Friday, July 16, 2021

খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড--পর্ব:-২৫ --RAJA Bhuiya. (মি.440)

 রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ 



# খুনী দ্যা মাস্টার মাইন্ড 

# RAJA Bhuiyan.(মি.440)

# পর্বঃ ২৫


............


আনাফ সবার দিকে তাকায় দেখে সবাই তার দিকে আগ্রহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আনাফ মুচকি হেসে পকেট থেকে আরেকটা সিগারেট বের করে টানতে থাকে, সেখানে এক প্রকার নিরবতা বিরাজ করছে, নিরবতা ভেঙে আনাফ সাহেব বলে --  যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান বেশী, সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয়। কারণ, যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ তত কম। আমি মাফিয়ার সেই সিংহাসনে বসার জন্য কত কষ্ট করেছি বছরের পর বছর, মাইন্ড গেম খেলেছি কিন্তু হঠাৎ ই দুইটা ছেলে এসে আমার সব প্লেন শেষ করে দিয়েছে। আমার কাজের পরিমাণ অনেক ছিলো কিন্তু সব শেষ হয়ে যাওয়ার পরও আমি হাল ছাড়ি নি শুরু করলাম নতুন মাইন্ড গেম খেলা যেই খেলা শুরুও করবো আমি শেষও করবো আমি। আজ সেই খেলার সমাপ্তি ঘটবে। কি রে রাফি না মানে রাফিন অবাক হয়েছিস আমার কথা আর আগমনে। (আনাফ)


• এই রাফিন কখনো অবাক হয় না কারণ রাফিন সব জায়গায় সঠিক মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসে। আমি সত্যি জানতাম না যে তর ভালো চেহারার ভিতর লুকিয়ে আছে এমন এক হিংস্র রূপ। কিন্তু আমি এখনো একটা বিষয় বুঝতে পারছি না যে তুই আমাকে কিভাবে চিনতে পেরেছিস। (রাফি)


• হাহাহাহাহা.... তদের সাথে ছোট একটা মাইন্ড গেম খেল্লাম এখানে,, নুসরাত আমার নিজের মেয়ে না সে আমারই কাছের এক বন্ধুর মেয়ে। আমার নিজের ত একটাই ছেলে আর সেটা হলো রিয়াজ,, হাহহাহা,, এখনো শেষ হয় নি আরো একটু টুয়িস্ট বাকি আছে। রিয়াজ কে মাফিয়া টিমে ডুকাই বিশ্বাসের সাথে কিছু দিন ভালো কাজ করায় তরা রিয়াজ কে তদের সাথে নিয়ে নিলি বেছ আমার কাজ শেষ, ভাবলাম তদের মাস্টার মাইন্ডের সাথে আমিও একটু খেলি। ঠিক তেমন ভাবে একটা গেম সাজাই, রিয়াজ খবর দেয় রাফিন আর রাফসান কোনো এক মিশনে ঢাকায়  এসেছে। আমি টার্গেট করি রাফিন কে তাই তো সে দিন সকালে আমার কিছু লোক দিয়ে আমার উপরই হামলা করতে বলি যেটা দেখে রাফিন আমার সাহায্য করতে চলে আসে আর আমি তাকে কোনো কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আমার বাসায় থাকতে দেই। রাফিনের প্রতি টা পদক্ষেপ আমি লক্ষ্য করি তার পিছু নিতে নিতে আজ গেম টা শেষ করতে চলে এলাম। (আনাফ)


• সবাই আনাফের কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। ঢাকার একজন টপ বিজনেসম্যানের মাথায় এত কিছু ছিলো কেউ বুঝতে পারছিলো না। রাফি দাঁতে দাঁত চেপে বলে -- রিয়াজ বেইমানি টা না করলেও পারতি,, আমার সাথে মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসি এর মানে এটা না যে তুই আমাকে তদের মাইন্ড গেমের গুটি হিসেবে ব্যবহার করবি। (রাফি)


