পরের পাঠ গুলো দিব কি না] ধন্যবাদ 


wait for the next part.

Monday, June 14, 2021

খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড--পর্ব: ১২--RAJA Bhuiya.

রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ   



“ খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড ”


লেখকঃ RAJA Bhuiyan



পর্বঃ >>[( ১২ )]<<


...........




“ দুপুর ১টা ১৫ ” নুসরাত থানার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে ভিতরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। সে কোনো দিন থানার আসে পাশে যায় নি। কিন্তু আজ রাফি ছেলেটা সম্পর্কে

 জানার জন্য সে থানায় আসছে। নুসরাত ভেবে পায় না হঠাৎই অচেনা ছেলের সম্পর্কে জানার জন্য তার কেনো এমন আগ্রহ। সে আর কিছু না ভেবে থানাতে প্রবেশ করে। অনেক অফিসার রা নুসরাতের দিকে চেয়ে আছে,,তারা সবাই আগ্রহের দৃষ্টিতে চেয়ে আছে কেনো এই মেয়ে থানায় এসেছে। নুসরাত যেয়ে একজন 

 কনস্টেবল কে জিজ্ঞেস করে-- স্যার কালকে এই থানাতে একজন অফিসার মেয়রের ছেলে কে ধরে নিয়ে এসেছে,, ঐ স্যারের কেবিন টা কোনটা। 




• কনস্টেবল টা বলে-- কেনো ওনাকে কি প্রয়োজন,,কোনো কেস লিখতে আসছেন তাহলে আমাকে বলেন।




• নুসরাত বলে-- প্লিজ বলেন ওনার কেবিন টা কোনটা ওনাকে আমার খুবই প্রয়োজন




• কনস্টেবল টা কিছুক্ষন নুসরাতের দিকে চেয়ে বলে-- ঐ যে বাম পাশের কেবিন  টা রাজ স্যারের। 



• নুসরাত কনস্টেবল টা কে ধন্যবাদ দিয়ে রাজের কেবিনের দিকে চলে আসে। 




** স্যার ভিতরে আসতে পারি **

রাজ বসে বসে মনোযোগ দিয়ে কিছু ফাইল দেখছিলো তখনই কেউ কথাটা বলে। রাজ সামনে চেয়ে দেখে একজন মেয়ে ভিতরে আসার জন্য অনুমতি চাচ্ছে। 




• রাজ বলে-- প্লিজ আসেন। নুসরাত ভিতরে যেয়ে অনুমতি নিয়ে বসে। 



• রাজ বলে-- ম্যাম আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি। 



• নুসরাত বলে-- স্যার আপনার কাছে আসছি একজনের সম্পর্কে জানার জন্য। 



• জ্বি বলেন কার সম্পর্কে জানতে থানায় এসেছেন।




• নুসরাত একটু বেশি আগ্রহ নিয়ে বলে-- স্যার কালকে আপনি আমাদের ভার্সিটি থেকে একজন কে ধরে নিয়ে এসেছেন,,

যার নাম সজিব।




• রাজ একটু রাগান্বিত হয়ে বলে-- ঐ বেয়াদব ছেলেটার ইনফরমেশন জানার জন্য এসেছেন।



• রাজের রাগ দেখে নুসরাত একটু ভয় পেয়ে বলে-- আ..আসলে স্যার ওর সম্পর্কে জানতে চাই না।



• তাহলে??




• স্যার সজিব যে একটা ছেলের শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে রাস্তায় নিয়ে এসছিলো তার সম্পর্কে জানতে চাই। রাফিকে আপনি চিনেন কিভাবে, আপনার কি কোনো আত্মীয় হয়।



• রাজ মুচকি হেসে জবাব দেয় -- ঐ ছেলের নাম রাফি। আমি তো ওকে এই প্রথম দেখলাম। আর সে আমার আত্মীয় হতে যাবে কেনো। আর ঐই দিন সজিব রাফির সাথে এমন করলো কেনো।



• নুসরাত ভয়ে ভয়ে বলে-- আসলে স্যার রাফি গরীব আর আন স্মার্ট তো তাই রাফিকে  সবাই অপমান করে। ঐই দিন সজিব রাফিকে একটা কাজ দিয়েছিলো,, রাফি সেটা করবে না বলছে তাই এমন করেছে।




• ওও আচ্ছা,, তা আপনার আরো কিছু জানার আছে। না থাকলে আসতে পারেন এখন। নুসরাত  থানার বাইরে এসে মন 

 খুলে শ্বাস নিতে থাকে  

 তার মনে হচ্ছে এখন খুবই শান্তি। সে আবার ভার্সিটিতে চলে আসে।




* আজ রাফির সাথে কেউ কোনো ঝামেলা করে নি তার সাথে কেউ কোনো কথাও বলে নি,, এতে রাফি মনে মনে একটু খুশি লাগছে * অনুমান বা ধারনা থেকেই সত্যের উৎপত্তি। তাহলে কি রাফির সাথে কেউ আর খারাপ ব্যবহার করবে না। আজ সকাল থেকে ই রাফির 

 খারাপ লাগছে মনে হচ্ছে আজ তার সাথে কিছু ঘটতে চলছে। সামনে রাফির কি বিপদ তা ওর জানা নেই। 



• ভাই আমনে সব সময় একলা একলা বইসা কি করেন। আমনের কি কোনো বন্ধু নাই,, কারো লগে মিশেন ও না করণ কি ভাই।

“ হঠাৎ মুন্না কথা শুনে রাফি ভাবনার জগৎ  থেকে বেড়িয়ে আসে আর দাঁত গুলো বের করে একটা সুন্দর হাসি দিয়ে বলতে থাকে --- বন্ধু দিয়ে কি করবো যদি সেই বন্ধু বেইমানি করে। আমি এখন একাকিত্ব থাকি করণ একাকিত্ব কখনো কারো সাথে বেইমানি করে না। আমার যেই পোশাক কে আমার সাথে বন্ধুত্ব 

 করতে আসবে। 



• তাও ঠিক কতা আমরা তো গরীব,, পৃথিবীতে তো গরীব দের কোনো দাম নাই।

তা আমনে কি কোনো কাম করেন না। 




• রাফি বলে-- না তেমন কোনো কাজ করি না। তুই এখন ফুল নিয়ে বিক্রি কর,,আমার সাথে বসে থাকলে লাভ হবে না। মুন্না কিছুক্ষন থেকে চলে যায়,,রাফি আর সেখানে বসে থাকে না চলে আসে গন্তব্য। রাফি রাস্তা দিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছি লো তখন ই তার সামনে দিয়ে দুইটা বাইক নিয়ে যায় মাক্স পরা তিন টা ছেলে। রাফির সামনে এসে বাইক গুলো থামে,, দুই টা ছেলে রাফির দিকে আসছে আর একটা ছেলে বাইকের উপর আরাম করে বসে আছে। দুইটা ছেলে এসে রাফিকে বলে-- তর নাম কি রাফি।




• রাফি বলে -- জ্বি আমি রাফি। এটা বলতে দেরি কিন্তু একটা ছেলে রাফির মুখে ‘ ক্লোরোফম ’ মেরে দেয়,, রাফি আর 

 কিছু বলতে পারে না হয়তো সে অজ্ঞান হয়ে

 গেছে,,,,,,,,,


...............




