মাফিয়া সিরিজ
# টোকাই যখন মাফিয়া কিং
# RAJA Bhuiyan. (মি.440)
# পর্ব:- ৪
.... ...........
• ভাই আমি ভুল করে ফেলেছি আমাকে মাফ করে দেন, আমাকে ছেড়ে দেন প্লিজ, আমার দ্বারা দ্বিতীয় বার আর এমন ভুল হবে না। (আরিয়ান)
• আরিয়ানের এমন কথা শুনে রকি উচ্চ সরে হাসতে হাসতে বলে -- তকে কি ধরে এনেছি ছেড়ে দেওয়ার জন্য। দ্বিতীয় বার যাতে আর এই ভুল না করতে পারিস সেই ব্যাবস্থা করার জন্য ধরে এনেছি তকে। (রকি)
• আরিয়ানের কাছে রকির কথা মুটেও ভালো লাগতেছে না, সে বুঝে ফেলেছে তার সময় শেষ আজকে। সামনে ভয়ংকর রকি কে দেখে বুঝা যাচ্ছে আরিয়ানের মৃত্যু যেন এখন মাথার উপর, আর কিছুক্ষন তারপরই তার চিরদিনের জন্য নিথর হয়ে যাওয়া। আরিয়ান ভয়কাতর চেহারা নিয়ে করুণ কন্ঠে বলে -- ভাই আমাকে ছেড়ে দেন, আমি ঐই বসতি টা আবার ওদের দিয়ে দিবো, প্লিজ বিশ্বাস করেন আমাকে৷ (আরিয়ান)
• আরিয়ান তকে একটা গল্প শুনাই। শহরে গরীব একটা ছেলে ছিলো যার বাবা মা কেউ নেই পৃথিবীতে সে এতিম, ছেলেটা তার পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য ছোট একটা চা স্টলে+ হোটেলে কাজ করতো। তার কাজ ছিলো টেবিল পরিষ্কার করা আর প্রতিটা টেবিলে যেয়ে খাবার সার্ভ করা। কিন্তু হটাৎ করে একদিন ছেলেটা কাস্টমার কে পানি দিতে যেয়ে কারো সাথে ধাক্কা গেলে হাতের গ্লাস টা সেই লোকটার উপর পরে। গ্লাসের পুরো পানি টা লোকটার শার্টের উপরের পরার কারণে সে ছেলেটা কে কষে তিনটা চড় দেয় আর খাবাপ ভাষা বলে গালি দিতে থাকে। মৃত মা - বাবাকে গালি দেওয়ায় ছেলেটা তা সহ্য করতে না পেরে নিচে পড়ে থাকা ভাঙা অর্ধেক গ্লাস টা দিয়ে লোকটার গলায় চালিয়ে দেয়। দোকানের মালিক ভয় পেয়ে যায় এটা দেখে তাই সে পুলিশ কে ফোন দিয়ে ছোট ছেলেটা কে ধরিয়ে দেয়। কথা গুলো বলে থামে রকি,, সামনে থাকা টেবিলের উপর সিগারেটের পেকেট টা হাতে নিয়ে তার থেকে একটা সিগারেট বের করে নিজের ঠোঁটে চাপে,, জলন্ত সিগারেটে যেন রকির ঠোঁট জোরা পুরে যাচ্ছে তবু সে থেমে নেই এক মনে সিগারেট টানছে। রকি এভার একটু রহস্যময়ী হয়ে বলে -- আরিয়ান আমার গল্প টা শুনে কি তর কিছু মনে পরছে। (রকি)
• আরিয়ান রকির কথা শুনে অনেক টা অবাক হয়ে যায় করণ রকি এতক্ষণ আরিয়ানের ছেলে ভেলার গল্প বলছিলো। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় আরিয়ান চোখ জোরা বন্ধ করলেই ছোট ভেলার কিছু দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে বেড়ায়। আরিয়ান যতই অতীত কে ভুলতে চায় কিন্তু অতীত তাকে তত হ্রাস করে ফেলে চাইলেও যেন এটা সে ভুলতে পারে না। সে অবাক হয়ে রকিকে জিজ্ঞেস করে -- কে তুই আর তুই আমার ছোটবেলার কথা জানিস কিভাবে। (আরিয়ান)
• রকি সিগারেটে আরেকটা টান দিয়ে বল -- তকে আগেই বলেছি আমি কে তা তর না জানলেও চলবে। আর তর ছোটবেলার গল্পও আমার অজানা নয়,, এখনো কিছু ঘটনা বাকি আছে শুনতে থাক। ‘ ছেলেটার বয়স কম থাকায় তার শাস্তি কম হয়, দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পর ছেলেটা জেল থেকে ছাড়া পায় চলে আসে পুরোনো সেই বসতিতে যেখানে সে ছোট থেকে বড় হয়েছে। বসতির সবাই ছেলেটাকে মুন্না নামে চিনতো,, এলাকায় ছোটখাটো মাস্তানী করতো কিন্তু একদিন ভাগ্য তার সহায় হয়। এলাকার সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তির বাড়িতে সে আর তার কিছু বন্ধু মিলে ডাকাতি করে,,এভাবে তারা একটা গ্যাং তৈরী করে ফেলে যার লিডার হয়ে যায় মুন্না ভাই। কিছু বড় বড় রাজনৈতিক নেতার সাথে ঘুরাঘুরি কে রাজনীতি তে ডুকে যায় আস্তে আস্তে রাজনীতি করতে করতে ভালো পজিশনে পৌঁছে যায় জনগণ তাঁকে আরিয়ান আহাম্মেদ নামে চিনতে থাকে। আর এখন সে একজন ধনী এবং ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতা আরিয়ান আহাম্মেদ। (রকি)
