মাফিয়া সিরিজ
# টোকাই যখন মাফিয়া কিং
#RAJA Bhuiyan.(মি.440)
# পর্ব: >> ১ <<
.............
দামি মডেলের বাইক R15 নিয়ে রকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভিতর প্রবেশ করে,,পড়নে তার সাদা কালারের ট্রি শার্ট, কালো কালারের জিন্স পেন্ট, ডান হাতে ড্রাগনের ট্যাটু করা, চোখে স্টাইলিস চশমা, গলায় মোটা চেইন, ট্রি শার্টের ভিতর দিয়ে সিক্স প্যাক বডি টা ভালোই বুঝা যাচ্ছে। প্রায় অনেক ছেলে মেয়ে চেয়ে আছে রকির দিকে, কিছু ছেলের হিংসা হচ্ছে রকির প্রতি আর কিছু মেয়ের মুখে রাগের আভা ফুটে উঠেছে করণ রকি তাদের বয়ফ্রেন্ডদের থেকে বেশিই সুন্দর। রকি বাইক টা পার্ক করে আশেপাশে তাকায় অনেক মেয়ে তার দিকে ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। রকি মুচকি হেসে মাথাটা উচু করে ক্লাসের উদ্দেশ্য রওনা দেয়।
...
ছেলেটা কে আর ভার্সিটিতে নতুন মনে হচ্ছে এত স্টাইল করে ভার্সিটিতে আসার কি দরকার ওর সম্পর্কে আমার সব ডিটেইলস চাই,, কথাটা বলে থামে নাহিদ। ভার্সিটির সভাপতির ছেলে নাহিদ বড় ছোট সবার জন্য নাহিদ একটা আতংক, বড় ছোট সবাইকে র্যাগ দেয় সে। এত ক্ষন বসে বসে রকির দিকে তাকিয়ে ছিলো সে আর দেখছিলো রকির এটিটিওড, প্রায় সব মেয়েই চেয়ে আছে রকির দিকে যার জন্য নাহিদ রেগে যেয়ে তার বন্ধুদের কথাটা বলে। নাহিদ পকেট থেকে আরেক টা সিগারেট বের করে জ্বালায় আর বিষাক্ত ধোঁয়া গুলো মুক্ত বাতাসে ছেড়ে দেয়। পিছন থেকে আরাফ নামের একটা ছেলে দৌড়ে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে নাহিদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে থাকে..
• নাহিদ নতুন ছেলেটার নাম রকি, ৩য় বর্ষে পড়ে আমাদের থেকে ১ ক্লাস নিচে। (আরাফ)
• আরাফের কথা শুনে নাহিদ সিগারেট টানতে টানতে বলে-- তাহলে তো বেশ ভালো হবে আমার, কারন সে তো আমার জুনিয়র,, হাহাহাহাহা(নাহিদ)
• নাহিদ সামনে চেয়ে দেখ ভাই একটা গরম মাল আসতাসে। ( সিয়াম)
• সিয়ামের কথা শুনে নাহিদ ক্যাম্পাসের গেটের দিকে তাকায় দেখে একটা মেয়ে আসতেছে পরনে তার হলুদ একটা জামা, চোখে স্টুডেন্ট চশমা ব্যাগ টা কাঁধে ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছে। নাহিদ সিয়াম কে বলে-- সিয়াম মাল টা কে ডাক দে, নাহিদের অনুমতি পেয়ে সিয়াম মেয়েটা কে ডাক দেয়।
..
