Wednesday, September 22, 2021

টোকাই যখন মাফিয়া কিং:- সিজন :- ২ -- পাঠ :- ২ -- RAJA Bhuiya. (মি.440)



মাফিয়া সিরিজ ২


# টোকাই যখন মাফিয়া কিং 

# RAJA Bhuiyan (মি.440)

#সিজন:- ২

#পর্ব:- ২


.................


  লোকটাকে দেখে  আবিরের ভয় পাওয়ার অবশ্য একটা কারণ আছে। সেটা হলো -- রুমের দরজার ঠেলে একজন ডাক্তার প্রবেশ করে পরনে তার সাদা কালারের অ্যাপ্রোন মুখে মাক্স,, একটা ইনজেকশন হাতে নিয়ে আবিরের সামনে দাঁড়ায়। আবির ছোট থেকেই ইনজেকশন কে অনেক ভয় পায়৷ বলতে গেলে কখনো বড় ধরনের অসুখ হলেও শরীরে ইনজেকশন পুশ করে না। কিন্তু আজকে সামান্য মাথা ব্যাথার জন্য ইনজেকশন নিবে এটা কি করে সম্ভব।  


 ডাক্তার সাহেব আবিরের  শরীর থেকে স্যালাইনের সুচ টা খুলে ফেলে। তুলার মধ্যে স্যানিটাইজা নিয়ে আবিরের হাতে লাগায়। ইনজেকশন টা ঠিক করে ডাক্তার সাহেব আবিরের হাতে পুশ করতে যাবে তখনই আবির নিজের হাত টা সরিয়ে নেয়। আবির এতক্ষণ বেডের উপর  শুয়ে ছিলো। এখন সে  উঠে বসে,, বেডের সাথে  হেলান দিয়ে বসে। আবিরের এমন কান্ডে  ডাক্তার সাহেব অবাক হয়ে যায়। আবির কে দেখে মনে হয় না সে একজন মানসিক রোগি। কোনো মানসিক রোগি ছাড়া সুস্থ ব্যক্তি  এমন কিছু করতে পারে না। ডাক্তারি জীবনে এই প্রথম একজনকে পেয়েছেন তিনি,, যে কি না মারাত্মক অবস্থায় থেকেও ইনজেকশন নিতে ভয় পাচ্ছে। 


ডাক্তার সাহেব আবির কে প্রশ্ন করে :-



• মি.আবির কি হয়েছে আপনার আপনি এমন করে হাত সরিয়ে নিলেন কেনো??  আমাকে ইনজেকশন পুশ করতে দিন। (ডাক্তার) 



 ডাক্তারের কথা শুনে আবির ভয় পাওয়া কন্ঠে জবাব দেয় ;-



• আসলে আমি কখনো ইনজেকশন নেই না। ছোট থেকেই এটা আমার বড় সমস্যা। ইনজেকশন দেখলেই আমার বুক কাঁপাকাপি করে। (আবির)




• এটা আবার কেমন কথা! আপনি এত বড় একটা ছেলে হয়ে সামান্য ছোট ইনজেকশনকে ভয় পাচ্ছেন কেনো। আর এমনিতেই আপনার মাথা ব্যাথা কমানোর জন্য এই ইনজেকশনের প্রয়োজন। (ডাক্তার) 




• আমার মাথা ব্যাথা আগের থেকে অনেক টা কমে গেছে । (আবির)



• দেখেন আমি একজন ডাক্তার! আপনার চেয়ে আমি রোগীর রোগ সম্পর্কে ভালো জানি। (ডাক্তার) 



•  আমি কখন এখন থেকে যেতে পারবো সেটা বলেন। (আবির)



• আপনি এত অস্থির হচ্ছেন কেনো। আপনার এখন বিশ্রামের প্রয়োজন। আর কিছুক্ষণ পর মেহেরাজ সাহেব আপনার সাথে দেখে করে আপনাকে নিয়ে চলে যাবে। (ডাক্তার) 



• কেন কেন?  আমি ঐ পুলিশ অফিসারের সাথে কেনো যাবো। আমি আমার বাসায় একা একাই যেতে পারবো। (আবির)



• আমি এতকিছু জানি না। তবে আমার মনে হয় মেহেরাজ স্যার আপনাকে কোনো কিছুর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা বাদ করবেন। (ডাক্তার) 