“রাত ১২টা ৪০মিনিট ”

রাফি চেহারের সাথে বাঁধা অবস্থা নিজেকে অাবিষ্কার করে ”

* ষাট ওয়াটের একটা হলদে বাল্বে পুরো ঘরটা আলোকিত হয়ে গেছে। রাফির পরনে সাকালের ময়লা শার্ট,

কালো পেন্ট এখন ঘেমে একাকার হয়ে গেছে,, ঘামের গন্ধটা খুবই বিশ্রি মনে হচ্ছে রাফির কাছে। মোটামুটি ভালোভাবে রাফিকে বাঁধা হয়েছে, মুখে টেইপ, সে এখন চাইলেও চিৎকার দিয়ে পারবে না। সামনে আশফি একটা চেয়ারে পায়ের উপর পা তুলে বসে সিগারেট টানছে,,আর দুইটা ছেলে রাফির পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। কিছুক্ষণ পর কেউ রুমের সাটার টা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। আশফি পিছনে তাকিয়ে দেখে সজিব আসছে, তা দেখে বলে-- দেখ তুই এই ছোট ছেলেটার জন্য আমাকে বলছিস। তুই ই ত পারবি একে শেষ করতে,আমি সামলে নিতাম সব।



• সজিব মুচকি হেসে একটা চেয়ারে বসে সিগারেট জ্বালিয়ে টানতে টানতে আশফি

 কে বলে-- আমার জন্য এটা কোনো ব্যপার ছিল না। তবে সামনে বাবার মেয়র নির্বাচন তাই তিনি কোনো ঝামেলা করতে নিষেধ করছে,,

তাই তুমাকে বল্লাম। তা ওকে এনে কি কোনো খাতির যত্ন করছো সেটা বল। 




• পিছন থেকে মাহাবুর 

 নামের একটা ছেলে বলে -- সালার জ্ঞান ফিরছে মাএ তাই এখনো কিছু করি নি।

এটা শুনে সজিব বসা থেকে উঠে এসে রাফির মুখ থেকে টেইপ টা খুলে দেয়। রাফি এখন একটু ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারছে।




• সজিব তার হাত দিয়ে রাফির মুখটা চেপে ধরে বলে- তর কারণে সে দিন আমাকে থানায় যেতে হেয়েছে। আজ তুই আর বাসায় ফিরে যেতে পারবি না, এটা আমি ঐই দিন থানায় বসে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা বলে সজিবের মুখের সিগারেট টা রাফির মুখে চেপে ধরে,, রাফি 

 সিগারেটের ধোঁয়া সহ্য করতে পারছে না তাই কাশতে শুরু করছে। এটা দেখে সবাই উচ্চ সরে হাসতে থাকে। রাফি চিৎকার করতে থাকে কিন্তু যেখানকার শব্দ সেখানেই ফিরে আসছে।



• সজিব হাসি দিয়ে বলে-- চিৎকার করে লাভ নেই, এখানে তকে কেউ বাঁচাতে আসবে না, আর তর চিৎকার বাইরের কেউই শুনতে পারবে না। সজিব চেয়ারে যেয়ে বসে শফিক নামের ছেলেটাকে বলে--শফিক ওখান থেকে রড টা নিয়ে আয়। শফিক সজিবের কথা মতো রড টা নিয়ে আসে।




• রাফির মনে হচ্ছে আজ আর কেউ তাকে বাঁচাতে আসবে না। আজ এই পৃথিবীর বুকে তার শেষ দিন,,

রাফির চোখ দুটো কেন যেন আজ হিংস্র হবার অনুপেরনা দিচ্ছে তাকে। রাফি এগুলো ভাবছিলো তখনই শফিক রড নিয়ে এসে রাফির হাঁটুর গোড়ায় বারি মারে,,সাথে সাথে রাফি ব্যাথায় চোখ বন্ধ করে ফেলে। মাহাবুর ছেলেটা তার হাতের স্টীক টা দিয়ে রাফির বা পায়ের হাটুঁর নিচে বারি মারে।রাফি ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে জোরে ‘ মা ’ বলে চিৎকার দিয়ে উঠে। রাফি কিছু একটা ভেবে কান্নার মাঝে শব্দ করে হেসে উঠে। সবার দৃষ্টি তখন রাফির দিকে পাগল হয়ে গেছে নাকি ছেলেটা।




• তার এমন হাসি যেন সজিবের সহ্য হয় না,, তাই সে রাফির বড় বড় চুল গুলো শক্ত করে ধরে মুখের কাছে মুখ এনে বলতে থাকে-- কিরে তুই এমন পাগলের মতো হসছিস কেনো,,মরার আগে মানুষ কাদে কিন্তু তুই কেদে কেদে আবার হাসছিস কেনো। 




• রাফি বলে মৃত্যু.. হাহাহাহহ...ভীতুরা মরার আগে বারে বারে মরে কিন্তু সাহসীরা মৃত্যুর স্বাদ একবারই গ্রহণ করে মি. সজিব,, বলে হাসতে থাকে রাফি।