মিম মধ্যবিত্ব পরিবারের মেয়ে তার বাবা সরকারি চাকরি করে, ছোট একটা ভাই আছে সে ক্লাস 9 এ পড়ে।মিমের ছোট থেকেই স্বপ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবে, তাই কলেজ পাশ করেই, ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ১ম বর্ষে ভর্তি হয়। আজ তার ভার্সিটির প্রথম দিন তাই হলুদ একটা জামা পড়ে ব্যাগ টা কাঁধে ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসে ডুকে পরে। ক্যাম্পাসটা খুবই সুন্দর আর বড় তাই সে ঘুরে দেখছিলো তখনই পিছন থেকে কেউ “ এই হলদে পরি ” কথাটা বলে জোরে ডাক দেয়। মিম চমকে উঠে পিছনে ফিরে তাকায় দেখে বাইকের উপর আরাম করে একটা ছেলে বসে বসে সিগারেট টানছে আর তিনটা ছেলে পাশে দাঁড়িয়ে আছে। মিম বুঝতে পারছে না কাকে ডাকছে হলদে পরি বলে তাই সে আবার ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকে ক্যাম্পাসটা। কিন্তু আবার কেউ “ এই চোখে চশমা হলুদ ড্রেস তুমাকেই ডাকছি ” কথাটা বলে ডাক দেয়। মিম আশপাশে তাকিয়ে দেখে ক্যাম্পাসে এমন হলুদ ড্রেস সে ছাড়া আর কেউ পড়ে নি, তাই সে ছেলেগুলো কাছে যেতে থাকে। মিম সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলে-- জ্বি ভাইয়া আমাকে এভাবে ডাকার কি কারণ।(মিম)
• মিমের কথা শুনে নাহিদ হালকা করে ছোট একটা হাসি দেয়। সিয়াম মিম কে বলে-- মামনি কি ভার্সিটিতে নতুন এসেছো।(সিয়াম)
• মিম বুঝতে পারছে তার সাথে এখন কি হবে তাই সে জবাব দেয়-- জ্বি ভাইয়া ১ম বর্ষে ভর্তি হয়েছি।(মিম)
• আরাফ নিজের জায়গা থেকে হালকা সরে এসে মিমের পাশে দাঁড়িয়ে বলতে থাকে-- তা মামুনি দেখতে তো খুব সুন্দর, রূপে তো আগুন ধরছে তা সেই আগুনে পোড়ার একটু সুযোগ দেও আমাদের। (আরাফ)
• মিম বুঝতে পারছে না কি বলছে এগুলো তাই সে প্রশ্ন করে-- ভাইয়া কি বলছেন বুঝতে পারছি না। (মিম)
• মিমের কথা শুনে নাহিদ বাইক থেকে নেমে সিগারেটের শেষ অংশে জোরে একটা টান দিয়ে মুখের সমস্ত ধোঁয়া গুলো মিমের মুখের উপর ছাড়ে। মিম জোরে জোরে কাশতে থাকে যেন নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। মিমের অবস্থা দেখে সবাই জোরে জোরে হাসতে থাকে, নাহিদ মিমের একেবারে কাছাকাছি চলে আসে, দুজনের নিশ্বাস দুজনের মুখের উপর পড়ছে, মিমের খারাপ লাগছে তবুও নাহিদ কে কিছু বলছে না। নাহিদ ডান হাত দিয়ে মিমের চুলের পিছন চাপ দিয়ে ধরে কানের কাছে মুখটা নিয়ে বলতে থাকে- তকে আমার পছন্দ হয়ে গেছে, তুই শুধু একটা রাত আমার বিছানা টা গরম করে দিবি,,তর এই রূপের আগুনে আমি নিজেকে পুরাতে চাই। (নাহিদ)
• নাহিদের কথাটা শেষ হওয়ার সাথে সাথে মিম সামান্য দূরে যেয়ে নাহিদের বাম গালে কষে একটা চড় মেরে চিৎকার করে বলে-- তুই কি আমাকে সেই সব মেয়েদের মতো পেয়েছিস যারা দেহ বিক্রি করে খায়,,আমি কি পতিতা, এতই যদি মেয়েদের দেহের লোভ থাকে তাহলে পতিতালয়ে চলে যা। কথাটা বলে মিম থামে না দৌড়ে ক্লাসের দিকে চলে আসে আর নাহিদ সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাম গালে হাত দিয়ে রাগে ফুসতে থাকে।