 আবির বুঝে গেছে পুলিশ অফিসার কি জিজ্ঞেস করবে। আবির নিজেকে প্রস্তুুত করে নেয়। ডাক্তার সাহেব বেরিয়ে যায় কেবিন থেকে। আবিরের দৃষ্টি এখন সেই দিকেই। 


……………………………



 প্রায় বিকেল হয়ে এসেছে সন্ধ্যার দিকে আবিরকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হবে। মেহেরাজ নিজের কেবিনে বসে আছে সামনে একটা লাঠি হাতে নিয়ে  দাঁড়িয়ে আছে শেখর। মেহেরাজ চেয়ারের হেলান দিয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে আছে। তার মাথায় একটা জিনিস কিছুতেই আসতেছে না। আবিরের মতো এমন  একটা ছেলে। নাহ্ আর কিছু ভাবতে পারছে না মেহেরাজ। 



শেখর মেহেরাজের এমন চিন্তা মগ্ন চেহারা দেখে বলতে থাকে :-



• স্যার আপনি কি এমন ভাবছেন। আর আমি কতক্ষণ এইভাবে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকবো। অনেক তো হলো আপনি তো কিছু বলছেন না। [শেখর)




 মেহেরাজ শেখর কে প্রায় পনেরো থেকে বিশ মিনিট আগে নিজের কেবিনে ডেকে পাঠায়। শেখর তাড়াতাড়ি করে চলে আসে। কিন্তু এসে দেখে মেহেরাজ মাথা উপরের দিকে করে তাকিয়ে আছে। অনেকক্ষন পর শেখর মুখ খুলেছে। শেখরের কথায় মেহেরাজ উপর থেকে দৃষ্টি টা সরিয়ে নেয়, আর শেখরের উপর দৃষ্টি ফেলে মধ্যে বয়সী এই লোক টা যদি পুলিশের কনস্টেবল না হয়ে বড় কোনো অফিসার হতো তাহলে বেশ মানাতো তাকে। শেখরের অনেক সাহস,, যেমন কিছু দিন আগে এলাকার একটা মাস্তান কে সে নিজ হাতে ধরে থানায় ভিড় করিয়েছে। যেখানে মাস্তান টা কে ধরতে কেউ সাহস করে না সেখানে শেখর একাই কাজ টা করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শেখর এই কাজ টা করার জন্য কোনো প্রমোশন পায় নি। মেহেরাজ সব সময় শেখর কে নিজের কাছাকাছি রাখে। 



এবার মেহেরাজ শেখরের কথার জবাব দেয় :-



• শেখর হাতে এখন দুইটা কেস চিন্তা আমার আকাশ ছুই ছুই অবস্থা। কোনটা আগে ধরবো সেটাই বুঝতে পারছি না। (মেহেরাজ) 




• স্যার আবির নামের ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করলেই মনে হয় একটা কেসের সমস্যার সমাধান হবে। (শেখর)




• শেখর আমার কি মনে হয় জানো। আবির ছেলেটার সাথে অন্য জগতের কারো সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। (মেহেরাজ) 




• আমারও তাই মনে হয় ছেলেটা খুবই বোকা সোকা। সে হাসপাতালে আমাদের দেখে বাচ্চাদের মতো ভয় পাচ্ছিলো। (শেখর)




• আমি আবির কে ভয় পেতে দেখি নি। আবিরের চোখে আমি ভয় দেখি নি,, অন্য কিছু দেখেছি। কিন্তু কি দেখেছি সেটার রহস্য টা এখনো দূর হয় হচ্ছে না। (মেহেরাজ) 




• আমি স্যার এতকিছু লক্ষ্য করি নি। তবে আবির ছেলেটা অনেক রহস্যময়ী মনে হচ্ছে। (শেখর) 



• ডাক্তার যে বল্লো সন্ধ্যায় আবিরকে রিলিজ দিয়ে দিবে,, এর আগেই কিন্তু আমাদের কে হাসপাতালে থাকতে হবে। (মেহেরাজ) 



• স্যার তাহলে কি গাড়ি বের করবো। (শেখর)




• বের করো যেয়ে,, সন্ধ্যার আগে যেয়ে আবিরের সাথে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে হবে। (মেহেরাজ) 