• হঠাৎ রাফি তাকে এমন কিছু বলবে সে তা ভাবতেও পারে নি। আর রাফির গলার আওয়াজ টা কেমন যেন পরিবর্তন লাগছে। রাফির এমন কথা সহ্য হয় না যেন সজিবের তাই সে গালি দিয়ে বলে-- মা*** কে তুই বল,তর গলার স্বর ত আগে এমন ছিলো না, বল কে তুই বলে রাফির দু গালে কষে দুইটা চর মারে। রাফি আর কিছু বলে না শান্ত হয়ে বসে থাকে। সেটা দেখে সজিব মাহাবুরের কাছ থেকে স্টীক টা নিয়ে রাফিকে মারতে যাবে তখনই রুমের সাটারে কারো ধাক্কানোর শব্দ হয়। সজীব স্টীক টা ফেলে চেয়ারে এসে বসে পরে। 




• আশফির হাতের ইশারায় মাহাবুর ছেলেটা যেয়ে সাটারটা উঠায়, সাটার 

 টা উঠানোর সাথে সাথে শক করে একটা শব্দ হয়। সবাই পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে মাহাবুর নিচে পরে আছে,, মাথা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে সে রক্ত দিয়ে ঘরটা ছড়িয়ে পড়ছে। মনে হচ্ছে কেউ খুব কাছ থেকে মাহাবুরের কপালে গুলি করছে,, তার চোখ দুটো এখনো যেন কি বলতে 

 চাচ্ছে, মনে হয় সে তার মৃত্যু কে খুব কাছ থেকে দেখেছে। সারা ঘরে পিনপিন নিরবতা হলদে আলোয় আর লাল রক্তের মিশ্রণে পরিবেশ টা কেমন যেন থমথমে অবস্থা।




• রাফি এটা দেখে শব্দ করে হাসে। এই হাসির মানে কি কেউ জানে না। সবার মনে ভয় ঢুকে যায় কেনো হঠাৎ করে রাফির মতো ক্ষেত,গরীব, অসহায় ছেলেটা অচেনার মতো করে আচরণ করছে কেউ তা বুঝতে পারছে না। আশফির হাতের ইশারায় রড টা নিয়ে শফিক সাটারের কাছে যেয়ে বলতে থাকে কে বাইরে আছিস,,দেখ ভালোই ভালোই বলছি চলে যা এখান থেকে নয়তো কেউ জান নিয়ে বাড়িতে যেতে পারবি না। রাফি তাদের অবস্থা দেখে জেরে হেসে দেয়। 




• সজিব যেয়ে রাফিকে মারতে যাবে তখনি আরেকটা শব্দ হয়। রাফি মুচকি হেসে সামনের দিকে তাকাতে বলে সজিব কে,, সজিব চেয়ে দেখে শফিক পায়ে হাত দিয়ে বসে আছে তার হাত প পা দিয়ে অঝরে রক্ত পরছে। সজিব আর আশফি ভয় পেয়ে চিৎকার করে বলে-- কে বাইরে 

আছে,,সাহস থাকলে সামনে আয় কাপুরুষের মতো বাইরে দাঁড়িয়ে আছিস 

 কেনো।



• বাইরে থেকে কোনো শব্দ না পেয়ে আশফি বলে-- সজিব রাফির জন্য এই সব হচ্ছে সে মনে হয় কোনো ভাবে কাউ কে বলে দিয়েছে। চল একে মেরে দিয়ে আমরা পালিয়ে যাই বলে আশফি তার পিছন থেকে গান বের করে রাফির দিকে তাক করে যেন ট্রিগারে চাপ দিলে রাফির মাথাটা ভেদ করে বুলেট টা চলে যাবে। রাফি শুধু মুচকি হাসি হাসছে,,

কেউ বুঝতে পারছে না সে কিভাবে মৃত্যু কে সামনে থেকে দেখে মাথাটা ঠান্ডা করে বসে আছে। 





আশফি যখন ই ট্রিগারে চাপ দিবে তখনই একটা গুলির শব্দ হয়, রুমটা এখন নিস্তব্ধতায় বিরাজ করছে,, কিছু মানুষের বুটের আওয়াজ আবার কারো হাসির শব্দ............. 





## চলবে ##



[ মনে হচ্ছে অনেকের এই গল্প পড়ার আগ্রহ কমে গেছে। সবার কাছে ভালো কিছু আশা করছি ]





wait for the next part.

Sunday, June 13, 2021

খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড- পর্ব: ২ --Raja Bhuiyan

 

রহস্যময় সিরিজ  



 “খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড ”

লেখকঃঃ RAJA Bhuiyan

পর্ব ---২


"বর্ষার পর শরতের আগমন ঘটে। বর্ষার কালো মেঘের অবসান 

ঘটে।আজ হালকা বৃষ্টি হচ্ছে,ব্যাস্ত শহরটা বৃষ্টির কারণে থেমে নেই।


"সকাল ৯ঃ৩০ মিনিট""

মেহেরাবের দু তলা বাড়ির সামনে একটি কালো গাড়ি এসে থামে।


**গাড়ির শব্দ শুনে মেহেরাব,রিমি,ও মেঘা 

গেটের সামনে এসে দাঁড়ায় **


"" গাড়ি থেকে একজন  

সুদর্শন যুবক বেড়িয়ে আসে। পড়নে তার সাদা কোটের ভিতর কালো শার্ট, সাদা পেন্ট, আর কালো জুতা"""


""আগন্তক টি লাগেজ টা নিয়ে সবার সামনে এসে মেহেরাবকে সালাম দেয়"""


আগন্তুকঃ আসসালামু আলাইকুম। স্যার


মেহেরাবঃ ওয়ালাইকুম সালাম।।। আসতে কোনো সমস্যা 

হয় নি তো।


আগন্তুকঃ না কোনো সমস্যা হয় নি স্যার


মেহেরাবঃ চলো পরিচয় করিয়ে দেই।  এই হলো আমার মেয়ে 'রিমি' আর এটা তার বান্ধবী 'মেঘা'

-রিমি এ হলো "রাজ" অ্যাসিস্টেন্ট পুলিশ কমিশনার""


রাজঃ হ্যালো গার্লস 


রিমি ও মেঘাঃ হুম


মেহেরাবঃ রিমি রাজকে তর রুমটা দেখিয়ে দে।


রিমিঃ আচ্ছা বাবা। এই যে মি. আসেন।


**রাজ, রিমি আর মেঘার পিছনে যাচ্ছে*


" রিমি বিরক্তকর ভাবে রাজকে বলল"


রিমিঃ এই যে এটা আপনার রুম।


রাজঃ হু


" রাজ ফ্রেশ হয়ে বেলকনিতে চলে আসে আর দেখতে থাকে ব্যাস্ত শহরটাকে এবং ভাবতে থাকে"!!