“ এই ছেলে তুমি অনেকক্ষন ধরে দেখছি বাইরের দিকে চেয়ে আছো, নতুন এসেছো আর এখনই ক্লাসে মনোযোগ নেই, বাইরে তাকিয়ে কি দেখো ” কথাটা শুনে রকি বাইরে থেকে দৃষ্টি টা সরিয়ে সামনে থাকা স্যারের দিকে তাকায় তিনিই রকি কে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলে। রকি এতক্ষণ বাইরের নাহিদের কর্ম কান্ড দেখছিলো আর রাগে ফুসছিলো। রকির ক্লাসের জালানা দিয়া ভালো করেই বুঝা যায়, যেখানে নাহিদ রা বসে থাকে। রকি নিজের মাথাটা কে ঠান্ডা করে স্যার কে জবাব দেয়-- স্যার কিছু দেখছিলাম না,, এমনি ভালো লাগতেছিলো না তাই বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।(রকি)
• স্যার চশমা টা ঠিক করে রকিকে বলে-- নতুন জায়গায় প্রথম প্রথম এমন মনে হবে, আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। তা তুমি কোথা থেকে এসেছো। (স্যার)
• রকি উওর দেয় - আমার নিজের কোনো শহর নেই, যেই শহরে পা রাখি ঐটাই আমার শহর হয়ে যায়। রকির এমন উওর শুনে সবাই অবাক বলে কি ছেলেটা নিজের কোনো নির্দিষ্ট শহর নেই। রকি সবার দিকে চেয়ে ছোট করে একটা মুচকি হাসি দেয়। স্যার ক্লাস সম্পূর্ণ করে বাইরে চলে যায়, অনেক স্টুডেন্ট রকির সাথে বন্ধুত্ব করতে আসে কিন্তু রকি ধনী পরিবারের কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় না। রকির দৃষ্টি যায় সবার লাস্ট বেঞ্চে বসে থাকা একটা ছেলের দিকে যার পরণে ময়লা ঢিলেঢালা সাদা কালারের শার্ট, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, চুলগুলো খানিক টা বড় মুখে দাঁড়িতে ভরে গেছে, শরীরের রঙটা হালকা কালো। কিন্তু কেউ ছেলেটার পাশে বসছে না কারণ ক্লাসের সবাই ধনী পরিবারের সন্তান, ভালো ভালো জামাকাপড় পড়া কিন্তু ছেলেটা গরীব শরীরে নেই ভালো জামাকাপড় তাই তার পাশে কেউ বসছে না। রকি নিজের ছিট থেকে উঠে দাঁড়ায় আর ছেলেটির পাশে যেয়ে বসে। রকিকে দেখে ছেলেটা অবাক হয়ে যায় কেননা যেখানে কোনো স্টুডেন্ট তার আশেপাশে বসে না তার সাথে বন্ধুত্ব করে না কিন্তু আজ হঠাৎ করে নতুন একটা ধনী পরিবারের ছেলে নিজ ইচ্ছায় তার পাশে বসছে এটা যেন তার বিশ্বাস হচ্ছে না। রকি ছেলেটার হালকা উজ্জ্বল মুখ টা দেখে মুচকি হেসে ছেলেটা কে বলে-- নাম কি তুমার?? (রকি)
• ছেলেটা মাথাটা নিচু করে জবাব দেয়-- আবির।
• আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি,,আমি রকি,, বলেই হাতটা বাড়িয়ে দেয় আবিরের দিকে। আবির অবাক হয়ে যায়, বলে কি ছেলেটা গরীব ছোটলোক একটা ছেলের সাথে ওর মতো স্মার্ট ছেলে ফ্রেন্ড হওয়ার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে,, বুঝতে পারছে না আবির কি করবে।তবুও ভদ্রতার জন্য আবির কাঁপতে কাঁপতে হাত টা রকির সাথে মিলায়। রকি স্মিথ হাসে,,রকি কখনো ধনীদের পছন্দ করে না, গরীবের প্রতি সে নিজের একটা টান অনুভব করে তাই সে গরীবের উপর অত্যাচার সহ্য করতে পারে না। রকি আবির কে নিয়ে ক্লাস থেকে বেড়িয়ে আসে ক্যাম্পাসের আম গাছের নিচে বসে পরে,,আবির রকির সাথে কথা বলতে কেমন যেন একটা লজ্জা লজ্জা লাগছে। রকি আবির কে প্রশ্ন করে-- আবির ঐইখানে কতগুলো ছেলে বাইকের উপর বসে থাকে ওরা কারা,জানিস বা চিনিস তুই। (রকি)