• আনাফ পকেট থেকে একটা পিস্তল বের করে, দেখেই বুঝা যাচ্ছে পিস্তল টা আগে থেকেই রিলোড দেওয়া। আনাফ পিস্তল টা রাজের দিকে তাক করে কেউ কিছু বলার আগেই আনাফ পিস্তলের ট্রিগারে চাপ দেয়, বুলেট টা যেয়ে রাজের পায়ে লাগে, রাজ ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠে, অতিরিক্ত ব্যাথা রাজ নিচে পরে যায়। এটা দেখে আনাফ জোরে জোরে হাসতে থাকে আর সবাই কে উদ্দেশ্য করে বলে -- আমি অনেক মাইন্ড গেম খেলেছি এবার একটু মাস্তানী টাইপের রকস্টার হয়ে গেলাম, এখানে সবাই সবার শত্রু কেউ টাকা আর ক্ষমতার লোভে এসেছে আবার কেউ প্রতিশোধের নেশায় এসেছে৷ সবার উদ্দেশ্যই আলাদা আলাদা, এত দিন মাইন্ড গেমার হয়ে ভালো লাগতেছে না তাই হাত টা কে ফ্রেশ করতে আমার হালকা মাস্তানী খেলা দেখাবে। (আনাফ)


• রাফি চিৎকার দিয়ে গালি দিয়ে বলে-- কুত্তার বাচ্চা তুই এটা কি করলি রাফসান কে গুলি করলি কেনো। তকে আজ আমি নিজ হাতে মারবো কিন্তু এখন না, আমার এখন মাইন্ড গেম খেলার নেশা চেপেছে তদের সবার সাথে মাইন্ড গেম খেলতে চাই আমি। (রাফি)


• হাহাহাহাহা,, মাইন্ড গেম,, এই খেলাটা খেলতে সময় পাবি না, আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না, আমি খেলাটা কে এখানেই শেষ করবো। (আনাফ)


“ আনাফ কথাটা বলে রাফির দিকে পিস্তল টা তাকে করে ট্রিগারে চাপ দিবে তখনই পাশ থেকে মেহেরাব জোরে জোরে হাত তালি দিতে থাকে। সবার দৃষ্টি এখন মেহেরাবের দিকে, এতক্ষন চুপ করে থাকা ব্যক্তি টা এখন শব্দ করলো,,যেন ঘুমন্ত বাঘ হঠাৎ করে জেগে উঠেছে। মেহেরাব ঠোঁট থেকে সিগারেট টা বাম হাতে নিয়ে একটু সামনের দিকে এগিয়ে যায়। 

মেহেরাব সামনে যেয়ে একটু শব্দ করে বলে -- আনাফ খেলাটা ছিলো আমাদের হঠাৎ করে তর আগমন এটা কিন্তু ঠিক না। আমাদের খেলা আমরা খেলবো তুই চলে যা এটা তর জন্য ভালো হবে। (মেহেরাব)


• হাহাহাহাহা,, শোন মেহেরাব এক সময় তুই আমার বন্ধু ছিলি কিন্তু তর বেইমানীর কারণে তুই আমার শত্রু হয়ে গিয়েছিস। আজকের দিন টা কারো সামনে আসতো না শুধু মাএ তর বেইমানীর জন্য এই অবস্থা। (আনাফ)


• আমি বেইমানি করি নি করেছিস তুই, কিং হওয়ার জন্য তুই আমাকে মারতে চেয়েছিলি, তাই আমিও তর সাথে বেইমানী করতে বাধ্য হয়েছি। (মেহেরাব)


• সত্যি বলতে কি, তকে আরো আগে মেরে ফেলা উচিত ছিলো, তাহলে আজ তর কারণে সময় নষ্ট হতো না। (আনাফ)


• হাহহাহা,, চাইলেও তুই আজ আমাকে মারতে পারবি না।(মেহেরাব)