 শেখর বেরিয়ে যায় মেহেরাজের কেবিন থেকে। আবির ছেলেটার চেহারা কি যেন একটা বলে। এমন বোকাসোকা চেহারা ওয়ালা মানুষ কে ই ব্যবহার করেছে মাফিয়া কিং রকি। কিন্তু মেহেরাজ একটা হিসাব এখনো মিলাতে পারছে না রকি কেনো আবির কে বেছে নিয়েছে । রকি চাইলেই কলেজের অন্য কাউকে নিজের বন্ধু বানাতে পারতো কিন্তু সে এটা না করে আবিরের মতো গরীব একটা ছেলেকেই কেনো বেছে নিয়েছে। রকির মতো এমন একটা ভয়ানক মাফিয়া, ছদ্মবেশ নিয়ে ঢাকা কলেজে এসেছে আর এসেই আবিরের সাথে বন্ধুত্ব করে নেয়। কিন্তু হঠাৎ ই আবার রকি হারিয়ে যায় শহর থেকে কোনো দূর অজানায়। এখন কোথায় আছে এই রকি। মেহেরাজ যদি কোনো ভাবে রকি কে ধরতে পারে তাহলে অনেক বড় প্রমোশন পাবে সে। রকির খোজ এখন একমাত্র আবিরই দিতে পারবে। 



……………….…….…..…



 এইমাত্র খাবার খেয়ে উঠেছে আবির, হাসপাতালের খাবার যেমন হয় আরকি,, এক প্লেট মোটা চাউলের ভাত,, বেশি পানি দিয়ে ডাল। আবির একদিনের বেশি সময় ধরে কিছু খায় নি,, আজকে  সকালে জ্ঞান ফিরার পরে ফলমূল ছাড়া অন্য কিছু খায় নি। বিকেলের দিকে ঘুম থেকে উঠে এখন মাত্র খেয়েছে আবির। শরীর টা এখন মোটামুটি ভালো। আবির যখন জানতে পেরেছে সন্ধ্যায় তাকে রিলিজ দেওয়া হবে তখনই মনের ভিতর অন্য রকম একটা অনুভূতি কাজ করছে.। কিন্তু পরে আবার মন খারাপ হয়ে গেলো এটা জেনে যে সকালের সেই পুলিশ অফিসার মেহেরাজ সাহেব আবির কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা বাদ করবে। কি এমন প্রশ্ন করতে পারে মেহেরাজ যার কারণে আবিরের প্রতি এত যত্ন ওনার। জানা নেই আবিরের। 



 কেবিনের দরজাটা খোলার আওয়াজ পেয়ে আবির সেদিকে তাকায়। হু পুলিশ অফিসার  মেহেরাজ সাহেব  আর কনস্টেবল শেখর ভিতরে প্রবেশ করছে। আবির নিজের চশমা টা ঠিক করে নেয়। মুখটাকে একদম সহজ সরল স্বভাবের করে রাখে। যে কেউ আবির কে এমন দেখলে ইনোসেন্ট বয় হিসেবে আখ্যায়িত করবে। অথচ এই ছেলেটার কোনো এক সময়ের বন্ধু ছিলো বাংলাদেশের টপ মাফিয়া কিং এর। কেউ দেখলে আবির কে বলবে না সে এত বড় একটা ভয়ানক মাফিয়ার অতি কাছের বন্ধু। 


 আবির যেই  কেবিনে ভর্তি  সেখানে একটা স্ট্রিলের চেয়ার আছে । মেহেরাজ সেই চেয়ার টা টেনে বসে। পাশে দাঁড়িয়ে আছে শেখর,, পুলিশের চাকরি টাই এমন বড় অফিসার চেয়ারে বসবে আর কনস্টেবল গুলো অফিসারের পাশে মূর্তির মতো করে দাঁড়িয়ে থাকবে। মেহেরাজ কে দেখে এখন আর তেমন ভয় লাগছে না আবিরের। অন্য সব পুলিশ অফিসারের মতো ব্যবহার করছে না । আবির অসুস্থ দেখে এমন ব্যবহার নাকি মন থেকেই এমন ব্যবহার করছে। 



 তিন জনের মধ্যে প্রথমে মেহেরাজ নিজের মুখ খুলে বলে :-



• এখন কেমন বোধ করছো আবির। (মেহেরাজ)