** বাবা আপনাকে নিচে যেতে বলেছে**


হঠাৎ কারো গলার আওয়াজ শোনে রাজ পিছনে ফিরে তাকায় দেখে রিমি উক্ত কথা টা বলল।


রাজ নিচে এসে দেখে যে মেহেরাব কিছু কাজ পএ সামনে রেখে বসে আছে 


রাজঃ স্যার আমাকে কি ডাকছিলেন 


মেহেরাবঃ ও রাজ এসো বসো এখানে।

বলে রাজ কে একটা ছবি বের করে তার হাতে দেয়।


রাজঃ কার ছবি এগুলা স্যার


মেহেরাবঃ রাফিন ও রাফসান।।-অভিশাপ্ত দুনিয়ার 'রাফিয়ান' এরা দুই ভাই। আজ পর্যন্ত কেউ তাদের দেখে নাই।এমন কি তার কোনো লোকেরাও দেখে নাই।আমি ৫বছর ধরে তাদের পিছনে পরে আছি তাদের সম্পর্কে, আমার কিছু অজানা নয়।


রাজঃ অবাক হয়ে""যেমন""


মেহেরাবঃ রাফিন ও রাফসানের কিছু লোক আমি ধরতে সক্ষম হয়েছিলাম।


রাজঃ তারপর।


মেহেরাবঃ কিন্তু ওদের একটাই কথা তারা কখনো রাফিন ও রাফসানকে দেখে নাই। যখন তাদের সাথে দেখা করতো তখন মুখে মাক্স পরা থাকতো। আর সব সময় তাদের সাথে মোবাইল ফোন দিয়ে যোগাযোগ করতো।


রাজঃ রাফিন বা রাফসানের নাম্বার টা ট্রেকিং  করলে তো তাদের লোকেশন জানা যেতো।


মেহেরাবঃ করেছি কাজ হয় নি।।।


রাজঃ ওওও


মেহেরাবঃ ব্যাংক থেকে টাকা চুরির বিষয়টি আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে। 


রাজঃ কেমন ভাবনা স্যার।


মেহেরাবঃ ব্যাংকে অনেক কঠিন সিকরিটি ব্যবস্তা ছিল।। তাহলে যে হ্যাকটা করেছে সে কোনো সাধারণ হ্যাকার না।


রাজঃ স্যার আপনার কি মনে হয় কে করতে পারে কাজ টা।


মেহেরাবঃ আমি কিছু কিছু আর্টিকেল থেকে পেয়েছি,, যে, রাফিন ও রাফসান যে শহরে আসে প্রথমে তারা শহরের কোনো বড় ব্যাংক থেকে বড় এমাউন্ট চুরি করে। 


রাজঃ স্যার এখন কি আমরা রাফিন ও রাফসান কে হ্যাকার ভাববো??


মেহেরাবঃ হু ভাবা যাক।।। আর তোমাকে 

ফরহাদ স্যার এই কেসের জন্যই পাঠিয়ে ছেন।


-এ কাথা শুনে রাজ একটু মুচকি হাসে


মেহেরাবঃ স্যার বলল তুমি নাকি আসামিদের সাথে মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসো।


রাজঃ হুম স্যার। আমি  আসামিদের আমার স্টাইলে ধরিও না মারিও না।।  তাদের স্টাইলে তাদের সাথে মাইন্ড গেম খেলি।

-বলে রাজ রহস্যময় একটা হাসি দেয়।। যেই হাসিতে লুকিয়ে আছে অনেক রহস্য।


চলবে 


গল্প টা নতুন লিখছি তাই হয়তো বানান এ কিছু ভুল থাকতে পারে।


ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏🙏

রঙের ফেরিওয়ালা -- Raja Bhuiya.



রোমান্টিক সিরিজ  


রঙের ফেরিওয়ালা


লেখক: RAJA Bhuiyan


পর্ব:-২


........




মনের মধ্যে একটা ভালো লাগা কাজ করছে বন্ধুদের কথা গুলো আসলে সত্যি। শ্রাবণী আমার অজান্তে আমাকে নিয়ে তার রিদয়ে সুপ্ত অনুভূতি তৈরি করেছে

সে আমাকে ভালোবাসে। তার মনের গহীনে এখন আমি অবস্থান করছি। চিঠি টা পড়ে আমার মন টা খুশি জোয়ারে ভরে গেছে।




সময়টা ‘ ২০১৭ ’ এইচএসসি পরীক্ষা শেষ আজ দু বছর পর বাসায় যাব। দেখতে দেখতে দুটি বছর কিভাবে কেটে গেছে বুঝতে পারছি না। এই দু বছরের মধ্যে একবার ও বাসায় যাই নি,,ভালো করে পড়াশোনা করেছি। বাসে বসে বসে চিন্তা করছি,বাসায় তো প্রতিদিন কথা বলতাম কিন্তু শ্রাবণীর সাথে তো কখনো যোগাযোগ হয় নি আমার। সেই ছোট্ট শ্রাবণী কেমন হয়েছে দেখতে,, আমাকে দেখলে চিন্তে পারবে।এখন মনে হয় ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ে,,সে কি তার দেওয়া কথা ভুলে গেছে, আর ভুলবেই না কেনো তার 

সাথে তো আমি কোনো যোগাযোগ রাখি নি। বাস কন্টাকদারের কথায় আমার হুস ফিরলো,,মুচকি হেসে বাস থেকে নেমে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। ঋতু চক্রের প্রথম ঋতু গ্রীষ্মকাল। এ সময় বাংলাদেশের রূপ হয়ে ওঠে রুক্ষ ও শুষ্ক। প্রখর সূর্যতাপে পৃথিবীর বুক বির্দীন হয়ে যায়, চৌচির হয়ে যায় তার তৃষ্ণার্ত প্রান্তর। নদী-নালা, খাল-বিল শুকিয়ে যায়। পৃথিবীর প্রাণরস শোষিত হয়ে কম্পিত শিখায় উঠতে থাকে মহাশূন্যে। তবে গ্রাম এলাকায় অধিক পরিমাণে গাছ-পালা থাকার করণে গ্রাম এলাকাটা সজীব থাকে। রোদ্রের তাপ অধিক হলে গাছপালার হিমেল বাতাসে পরিবেশটা ঠান্ডা হয়ে যায়। হঠাৎ ধেয়ে আসা কালবৈশাখী প্রচন্ড ঝড়। কোথাও প্রাণের চিহ্নমাএ থাকে না,,থাকে না শ্যামলতার আভাস। তবে গ্রামের চেয়ে শহরের এই গ্রীষ্মের প্রভাবটা একটু বেশি। আধুনিকতার যাবতীয় সুযোগ সুবিধা রয়েছে শহরে। ঘর থেকে বের হলেই পিচ ঢালা পথ,,প্রচন্ড রোদের উওাপে রাস্তার পিচ গলতে থাকলেও যানবাহনের অভাব নেই। বড় বড় অফিসে রয়েছে এসির ব্যবস্থা। সেখানকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে বসে গ্রীষ্মের চরিত্র বুঝা যায় না। এগুলো ভাবতে ভাবতে গাড়ি থেকে নেমে দু বছর পর গ্রামের মাটি তে পারা দিলাম মনটা ভরে উঠলো। মনে চায় না গ্রাম থেকে শহরে আবার চলে যাই কিন্তু জীবন বড় হতে চাইলে 