“ মেহরাবের কথা শুনে আনাফ তার রিলোড দেওয়া পিস্তল টা মেহেরাবের দিকে তাক করে, এটা দেখে কেউ কিছু বলছে না সবাই কেবল বোকার মতো চেয়ে আছে। আনাফ ট্রিগারে চাপ দিবে তখনই দূর থেকে সাইলেন্সার লাগানো স্নাইপারের বুলেট এসে আনাফের ডান হাতের কব্জি তে লাগে। আনাফের হাত থেকে গান টা পরে যায় মাটিতে, আনাফ বাম হাত দিয়ে ব্যাথা কমানোর বৃথা চেষ্টা করে। মেহেরাব শব্দ করে হাসতে হাসতে নিচে পড়া পিস্তল টা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকে। দূর থেকে কেউ আসছে যার কারণে সামনের আলো গুলো বাধা পাচ্ছে সবার দৃষ্টি সেদিকে,, কালো রকস্টারের ড্রেস মাথায় কালো লম্বা টুপি, মুখে মাফিয়া মাক্স, হাতে কালো কালারের AWM, নিয়ে সবার সামনে দাঁড়ায়। মেহেরাব ছাড়া সবাই আগন্তুক টা কে চিনার চেষ্টা করছে, কিন্তু কেউ আগন্তুক টা কে চিনতে পারছে না। সবার দৃষ্টি যখন আগন্তুকের দিকে তখন মেহেরাব পাশে AK নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বডিগার্ডের বুকে গুলি চালায়। হঠাৎ করে গুলি চালানোর শব্দ সবাই মেহেরাবের দিকে তাকায়... 


মেহেরাব একটু হাসে, একবার আগন্তুক টার দিকে চেয়ে জোরে জোরে বলতে থাকে -- চলে এসেছে আমার খেলোয়ার, নিজ হাতে তৈরী করেছি আমি তাকে। মাস্তানির এই জগতে আমি মাস্টার মাইন্ড খেলতাম আর মাস্তানী করতো সে। এখন খেলাটা শেষ করে আমি আমার অপেক্ষার সমাপ্তি ঘটাবো। (মেহেরাব)


* সবাই অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আগন্তুক টার দিকে বুঝার চেষ্টা করছে কে এই আগন্তুক যাকে মেহেরাব নিজ হাতে তৈরী করেছে। কিন্তু সবার চিন্তা চেতনা বৃথা যায় কেউ চিনতে পারছে না তাকে। সবার এমন অবাক হওয়া চাওয়া দেখে আগন্তুক টা মুচকি হেসে, মাথার লম্বা টুপি টা সরায়, মুখ থেকে মাক্স টা সরায়। 


• আগন্তুক টা কে দেখে রাফি মুখ ফোটে বলে উঠে -- নুসরাত তুমি। (রাফি)


• Yes আই এম নুসরাত,, মাস্তানী শহরের ছোট একটা মাস্তান। ছোট থেকেই মাফিয়াদের স্টাইল আমার কাছে ভালো লাগতো কিন্তু কখনো সামনে থেকে সেই ভয়ংকর মাফিয়া গুলোর মুখ দেখতে পেতাম না। আজ আমার কিছু স্বপ্ন পূরন হতে চলেছে নিজ হাতে কিছু মাফিয়া শিকার করবো। কথাটা বলেই AWM টা রিয়াজের দিকে তাক করে চোখের পলকের আগে নুসরাতের স্নাইপার থেকে একটা বুলেট যেয়ে রিয়াজের কপাল টা বেদ করে বাইরে চলে যায়। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আনাফ যেন বিশ্বাস ই করতে পারছে না, নুসরাত এমন কিছু করবে আনাফ ভয় পেয়ে যায়। নুসরাত স্নাইপার টা রিলোড দিয়ে আনাফের দিকে তাকে করে বলে -- Get ready for death Mr. Anaf. (নুসরাত) 


• আনাফ কথাটা শুনে ভয়ে একটা ঢোক গিলে বলে -- নুসরাত তুই ত আমার একমাত্র মেয়ে তুই আমার সাথে এটা কিভাবে করতে পারিস। হাত থেকে গান টা নামা আমার লেগে যেতে পারে। (আনাফ)


• হাহাহাহাহা,, আমি জানি মি.আনাফ আপনি আমার বাবা না, আমার বাবার নাম শামিম আহম্মেদ যে এক সময় আপনার অতি কাছের বন্ধু ছিলো কিন্তু আপনি আমার বাবার সাথে বেইমানি করে মেরে ফেলেছেন। আমাকে ছোট থেকে নিজের মেয়ে হিসেবে লালিত পালিত করেছেন। আমি আজকের এই দিন টার জন্য অপেক্ষা করছিলাম,, আজ তা এসে গেছে। (নুসরাত)


• নুসরাত মামুনি এগুলো মিথ্যা কথা আমি তোমার আসল বাবা, তুমি আমার নিজের মেয়ে। (আনাফ)