• এখন আমি আগের থেকে  অনেক টা সুস্থ  বোধ করছি। (আবির)



• শুনে খুব ভালো লাগলো। এখন আমি যে তুমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা জিজ্ঞেস করবো সেই সমন্বয়ে ডাক্তার বা নার্স কিছু বলেছে তুমাকে। (মেহেরাজ)




 আবির মনে করার চেষ্টা করে দুপুরের দিকে একটা নার্স আসে। আর  এসেই বলে যায় আবিরকে সন্ধ্যার দিকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হবে তাকে। তার সাথে বিকেলের দিকে পুলিশ অফিসার মেহেরাজ সাহেব কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা জিজ্ঞেস করতে পারে। এইটুকুই বলেছিলো নার্স টা। আবির সেই কথা চিন্তা করে সামনে বসে থাকা মেহেরাজ কে বলে:-



• স্যার দুপুরের দিকে একটা নার্স এসে তাহলে আপনার কথাই বলে গেছে আমাকে। (আবির)



• হতে পারে। আমি হাসপাতালে ফোন দিয়ে বলে দিয়েছিলাম সন্ধ্যার কিছুক্ষন আগে তোমার সাথে খুবই গুরুত্বপূর্ণ  কথা বলবো। (মেহেরাজ)




• স্যার আমি আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিবো,, তার আগে আপনি আমাকে এটা বলেন যে আপনি আমার নাম টা জানলেন কোথা থেকে। আমি তো আপনাকে আমার নিজের পরিচয় দেই নি। (আবির)




• আমি একজন  পুলিশ অফিসার,, তোমাকে আমি প্রশ্ন করতে পারি কিন্তু তুমি  আমাকে উল্টো প্রশ্ন করতে পারো না। (মেহেরাজ)




• সেটা আমি জানি স্যার। তবে আপনি যদি আমাকে প্রশ্নের জবাব টা দিতেন তাহলে আমার মনে এত জানার আগ্রহ থাকতো না। (আবির)




• তুমার সম্পর্কে বসতির লোকজনের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। এখন এই সকল টপিক বাদ দেও। আমার হাতে বেশি সময় নেই। আমি এখন যেই প্রশ্ন গুলো করবো সব গুলোর সঠিক উওর দিবে। (মেহেরাজ) 




মেহেরাজ যেই ভাবে কথা বলছে,, এখন তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে একজন কড়া পুলিশ অফিসার। আবির মাথা ঝাকিয়ে হ্যাঁ সূচক ইঙ্গিত করে। মেহেরাজ এটা দেখে আবির কে প্রশ্ন করতে শুরু করে :-



• আবির কালকে সারা দিন কোথায় ছিলে তুমি। আর আজকে সকালে আমরা তুমাকে এই অবস্থায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। (মেহেরাজ)



 আবির মনে মনে এটাই ভাবছিলো,, পুলিশ অফিসার মেহেরাজ সাহেব প্রথমে এই প্রশ্ন টাই করবে। তাই আবির নিজের মাথায় এই প্রশ্নের উত্তর টা গুছিয়ে রেখেছিলো। যদি এই প্রশ্ন ছাড়া অন্য কোনো প্রশ্ন করতো তাহলেও আবির সঠিক উওর দেওয়ার চেষ্টা করতো। মেহেরাজের প্রশ্নের জবাবে আবির তার  সাথে যা ঘটেছে  সবকিছুই স্পষ্ট করে বলে দেয় মেহেরাজ কে। আবিরের এমন উত্তর শুনার পর মেহেরাজ অনেকটা অবাক হয়ে যায়। কারণ আজকে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যেই লাশ টা পাওয়া গেছে সেই লাশ টার সাথে আবিরের বর্ননার কাললে রাতে আবিরের উপর হামলা কারি লোকের সাথে মিল রয়েছে। তাহলে এখন একমাত্র খুনি হচ্ছে সেই রাতের আগন্তুক যে আবিরে কে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছিলো। আবির বলছে সে আগন্তুক কে চিনে না আবার আগন্তুক নাকি মাক্স পরিধান করে এসেছিলো যার কারণে ভালো করে মুখ দেখতে পারে নি আবির। 