তো যেতেই হবে। গ্রামের অনেক পরিচিত লোকদের ভালো মন্দ জিজ্ঞেস করলাম। অনেকে আবার চিন্তে পারছে না আমাকে। কিভাবে চিনবে এখন তো আগের থেকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের গঠন, মুখের দাঁড়ি, গোফ যার কারণে আগের চেহারাটার সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে না। জানা নেই বাসায় সবাই আমাকে চিনবে কি না। আগের থেকে গ্রামের পরিবেশ টা বেশ পরিবর্তন হয়েছে,

বন-জঙ্গল কেটে বসত

বাড়ি তৈরি হচ্ছে। অবশেষে নিজের গন্তব্যে পৌছালাম মা-বাবার সাথে দেখা হলো,, মা আমাকে দেখে জরিয়ে ধরে কান্না করে দিলো। হয়তো দুই বছরের দূরে থাকার কান্না। বাড়ির অনেকের সাথে কথা হলো। বিকালের দিকে পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য খেলার মাঠে চলে গেলাম। সবার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো, তবে একটা খবর শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেলো,, শ্রাবণী রা নাকি ২ মাস আগে ঢাকায় চলে গেছে। খবরটা শুনে খুবই খারাপ লাগছিলো কিন্তু কেউ তাদের ঠিকানা আমাকে বলতে পারছিল না,,তাদের জানা নেই শ্রাবণীদের ঠিকানা। গ্রামে বেশ কিছু দিন থেকে চলে আসলাম ব্যস্ত ঢাকা শহরে। অনার্সের জন্য অনেক গুলো ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। আলহামদুলিল্লাহ একটাতে চান্স পেয়ে গেলাম। কাল থেকে ভার্সিটি যাওয়া শুরু করবো,, মনের ভিতর আলাদা কিছু অনুভূতি  

ফিল করছি। কিন্তু আবার সামান্য ভয় করছে শুনছি ভার্সিটি

তে বড় ক্লাসের স্টুডেন্ট রা ছোট ক্লাসের স্টুডেন্টদের র্যাগ দেয়। 




“ আজ আমার ভার্সিটির প্রথম দিন তাই বেশ পরিপাটি হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি,সাদা কালারের একটা চেক লম্বা হাতার শার্ট হাতা গুলো  

ফল্ট করা, কালো জিন্স, এক জোরা কনবার্স, হাতে ঘড়ি, চোখে স্টুডেন্ট চশমা,চুল গুলো ঠিক করে বডি স্পেটা ব্যবহার করে বেড়িয়ে পরবো এমন সময় মেসের বড় ভাই 

‘ রাজিন ’ আমাকে থামিয়ে বলে-- কিরে ডেটে যাচ্ছিস নাকি কোথাও। 




আমি: আরে নাহ্ কি যে বলো না ভাই। ভার্সিটিতে যাচ্ছি তাই এমন ড্রেসআপ প্রথম দিন তো তাই,,আসি ভাই। একটা রিকশা নিয়ে চলে আসলাম ভার্সিটিতে,,ক্যাম্পাসটা 

খুবই সুন্দর আর বড়। গেট পেড়িয়ে ক্লাসের উদ্দেশ্য রওনা দিবো এমন সময় পিছে থেকে কেউ বলল-- এই সাদা শার্ট, এদিকে আয়। আমি সামনে পিছনে তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করছি কাকে ডাকে,,দূরে একজন ছেলেকে দেখা যাচ্ছে সাদা শার্ট পরে আছে। তাকে ডাকলে তো আরো জোরে ডাকতে হবে, আমার কি আমি ক্লাসে যাব, সামনে এগিয়ে যাব তখন শান্তা নামের একটা মেয়ে বলে-- এই এদিক ওদিক কি দেখিস তকেই ডাকছি। আমি এভার পিছনে ফিরে দেখলাম 

আমার দিকে ইশারা দিচ্ছে। আমি সেখানে যেয়ে বল্লাম-- জ্বি আপু আমাকে কেনো ডেকেছেন।




শান্তা: সেটা তকে বলতে হবে। তকে তো আগে কখনো ভার্সিটিতে দেখি নাই, নতুন নাকি।




আমিঃ জ্বি আপু আমি প্রথম বর্ষে নতুন ভর্তি হইছি।



শান্তা: ওও আচ্ছা আমরা সবাই তোর সিনিয়র আমাদের সবাই কে সবসময় সালাম দিবি,,ঠিক আছে।



• আচ্ছা বলে ক্লাসের দিকে রওনা দিলাম। ক্লাসের মাঝখানে একটা বেঞ্চে যেয়ে বসলাম কিছুক্ষণ পার স্যার এসে সবার সাথে পরিচয় হয়ে গেছেন। তিন জনের সাথে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। ক্লাস শেষে বাইরে এসে আড্ডা দিচ্ছিলাম চারজন মিলে তখনই ছেলে ভার্সিটির গেট দিয়ে একটা সুদর্শন যুবক প্রবেশ করে,,পরনে তার কালো কালারের শার্ট, কালো জিন্স, চোখে স্টাইলিস চশমা,গলায় মোটা চেন, চুল গুলো বড় বড়,, হাতে জ্বলন্ত সিগারেট টা টানতে টানতে ভিতরে প্রবেশ করল। আমরা সবাই ঐ দিকে চেয়ে আছি।

ছেলেটার নাম জয় এই ভার্সিটির ভিপি। সবাই তাকে কম বেশি ভয় করে। আমরা আমাদের মতো আড্ডা দিচ্ছি।



........