• হাহাহাহাহা,, আনাফ আজ যতই মিথ্যা বলিস না কেনো বাঁচতে পারবি না তুই। মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে আছিস তুই এখন সত্যি টা বলে দে। (মেহেরাব)


• কি সত্যি বলবো আমি, এটা যে শামিম কে আমি মারি নি। নুসরাত শুন আমার কথা তর বাবাকে মেরেছে.........  আনাফ আর কোনো কথা বলতে পারে না নুসরাতের হাতে থাকা স্নাইপার থেকে একটা বুলেট বের হয় যেটা গিয়ে আনাফের গলায় লাগে, পরিবেশ টা নিস্তব্ধ হয়ে যায়। আশেপাশে শুনা যাচ্ছে মানুষ গুলোর নিশ্বাস ছাড়ার শব্দ। এবার নুসরাত বলে -- মেহেরাব সাহেব আমার বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া শেষ এবার আপনার খেলাটা শেষ করার পালা কাকে শেষ করতে হবে। (নুসরাত) 


• মেহেরাবে হাতে থাকা সিগারেট টা প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে একটা জোরে টান দিয়ে ধোঁয়া গুলো নিরবচ্ছিন্ন মুক্ত  বাতাসে ছেড়ে দেয়। তিনি এবার বেশ গম্ভীর গলায় বলতে থাকে -- গেম খেলা শেষ কিন্তু একসন ত এখন শুরু হবে। নুসরাত  আমার মাইন্ড গেমের সেই মাস্তান। (মেহেরাব)


• রাফি আর দেরি করতে চায় না। পায়ের কাভার পয়েন্ট থেকে ছোট পিস্তল টা বের করে একটা গুলি করে বুলেট টা যেয়ে নুসরাতের বাম হাতে লাগে,, নুসরাতের হাত থেকে AWM টা নিচে পরে যায়। রাফি হাসতে হাসতে বলে --  তদের খেলা খেলতে খেলতে আমার সময় নষ্ট করে ফেলেছিস আমি আর বেশি টাইম নষ্ট করতে চাই না, এখানে যত সময় নষ্ট হবে মৃত্যু তত তার কাছে হানিয়ে আসবে। মাস্তানীর জগৎ টা শুধু রক্তের খেলা এখানে সবাই রক্তের নেশায় মেতে উঠে। যার পিস্তল থেকে যত তাড়াতাড়ি সঠিক নিশানায় বুলেট বের হবে সেই বেচে যায়। যারা পিছন থেকে মেরে দেয় তারা লুজার না তারাই আসল মাস্তান। (রাফি)


• সবার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সালমান একটার পর একটা সিগারেট টেনে যাচ্ছে এভার সে একটু সামনে যেয়ে বলতে থাকে -- তদের এই বিরক্তিকর  কাহিনী আমার কাছে ভালো লাগতেছে না। আমি মাফিয়া কিং হতে চাই, এখন তদের কাউকে বাঁচত দিবো না। সালমান কথাটা বলে কোমরের পিছন থেকে একটা পিস্তল বের করে, চোখের পলকের আগে দুইটা গুলি করে, প্রথম বুলেট টা যেয়ে নুসরাতের কপালে লাগে গরম বুলেটে নুসরাতের নরম চামড়া বেদ করে মাথার পিছন দিয়ে বেড়িয়ে যায়। দ্বিতীয় বুলেট টা যেয়ে সোজা মেহেরাবের ডান পায়ে লাগে। মেহেরাব ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে নিচে পরে যায়। সবাই অবাক সালমানের এমন কান্ডে। সালমান নিচে পরে থাকা সিগারেটের পেকেট আর লাইটার টা হাতে নিয়ে তার থেকে একটা সিগারেট বের করে জ্বালায়। মনের সুখে বড় করে একটা টান দিয়ে বলে-- আমি জানি মেহেরাব মাফিয়া কিং হওয়ার জন্য আমাকে আর ফরহাদ কে ব্যবহার করছে। মেহেরাব বেইমানি করে আমাদের দুজন কে মেরে দিবে তাই নিজ হাতে গুলি টা করলাম তাকে। (সালমান)


• সালমান তুই এটা কি করলি আমি রাফিন আর রাফসান কে মেরে তকে মাফিয়া কিং বানিয়ে দিতাম তবে কেনো তুই পিছন থেকে আমার সাথে বেইমানি টা করলি। ( মেহেরাব)