মেহেরাজের এখন প্রচুর পরিমানে রাগ লাগছে দুই টা  কেসের সমাধান হবে তখন যখন সেই আগন্তুক ধরা পরবে। কিন্তু আগন্তুকের চেহারা কেমন সেটাই জানে না আবির। এবার মেহেরাজ আবির কে জিজ্ঞেস করে ;-



• আচ্ছা আবির আমি শুনেছি তুমি নাকি বাংলাদেশের টপ  মাফিয়া কিং রকির বন্ধু ছিলে। (মেহেরাজ)



• ছিলাম হয়তো এক সময় কিন্তু এখন না। (আবির)



• এখন রকির সাথে  বন্ধুত্ব আছে কি নাই, সেটা জেনে আমার কোনো প্রয়োজন নেই। তুমি এটা  বলো যে রকি এখন কোথায়। (মেহেরাজ) 




• স্যার সবাই এট নিয়ে কি শুরু করেছেন আমি তা বুঝতে পারছি না। রকি কোথায় সেটা আমি কিভাবে বলবো। হঠাৎ সেইদিন নাহিদের সাথে ঝগড়া হওয়ার পর রকি যে কোথায় হাড়িয়ে গেছে আমি এটা জানি না। (আবির)



• দেখো আবির আমাদেরকে সত্যি টা বলে দেও। রকি একটা মাস্তান,, দেশ কে ধ্বংস করে ফেলবে সে। আমরা যদি তাকে ধরতে পারি তাহলে দেশ থেকে একটা আতংক কমে যাবে। (মেহেরাজ)




• আমি যতদূর পর্যন্ত জানি রকি ভয়ংকর মাস্তান হলেও সত্যির পথে সে চলে। খারাপ মানুষ গুলো কে সে বেছে বেছে মারে আর এতেই দেশ থেকে খারাপ মানুষ ধ্বংস হয়ে যায়। (আবির)




• খারাপ মানুষ কে শাস্তি দেওয়ার জন্য আইন আছে। সে কেন এগুলো করে মানুষের মন থেকে সুখ কেরে নিচ্ছে। আমরা সবাই একত্রিত হয়ে বিচার করতাম। (মেহেরাজ)




• স্যার আপনি আমার কথা হয়তো বিশ্বাস করতে পারছেন না। আসলে রকি আমার বন্ধু ছিলো ঠিকই  কিন্তু সে আমাকে শেষ কথা এটাই বলে গেছিলো সে আবার আসবে তবে  কোথায় সে। (আবির)




• আমি বুঝতে পারছি বিষয় টা। এখন তোমার সাথে রকির কোনো যোগাযোগ নেই। তাহলে কে নিয়ে যেতে পারবে আমাকে রকির কাছে।  (মেহেরাজ)




• আমি শুনেছি স্যার রকির একটা ভাই  আছে কিন্তু কি যে তার নাম সেটাই মনে পরছে না। আর সে থাকে কোথায় এটাও জানি না। (আবির)



• সবাই নিজেকে গোপন রাখার চেষ্টা করছে। আমি রকি কে নিজ হাতে আমার থানার ১৪ সিকের ভিতর এনে  ভরবো। (মেহেরাজ) 




মেহেরাজের কথা শুনে আবির মুচকি হাসে। একটা সাধারণ পুলিশ অফিসার রকির মতো মাফিয়া কিং কে ধরে জেলে ঢুকাবে ভাবতেই অবাক লাগছে। এখন এটাই বিশ্বাস করতে হবে  আবির কে কারণ সামনে বসে আছে একটা পুলিশ তার সামনে যদি মাস্তানির পক্ষ নিয়ে কথা বলে তাহলে যা ঘটার তা তো ঘটেই যাবে। মেহেরাজ সাহেব আর কথা বাড়াতে চান না। এখানেই প্রশ্নবাদ শেষ করতে চান তিনি। আবিরের কেবিন থেকে চলে যায় মেহেরাজ সাহেব। 


-- তারপরই --


[ আপনারা গল্প পড়ে যদি লাইক কমেন্ট না করেন, তাহলে লিখার মন উঠে যায়। এই পাঠে আপনাদের সাপোর্ট পেলে পরবর্তী পাঠ তাড়াতাড়ি দিব। ]


wait for the next part. 


No comments:

Post a Comment

ok

KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪

 # গল্প :- KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪ ............. আকাশে তাজা সূর্যের তীব্র আলো। শকুন আর গাংচিলদ...