কিরে নীলা কি এত ভাবছিস তুই,,কখন থেকে ডাকছি শুনতে পারছিস তুই। বৃষ্টির কথায় ধ্যান ভাঙে নীলার সে এতক্ষণ রায়ান নামের ছেলেটির কথা ভাবতে ছিলো। নীলা জবাব দেয়-- আরে কিছু না এমনি ভাবছিলাম। নীলার এ কথা যেন কারো বিশ্বাস হচ্ছে না সন্দেহের সৃষ্টি তে নীলার দিকে চেয়ে আছে। বর্ষা বলেঃ তর চেহারা কিন্তু অন্য কিছু বলছে এখানে তো কোনো রহস্য আছে হুম। লাজুক হাসি মনে কোনো ছেলেকে নিয়ে ভাবা।তা ছেলেটা কে।



নীলাঃ কি যে বলিস আমি আবার কোন ছেলেকে নিয়ে ভাববো



শান্তাঃ আরে আমি বুঝতে পারছি নীলা কার প্রেমে পরেছে।

সবার নজর এখন শান্তার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে এবার শান্তা একটু ভাব নিয়ে বলে-- আরে সকালের ঐ প্রথম বর্ষের নতুন ছেলেটা সাদা শার্ট। এ কথা শুনে নীলার চোখ বড় বড় হয়ে গেছে,, শান্তা কিভাবে বুঝলো। 



বৃষ্টিঃ তবে যাই বলিস নীলার সাথে ছেলেটা বেশ মানাবে। এ নিয়ে তারা সবাই আড্ডা দিচ্ছিলো। 




............




• আজ আমাদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান,, কি পরে যাব তাই ভাবতে ছি। রাজিন ভাইয়ার কাছে জিজ্ঞেস করলাম অনুষ্ঠানে কি পরে যাব।




• রাজিন ভাইয়া বল্লেন- কি আর পরে যাবা পাঞ্জাবি পরে যাও।



• আমারো ইচ্ছে ছিল আজ পাঞ্জাবি পরে যাওয়ার। যেই ভাবা সেই কাজ,, একটা কালো পাঞ্জাবি, সাদা চুরিদার, চোখে স্টুডেন্ট চশমা,, চুল গুলো ঠিক করে বেড়িয়ে পরলাম ভার্সিটির উদ্দেশ্য। আজ ভার্সিটি টা অাগের চেয়ে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে ছে। মনে হচ্ছে আমি কোনো ফুলের পার্কে চলে এসেছি। পরিবেশ টা আমার কাছে খুবই মনোমুগ্ধকর হয়ে গেছে। কিছুক্ষন পর আমার সব বন্ধু রা চলে এসেছে।



• সাব্বির আমাকে দেখে বলে কি মামা তকে তু কি আর বলবো খুবই ভালো দেখাচ্ছে। সব মেয়েরা তো তকে দেখছে। আমরা যে এখানে আছি কারো চোখেই পরে না।




•আমি বল্লাম-- কি যে বলিস,, কই কেউ তো আমার দিকে চেয়ে আছে না। সব সময় শুধু মজা করিস।

হঠাৎ আমার চোখ জোরা গেটের দিকে আটকে যায়,, একটা মেয়েকে দেখে যার বর্ণনা আমি দিতে পারবো না।  তবে এখানে কোনো কবি থাকলে নিশ্চয়ই তাকে দেখে কবিতা লিখে ফেলতো। মেয়েটার পরনে কালো কালারের একটা শাড়ি,,হাতে কিছু নীল রঙের চুরি,,চুল গুলো মধ্যে রজনীগন্ধা গাঁথা,

ঠোঁটে লাল লিপস্টিক।  আমার বুকের বা পাশ 

 তো কেঁপে উঠল। কি এ অজানা অনুভূতির সৃষ্টি জানা নেই আমার। এক ধেনে চেয়ে আছি মেয়েটার দিকে সাথে তার কিছু বান্ধবী রয়েছে কিন্তু সবার চেয়ে তাকে সুন্দর লাগছে। কি মিষ্টি তার হাসি,, এ হাসি দেখে আমি তো পুরা শেষ। কিন্তু আমার বুকের বা পাশে এমন হলো কেনো এটা তো হতো,,

আমার আসে পাশে শ্রাবণী থাকলে তবে,,

না না এটা শ্রাবণী হতে যাবে কেনো কিন্তু শ্রাবণীর মতোই চেহারা কে হতে পারে এটা........... 




### চলবে###

 

( রোমান্টিক কারিগর) 



[  পর্ব গুলো দিতে দেরি হবে কারণ এই গল্পে অতটা সাপোর্ট পাই না,,সাপোর্ট পেলে প্রতিদিন ই দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ ]





wait and the next part

খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড - পর্ব: ১১ -Raja Bhuiyan

 




খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড 


লেখকঃ RAJA Bhuiyan. 


পর্বঃ >>[(  ১১  ) ]<<



..........



★ পুলিশ অফিসার টা সিগারেট টানছে আর দেখতে ছিলো সজিব কি করে রাফির সাথে

 কিন্তু সজিব যখন রাফির শার্টের দুই টা বুতাম খোলে তিন নাম্বারের টায় হাত দিবে তখনই কেউ সজিবের হাত টা ধরে টান দেয়। সবাই সে দিকে তাকায় দেখে পুলিশ অফিসার টা সজিবের হাত টা টান দিয়েছে। সজিব এটা দেখে তার হাত টা ছাড়িয়ে,,অফিসারের কলার টান দিয়ে ধরে সবাই অবাক হয়ে চেয়ে আছে সজিবের দিকে,,কি করে সে পুলিশ অফিসারের কলারে হাত দেয়। সজিব কিছু বলার আগেই অফিসার টা সজিব কে স জোরে একটা চড় মারে। চড় খেয়ে সজিব নিচে পরে যায়। অফিসার সাইফুলকে ডাক দিয়ে বলতে থাকে -- এই বেয়াদব ছেলেটা কে থানায় নিয়ে চলো। 