 • হাহহাহা,, পিছন থেকে মারাটা আমার স্টাইল তাও আবারো ছোট থেকে। (সালমান)


“ পরিবেশ টা থমকে গেছে সালমানের অবাক করা কান্ডে। রাফি আর রাজ জানে সালমান সবার সাথে বেইমানি করে কিন্তু সবার সামনে এবাবে বেইমানি করবে ভাবাচ্ছে দুজন কে। রাজ এতক্ষণ মাটিতে পরে ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল কিন্তু এখন উঠে দু হাঁটু বাজ করে বসে হাতে একটা পিস্তল নাড়াচাড়া করছে। সবার দৃষ্টি টা এখন রাজের দিকে,, এবার রাজ শব্দ করে হেসে বলে... 


• মাফিয়ার শহরে রাফিয়ানের শত্রু থাকবেই, তাই বলে কি শত্রুকে কিছু না বলে ছেড়ে দিবো। আমি শত্রুর সামনে নিজেকে দুর্বল করি, কারণ হলো শক্তিশালী শত্রু কখনো দুর্বল কে মারে না। আমি চান্স দিতে নয় চান্স নিতে ভালোবাসি। আমার মাইন্ড গেম খুবই আলাদা টাইপের, আমি কাউকে কপি করে মাইন্ড গেম খেলি না নিজে নিজের মতো করে গেম সাজাই আর সেটা জিতে বাড়ি ফিরি। (রাজ)


• অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি - ফরহাদ এবার রেগে কথা বলতে শুরু করে -- সালমান এই সালাকে আগে মারার দরকার,, বেশি কথা বলে ফেলছে কিন্তু। (ফরহাদ)


• ফরহাদের কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে রাজ একটা গুলি করে বুলেট টা যেয়ে ফরহাদের বুকের বাম পাশে লাগে। ফরহাদ বুকে হাত দিয়ে মাটিতে পরে যায়,, মুরগীর বাচ্চার মতো করে হাত পা নাড়াচাড়া করতে করতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। এটা দেখে সালমানের হাতে থাকা পিস্তল টা রাজের দিকে তাজ করে  জোরে জোরে বলতে থাকে -- এই কুত্তার বাচ্চা তুই কি করলি এটা ফরহাদ কে মেরে দিলি কেনো,, তকে আমি এখনই শেষ করবো । (সালমান)


“ হিহিহিহিহিহি.... আমার গেম খেলা এখনো শেষ হয় নি,, আরেকটা খেলা দেখবি, দেখ তাহলে রাজ কথাটা বলে শেষ করার সাথে সাথে আশেপাশের সব বডিগার্ড গুলো নিচে পড়তে থাকে। কোথা থেকে যেন সাইলেন্সার লাগানো স্নাইপার চালানো হচ্ছে যার কারণে কারো কপালে কারো বুকে এসে বুলেট গুলো পতিত হচ্ছে। “


• সালমান তুই আমাদের সাথে বেইমানি করেছিস,, সেটার কঠিন শাস্তি তুই এখন পেয়ে যাবি। (রাজ)


“  রাজের কথা শুনে সালমান ভয় পেয়ে যায় আর পিছাতে থাকে। রাফি হাতে গান টা নিয়ে, সালমানের চুল গুলো ধরে সালমানের মুখটা হা করিয়ে পর পর তিন টা গুলি করে। সব গুলো বুলেট সালমানের মুখের ভিতরে খরচ হয়। রাফি উঠে এসে মেহেরাবের সামনে দাঁড়ায়,, আর রাজ কোনো মতে পরে, থাকা চেয়ার টা টান দিয়ে পায়ের উপর পা তুলে বসে একটা সিগারেট জ্বালায়। রাফি মেহেরাবের মাথা বরাবর পিস্তল টা তাক করে পিস্তলের ট্রিগারে চাপ দিবে তখনই দুইটা ব্ল্যাক কালারের বাইক এসে থামে তাদের সামনে। বাইকের হালকা ধাক্কায় রাফির হাত থেকে পিস্তল টা নিচে পরে যায়, রাফি তার ডান হাতে হালকা ব্যাথা পায়। বাইক থেকে আগন্তুক দুইটা নামে পরনে তাদের মাফিয়া রকস্টার কালো ড্রেস। এবার আগন্তুক দুইটা নিজেদের জুকার মাক্স খুলে ফেলে।” 