• আবিরের খুবই পরিচিত ছেলেগুলো, নাহিদ, সিয়াম,আরাফ, সাকিন যারা ভার্সিটির প্রথম দিন থেকে আবিরকে র্যাগ দেয়। আবির চায় না নাহিদদের কাছে যাতে রকি র্যাগ খায় তাই সে সাবধান করার জন্য বলে দেয়-- বাইকের উপর আরাম করে যে বসে থাকে ওর নাম নাহিদ, এই ভার্সিটির সভাপতির ছেলে খুবই খারাপ, ছোট বড় সবার জন্য একটা আতংক কারন সে প্রতিদিন ই কারো না কারো সাথে র্যাগিং করে। আর পাশে যারা থাকে সবাই তার বন্ধু, বড় লোক ঘরের সন্তান তাই ক্ষমতার জোরে এগুলো করে। তুই নাহিদদের কাছ থেকে দূরে দূরে থাকবি।(আবির)
• রকি হাসতে থাকে আবিরের কথা শুনে আর বলতে থাকে-- আবির তুই হয়তো জানিস না আমি কে আমার ক্ষমতা কতটুকু, তাই ঐই নাহিদ কে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, হতে পারে আমার পরিচয় পেলে আমার সাথে এমন করবে না, আমি দেখি সে আমার সাথে কি কি করতে পারে। (রকি)
• আবির সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে রকির দিকে,, সে বুঝতে পারছে না রকির কি এমন ক্ষমতা আছে যার কারণে সে নাহিদ কে ভয় পাচ্ছে না। তাই সে প্রশ্ন করে ফেলে-- রকি তর কি এমন ক্ষমতা যার জন্য তুই নাহিদ কে ভয় পাচ্ছিস না। (আবির)
• রকি কাছে আবিরের করা প্রশ্ন টা ভালো লাগে কিন্তু রকি এখনই তার পরিচয় কাউকে দিতে চায় না। তাই আবির কে বলে- আবির তুই কি MK (মি.KING) কে চিনিস। আবির মাথা নাড়ায় যার মানে সে MK কে চিনে। জানিস ই তো তার কি ক্ষমতা আছে,, আমার একটা বড় ভাই আছে যে MK সাথে কাজ করে। এখন যদি নাহিদ আমার সাথে খারাপ কিছু করে তাহলে বড় ভাই কে বল্লে সে এসে নাহিদ কে যা করার তাই করবে, তবে আমি দেখতে চাই সে আমার সাথে কিছু করে কি না।(রকি)
• রকির কথা শুনে আবিরের কেমন যেন বুকের ভিতর প্রশান্তির বাতাস বয়ে যায় যেন অনেক দিনের কিছু আশা পূরন হতে যাচ্ছে। ‘আচ্ছা রকি তুই তো কত ধনী পরিবারের সন্তান কিন্তু তুই নিজে স্মার্ট হয়ে কেনো একটা বসতির গরীব ছেলের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করলি,,তুই চাইলেও ত কত ধনী ছেলে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারতি কিন্তু তা করিস নি কেনো।(আবির)
• রকি নিজের চোখ জোরা বন্ধ করে সামনে ভেসে উঠে তার মায়ের রক্তাক্ত দেহ টার কথাটা। সে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে আবির কে জবাব দেয়--জানিস আমিও তর মতো কোনো এক সময় গরীব, বসতিতে থাকতাম কিন্তু সময়ের সাথে সব বদলে আমার জীবন টা উচ্চ শিখরে পৌছে গেছে, আমার মার নিষেধ ধনী পরিবারের সন্তানের সাথে যেন চলাফেরা না কি আর এমনিতেই আমার এই বিলাশিতার জীবন ভালো লাগে না। তাই মূলত আমি তর সাথে বন্ধুত্ব করেছি, এই আর কি, আর কি না।(রকি)
• রকির এরকম উওরে রকির প্রতি আবিরের শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পায়। আবির আবারও রকিকে প্রশ্ন করে-- আচ্ছা রকি তখন যে স্যার তকে জিজ্ঞেস করেছিলো তুই কোন শহর থেকে এসেছিস তখন এমন রহস্যময় উওর দিয়েছিস কেনো সেটা বল।(আবির)