এটা শুনে সজিব বলতে থাকে -- কার এত বড় সাহস আমাকে লকাপে ঢুকাবে আমি মেয়রের ছেলে আমার বাবা জানতে পারলে তদের কাউকে ছাড়বে না। অফিসার আবারো সজিব কে টেনে তুলে চড় মারে। অনেকে এমন দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে রয়েছে কেনো একটা ক্ষেত ছেলের জন্য অফিসার টা এমন করলো। রাফি তার শার্টের বুতাম গুলো লাগিয়ে,, চোখের চশমাটা ঠিক করে অফিসারের দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দেয়। নুসরাত ভাবতেও পারছে না রাফির সাথে এমন হওয়াতে পুলিশ তাকে নিয়ে চলে যাবে। আর এটাও দেখছে যে রাফি অফিসার টার দিকে চেয়ে মুচকি হাসি দিয়েছে। নুসরাত ভাবছে কে এই রাফি,, আবার সময়তে সময়তে মুচতি হাসে। পুলিশ গুলো সজিব কে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায় *




• রাজ তুমি কাকে ধরে এনেছো তা কি তুমি জানো। এই ছেলেটার কি ক্ষমতা তা কি তুমি জানো। 



• রাজ মুচকি হেসে জবাব দেয় -- সে কে বা তার কি ক্ষমতা তা আমার জানার প্রয়োজন নেই। আমি কে সেটা ওর বুঝা উচিৎ ছিল। 



• মেহেরাব রাগান্বিত হয়ে বলে-- দেখো ছেলেটা আমাদের সাইটের কর্পোরেশন

এর মেয়র শহীদ হোসেনের ছেলে। তাকে ধরে আনার জন্য তুমাকে অনেক ঝামেলা ফেঁস করতে হবে,, এর চেয়ে ভালো ছেলেটাকে ছেড়ে দেই




• রাজ একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলে-- সব ঝামেলা সামলাতে আমি প্রস্তুত । মেয়র নিজে এসে যতক্ষণ না পর্যন্ত ছাড়িয়ে নিবে ততক্ষণ তাকে আমি আটকি য়ে রাখবো,, বলে রাজ চেয়ার থেকে উঠে সজিবের কাছে যায়।



• সজিব রাজকে দেখে   বলতে থাকে -- আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর,,বাবার কানে এতক্ষণে খবরটা চলে গেছে তর চাকরি টা থাকবে কি না সন্দেহ। তবে তর চাকরির কোনো ক্ষতি হবে না,,কারণ তকে মেরে পেপারের হেড লাইনে আমার নাম উঠবে। মেয়রের ছেলে সজিব হোসেন রাজ নামের পুলিশ অফিসার কে মেরে ফেলসে। কেমন হবে বলতো।




• রাজা কান্না কান্না ভাব নিয়ে বলে-- ভাই আমাকে কিছু করবেন   

 না,, আমার ভুল হয়ে গেছে আমি আপনাকে চিনতে পারি নাই,,আপনাকে এখন ই ছেড়ে দিবো। রাজ এবার উচ্চ সরে হাসতে হাসতে বলে,, তুই কি ভাবছিস আমি তর কাছে এগুলো বলে মিনতি করবো 

‘হিহিহি ’ তর ধারণা পুরোপুরি ভুল। কি বলছিলি যেন আমার চাকরি থাকবে কি না। হাহাহাাহা আমার চাকরি নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যাথা নেই। তুই তর চিন্তা কর। আরো বলছিলি আমাকে মেরে পেপারের হেড লাইনের সুপার স্টার হয়ে যাবি। তর বাবাকে আসতে দে তর বাবার সামনে তকে পিটাবো। 




“ আপাকে আর কষ্ট করে পিটাতে হবে না, এই যে জামিনের কাগজ সজিব হোসেন কে ছেড়ে দিন”


• রাজ সজিব কে এগুলো বলছিলো তখন ই পিছন থেকে কেউ কথাটা বলে উঠে। রাজ চমকে যেয়ে পিছে তাকায় দেখে। একটা মধ্যে বয়সী উকিল কথাটা বলছে। রাজ ওনার হাত থেকে কাগজ টা নিয়ে পড়ে সজিবের দিকে তাকিয়ে দেখে সজিব হাসতেছে,,

রাজও মুচকি হেসে একটানে কাগজটা ছিড়ে ফেলে। সেটা দেখে সজিব ও উকিলটা অবাক। 



• উকিল জিজ্ঞেস করে -- এটা আপনি কি করেছেন,,এটা ছিড়েছেন কেনো।




• রাজ মুচকি হেসে জবাব দেয় -- ওর বাবা মেয়র শহীদ কে নিয়ে আসেন তাহলে ছাড়বো,, এই সব কাগজে হবে না,,আপনি যেতে পারেন এখন। উকিল বাইরে চলে যায়।




• সজিব শুধু চিন্তা করছে এর কি চাকরির যাওয়ার কোনো ভয় নেই৷ এই তুই কাগজ টা ছিড়ে ফেল্লি কেনো,, তর তো সাহস কম না তুই আমার বাবা কে থানায় আসার জন্য বলিস। 



• ঐ দেখ তর বাবা থানায় চলে এসেছে এখন তর বাবার সামনে তকে পিটাবো, তাহলে আমার সাহস দেখতে পারবি,,বলে নিচে থেকে লাঠিটা উঠিয়ে সজিব কে মারতে যায় কিন্তু সজিব বাঁধা দেয়। 




• সজিব বলে দেখ আমার শরীরে যদি একটা আচঁর লাগে,, আমি তকে যে কি করবো তুই ভাবতেও পারবি না। রাজ হাসতে থাকে এই কথা শুনে।



• কোন অফিসারের এত বড় সাহস যে আমার ছেলেকে এখনে আটকে রাখছে  

 আবার মারার হুমকিও দিয়েছে কই সে অফিসার। শহীদ হোসেন জোরে জোরে কথাগুলো বলছে। 




• রাজ বলে -- মেয়র হয়েছেন বলে থানায় এসে উশৃংখল করতে পারবেন না। থানায় আপনার মেয়র গিরি করতে পারবেন না। থানার বাহিরে যা ইচ্ছে করবেন। মনে হয় কথাটা বুঝতে পারছেন। আর আপনার ছেলে পুলিশের কলার ধরে টান দিয়েছে আবার পুলিশ কে হুমকিও দিয়েছে। মেয়রের ছেলে বলে আমি ছেড়ে দিবো না কিন্তু,, আর যাতে এমন দূর সাহস না দেখাতে পারে তাই আপনার সামনে ওকে,, বলেই রাজ তার লাঠি দিয়ে জোরে জোরে ৫ টা বারি দেয়।



• অফিসার কাজটা ভালো করলেন না, হয়তো আপনার সাথে আমার ২য় বার দেখা হবে,, কিন্তু তা কোথায় দেখা হবে তা সময় ই বলে দিবে। বলে শহীদ তার ছেলেকে নিয়ে থানা থেকে চলে যায়। সব টাই মেহেরাব নিজ 

 চোখে দেখছে কিন্তু কিছু বলতে পারেন নি।




.........