 রাফি আর রাজ আগন্তুক দুটোর চেহারা দেখে  বলে  -- রিমি,,, জান্নাত। 


রিমি যেয়ে মেহেরাবের সামনে দাঁড়ায়। 


• মেহেরাব নিচে হালকা করে দু হাঁটু বাজ করে বসার চেষ্টা করে। হাহাহাহাহা করে হাসতে হাসতে বলে -- চলে এসেছে আমার মেয়ে এখন তদের সব কটাকে মেরে শেষ করে দিবে। (মেহেরাব)


• মেহেরাবের কথা শুনে রিমি মুচকি হেসে বলে -- আজ আমি তোমাকে বাঁচাতে আসি নি বাবা, আমার মায়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এসেছি। (রিমি)


• মেহেরাব অবাক হয়ে বলে-- মানে? (মেহেরাব)


• হিহিহিহিহি... তুমি আমাকে মিথ্যা একটা গল্প শুনিয়েছিলে যে আমার মাকে তুমার বড় ভাই মেরেছে। কিন্তু আমি তুমার গোপন ডাইরিটা পড়ে সব জেনে গিয়েছি,, আজ আমি সেই প্রতিশোধ নিবো। (রিমি)


“ মা এটা মিথ্যা কথ..... মেহেরাব আর কথা বলতে পারে না এর আগেই রিমি পিছন থেকে দুইটা পিস্তল বের করে গুলি করতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত বুলেট শেষ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত গুলি করতে থাকে। মেহেরাব ফ্যালফ্যাল করে আছে আকাশে দিকে। রিমি পিস্তল দুইটা নিচে ফেলে দিয়ে রাজদের কাছে আসে। রিমি যেয়ে রাজের পাশে দাঁড়ায়,, ”


জান্নাত রাফির সামনে এসে হাঁটু বাজ করে রোমান্টিক ভাবে প্রপোজ করার স্টাইলে বসে বলতে থাকে -- জীবনটা অনেক সুন্দর, যদি কারো ভালোবাসায় এ জীবন পূর্ণতা পায়, যদি কেউ তোমার কষ্টটা ভাগ করে নিতে চায়। আর আমি তোমার কষ্ট গুলো নিতে চাই। আমার সকল আনন্দ তোমার মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই। ভালোবেসে সারাজীবন ভালোবাসায় বেঁধে রাখবো,যদি একটি বার সাড়া দাও। বিধাতাও কষ্ট পাবে যদি তুমি আমার না হও। জীবনে মরণে বেঁধে রাখিবো প্রিয়তম জনম জনম ধরে, সখা যদি হাত দুটি বাড়াও। ভালোবাসার সংজ্ঞা আমার জানা নেই। যদি কাউকে দেখার জন্য বারবার মন আনচান করার নাম ভালোবাসা হয়, তবে আমি তোমাকে ভালোবাসি। যদি শয়নে স্বপনে তাঁকে নিয়েই হৃদয় মাঝে ছবি আঁকানোর নাম ভালোবাসা হয় তবে আমি তোমায় ভালোবাসি। যদি অনুমতি দাও, সারাজীবন ভালবাসতে চাই,, ভালোবাসি রাফি অনেক ভালোবাসি তুমাকে।( জান্নাত) 


“ শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি. ' রাফি জান্নাত কে নিচে থেকে উঠে দাঁড় করিয়ে জরিয়ে ধরে। এটা দেখে রাজ ও রিমি মুচকি হেসে দুজন দুজনকে ভালোবাসার আভেসে জরিয়ে ধরে ”


--------------- শুভ সমাপ্তি ---------------


[ গল্প টা অনেক দিন ধরে লিখছি অনেকে পাশে ছিলো যারা সাপোর্ট করেছে তাদের জন্য  অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো। যারা গল্প টা পড়েছেন দয়া করে ভালো করে এক লাইনের একটা মন্তব্য করবেন আজ] ধন্যবাদ 


----------- ❤❤❤❤❤❤-----------

No comments:

Post a Comment

ok

KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪

 # গল্প :- KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪ ............. আকাশে তাজা সূর্যের তীব্র আলো। শকুন আর গাংচিলদ...