• রকি মুচকি হেসে জবাব দেয়--আমি রহস্যময় ছেলে হতে পারি কিন্তু সব জায়গায় রহস্যময় কথা বলি না। আমার ঐই কথার মানে চাইলেই স্যার বের করতে পারবে,,এখন তকে আর বলতে হবে না তুই নিজেই আমার কথার উত্তর পেয়ে যাবি। কথাটা বলে রকি বসা থেকে উঠে দাঁড়ায় আর আবিরকে বলে -- চল আবির তকে বাসা পর্যন্ত ড্রপ করে দিয়ে আসি।(রকি)
• আবিরও বসা থেকে উঠে দাঁড়ায় আর রকিকে বলে--ভাই তুই গরীবের সাথে চলাফেরা করতে পারিস কিন্তু গরীবের বাড়িতে যেতে পারবি না কারণ গরীবদের বাসার অবস্থা অনেক খারপ যা তুই সহ্য করতে পারবি না।(আবির)
• রকি মুচকি হাসে--চোখটা বন্ধ করলে ছোটবেলার কিছু দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে উঠে। রকি আবিরের পিঠে হালকা বারি দিয়ে, পকেট থেকে বাইকের চাবি টা বের করে হাতে ঝাকাতে ঝাকাতে বাইকের কাছে যায়। রকি বাইকটা জোরে টান দিয়ে আবিরের সামনে এনে থামায়,, হাতের ইশারায় বাইকে উঠতে বলে আবিরকে। আবির কিছু একটা ভেবে বাইকের পিছনে উঠে বসে। ভার্সিটির অনেকের কাছে এটা যেন সহ্য হচ্ছে না,,এত ধনী পরিবারের ছেলে একটা গরীব ক্ষেত ছেলেকে তার বাইকের পিছনে বসিয়েছে। রকি বাইক টা ছোট একটা বসতির সামনে থামায়,, আবির বাইক থেকে নেমে রকি কে বলে-- ভদ্রতার জন্য বলতাম বাসায় আসার জন্য কিন্তু ব্যাচেলার মানুষ একা থাকি আবার বাসার পরিবেশ ভালো না তাই বাসায় আসার জন্য বল্লাম না,, কিছু মনে করিস না।(আবির)
• রকি মুচকি হেসে বলে-- আরে তুই না বল্লেও আমি যেতাম কিন্তু আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে যার জন্য আজ যেতে পারবো না অন্য আরেক দিন অবশ্যই যাবো তুই না করলেও।(রকি)
• আবির ঠোঁটের কোনে হাসির রেখা ফুটিয়ে রকি কে বিদায় জানায়। আর ভাবতে থাকে রকির সম্পর্কে,, হঠাৎ কোথা থেকে যেন আবিরের কাছে উদয় হলো এক অজানা অচেনা আগন্তুক আর এসেই ভাইয়ের মতো বন্ধুর হাত বাড়িয়ে দেয়।
..
“ রকি আমি পরের বার এমপি নির্বাচন করতে চাই, তুই এটার ব্যবস্থা করে দিবে ”
কিছুক্ষন আগেই মেয়র সাদ্দাম খান রকি কে দেখা করার জন্য ডাকে। আবিরকে নামিয়ে দিয়েই রকি সাদ্দামের বাগায় বাড়িতে চলে আসে। দুজন দুজনের সামনাসামনি বসে আছে কারো মুখে কোনো কথা নেই, সাদ্দাম জানে রকি ঠান্ডা মাথার খেলোয়ার, তাই সে নিজ থেকে রকি কে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলে। রকি কিছু বলে না পকেট থেকে সিগারেটের পেকেট বের করে একটা সিগারেট জ্বালায় আর বিষাক্ত ধোঁয়া গুলো নাক দিয়ে ছাড়তে থাকে,, সাদ্দাম জানে রকির এই একটা বদ অভ্যাস আছে সেটা হলো সে সিগারেটের ধোঁয়া নাক দিয়ে বেশি ছাড়ে। রকি একটু শব্দ করে হাসে যেই হাসিতে লেগে আছে রহস্যময় কিছু আভা আর সাদ্দাম কে বলে--
@@@ চলবে @@@
[ প্লিজ কেউ গল্প টা YouTube এ আপলোড দিবেন না। একজন YouTuber গল্প টা আমার কাছ থেকে নিয়েছে। যদি কেউ চুরি করে আপলোড করেন তাহলে তার চ্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হবে ]
wait for the next part.
No comments:
Post a Comment
ok