“ আজ আকাশ টা মেঘলায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে,, মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে আকাশে কোনো তাঁরা নেই মনে হচ্ছে মেঘের কালো আবরনে ডেকে গেছে পুরো আকাশ 

টা। চারিদিকে হাওয়া বইছে,, মনে হচ্ছে কিছুক্ষন পর ই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। রাফি দাড়িয়ে পরিবেশ টা উপভোগ করছে আর অন্য পাশে নুসরাত দোলনায় বসে বসে মোবাইল চালাচ্ছে। বাতাসে তার চুল গুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে বার বার সে বিরক্ত হয়ে বার বারই ঠিক করে নিচ্ছে। মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর কিন্তু তার মন টা খুবই খারাপ,,গরীব দের পছন্দ করে না। গরীব দের সাথে মিশতে সংকোচ বোধ করে। রাফি এগুলো দেখছিলো আর ভাবছিলো কিন্তু সে এই মায়ায় পরতে চায় না। সে মনে করে এই একাকিত্ব থাকাটাই সর্বোত্তম কারণ সবাই বিশ্বাসঘাতকতা করলেও একাকিত্ব কখনো কারো সাথে বেইমানি করে না। 

তাই রাফি সব সময় একা একা থাকতে পছন্দ করে ”




রাফি ছেলেটা গরীব হলেও মনটা তার ভালো। কেননা সে সব সময় সবার সাথে বিনয়ী আচরণ করে। ওর সাথে আমি বা আমারা কত মজা করি কিন্তু সে কোনো প্রতিবাদ করে না,সব মাথা পেতে নেয়। আজকের ঘটনা না মনে হচ্ছে অবিশ্বাস্য কর। রাফির সাথে সজিব এমন করাতে পুলিশ অফিসার টা রেগে সজিবকে নিয়ে চলে যায়। সামান্য বেপার টা নিয়ে এত কিছু হয়ে যাবে নুসরাত ভাবতে পারছে না। রাফির সাথে কি পুলিশ অফিসার টার কোনো সম্পর্ক আছে। নুসরাত আর কিছু ভাবতে পারছে না। হালকা হালকা করে বৃষ্টির ফোটা পরছে তাই নুসরাত ছাঁদ থেকে নেমে যায়।




• রাফি আজ ভিজবে অনেক ভিজবে সে, আজকের ঘটনা টা নিয়ে বেশ চিন্তিত সে যদি ঠিক সময় করে পুলিশ অফিসার টা না আসতো তাহলে কি হতো ভাবতে পারছে না রাফি। রাফি বৃষ্টির দিন ই এই শহরে আসে আর পরের দিন থেকেই তার জীবন ট বদলে যায়। ভাবতেই তার ঠোঁটের কোনে নিশ্বব্দের হাসি ফোটে উঠে।



........



 সজিব বাসায় গিয়ে সব জিনিস পএ ভেঙে ফেলছে,,কেউ তাকে থামাতে পারছেনা। শহীদ হোসেন ব্যর্থ হয়ে সোফায় বসে পরে। তিনি একটা কথা শুধু চিন্তা করছে এমন একটা ছোট পুলিশ অফিসার তার ক্ষমতার কথা জেনেও ভয় না পেয়ে কথা বলেছে। তবে শহীদ রাজের চোখে অন্ন কি দেখেছে কি সেটা তা বুঝতে পারছে না। সজিবের একটাই কথা ঐ পুলিশ অফিসার কে সে মেরে ফেলবে। আর যার কারণে সজিবের এত অপমান হতে হয়েছে রাফি,,তাকে সে প্রথম মারবে তাই সজিব তার বড় ভাই কে ফোন দেয় সে বড় রাজনৈতিক নেতা। 




• সজিব ফোন দেওয়ার কিছুক্ষন পর  

 তার বড় ভাই এর ফোন আসে সজিব বলতে থাকে -- আশফি ভাই একটা সমস্যা হইছে। 



• ঐই পাশ থেকে আশফি বলে-- কিরে তর আবার কি সমস্যা। আচ্ছা বল কি 

 সমস্যা। 



• ভাই সমস্যা টা অনেক বড় এক জন কে তুলে আনতে হবে। 



• কাকে তুলে আনতে হবে, সেটা বল আর তুই তো জানিস আমার কাছে এই ধরনের সমস্যা কোনো সমস্যাই না।



• ভাই তুমি তুমার লোকজন দিয়ে তুলে আনবা আর তোমাকে আমি ছবি সহ সব কিছু পাঠাচ্ছি। যত টাকা লাগে আমি দিবো চিন্তা করো না।



• টাকার চিন্তা আমি করি না। আমি চিন্তা করছি যে তুই আবার কাকে তুলে আনবি।



• সেটা ছবি পাঠাইলে দেখে নিও। কাজটা কিন্তু আমার হওয়া চাই।



• সব ঠিক হয়ে যাবে। তুই আর টেনশন করিস না,,দ্বায়িত্ব টা এখন আমার সো আমার ই চিন্তা থাকবে।




• আচ্ছা বলে সজিব ফোন কেটে দেয়। 




  শহীদ সাহেব চিন্তা মুক্ত হতে একজন কে ফোন লাগায়,, ফোনের ঐই পাশের আগন্তুক টা ফোন উঠিয়ে হাসতে থাকে। শহীদ সাহেব শুধু হাসির ই শব্দ পাচ্ছে এবার তিনি বলতে শুরু করেন...........




## চলবে ##




[ অনেকের রিকোয়েস্ট এ আজকের পর্ব টা দিয়েছি। সবারই ভালো মন্তব্য আশা করছি ]





wait for the next part

KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪

 # গল্প :- KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪ ............. আকাশে তাজা সূর্যের তীব্র আলো। শকুন আর গাংচিলদ...