• তুই আমার সম্পর্কে এত কিছু জানলি কিভাবে। আমি জানি তুই সাধারণ কেউ না, কিন্তু তুই আমার সাথে এমন করে কি পাবি তর যত টাকা লাগে আমি দিবো তবুও আমাকে এখান থেকে মুক্তি দে। (আরিয়ান)
• থাক না কিছু কথা অজানা, মানুষ জাতি টাই এমন সারা জীবন সফল জীবনযাপন করে মৃত্যুর সময় আফসোস করে মারা যায়। তর ভুল একটাই তুই গরীব দুঃখীদের প্রতি অবিচার আর অত্যাচার করিস। তর অনেক টাকা হয়ে গেছে,, অর্থ মানুষকে পিশাচ করে তুলে, আবার অর্থই মানুষকে মহৎও করে তুলে। তুই তর নাম টা ভালো জায়গায় নিয়ে গেলি না। এখন তর জীবন বাঁচাতে তর টাকা ক্ষমতা কোনো টাই কাজে আসবে না। (রকি)
• দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেও আমি এখন থেকে গরীব দুঃখীদের প্রতি অবিচার আর অত্যাচার করবো না। (আরিয়ান)
• হিহিহিহিহিহি......আমি কাউকে দ্বিতীয় বার সুযোগ দেই না, আর পৃথিবীতে খারাপ মানুষ রেখে লাভ নেই,, মানুষ নিজের মৃত্যু নিজেই কামণা করে । কথাটা বলে রকি পিছন থেকে একটা পিস্তল ডান হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করে বলে -- এই পিস্তলে পাঁচ টা বুলেট আছে সব গুলোই তর কপালে করবো। (রকি)
• আরিয়ান চেয়ারের সাথে হেলান দিয়ে বসে আছে, চরম অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে তার চেহারা চাহনিতে। আরিয়ান বিশ্বাসই করতে পারছে না যে আজ তার এই পৃথিবীতে শেষ দিন। মাথাটা নিচু করে হাত দুটোর দিকে তাকায়, এই দুই হাত দিয়ে কতোই না মানুষ হত্যা করেছে সে। আরিয়ান মৃত্যুর কথা বারবার জপছে, জীবনের এই শেষবেলায় সে নিজের অপরাধ নিয়েও চিন্তিত। নীচু গলায় রকি কে উদ্দেশ্য করে বলে--
“ আকাশ সমান আমার অপরাধ ”
“ তবুও তুমার কাছে আমার আর্তি ”
“ তুমার দয়া আমার জন্য সম্ভাবনা ”
“ হিসেবে শুধু শাস্তি আমার পাওনা ”
• আরিয়ানের এমন আবেগিয় কথায় রকির মন একটুও নরম হয় না। পিস্তল টা সোজা কপাল বরাবর তাক করে, আরিয়ান কিছু বলতে পারে না এর আগেই রকি পিস্তলের ট্রিগারে চাপ দেয় 100°c তাপমাত্রার গরম বুলেট আরিয়ানের কপাল টা ভেদ করে চলে যায়। কপাল থেকে তাজা রক্ত বের হচ্ছে, আরিয়ানের প্রবল ভয় আর অস্থিরতা গ্রাস করেছে,, মৃত্যুে কে এতো কাছ থেকে দেখে। আরিয়ানের এমন অবস্থা দেকে রকি ‘হিহিহিহি’ করে হেসে বলে -- মরণের কষ্ট কেমন লাগে আরিয়ান, দেখ কতো নিষ্পাপ মানুষ খুন করেছিস তুই। (রকি)
• আরিয়ানের শ্বাস ভারি হয়ে আসছে, মুখ টা হা করে কি যেন বলতে চাচ্ছে সে, সবার আগ্রহ তার দিকে। আওয়াজ থেমে গেছে, মুখ বন্ধ হয়ে এলো আরিয়ানের বিশ্ব কাঁপানো একটা ডেক তুলে ঢলে পড়লো চেয়ারের সাথে, তার প্রান পাখি তখন আকাশের পথে। রকি চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ায় হাতের সিগারেট টা শেষ হয়ে গেছে সেটা মাটিতে ফেলে রুমের সাটারের দিকে যেতে থাকে তখনই পিছন থেকে সোহেল বলে.....
• বস শালাকে কোথায় ফেলে দিবো। (সোহেল)
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে আর পাশে M.K আর কংকালের ট্যাটু আঁকতে ভুলবি না। (রকি)
• আচ্ছা বস!! (সোহেল)
রকি সেখানে আর দাঁড়ায় না, বাইরে চলে আসে, বৃষ্টি টা এখন কমে গেছে তাই সে নিজে হেঁটে গাড়িতে যেয়ে উঠে রাতের আধারে মিলিয়ে যায়।
....
“ আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে থেকে, ঢাকার সবচেয়ে ধনী এবং ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতা আরিয়ান আহাম্মেদের মৃত দেহ পাওয়া গেছে। দু দিনে দুইটা ক্ষমতাশালী ব্যাক্তির মৃত দেহ পাওয়া গেছে এটা নিয়ে শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। পুলিশের ধারণা বাংলাদেশের মাফিয়া কিং M.K (মি.King) এই খুন দুইটা করেছে। পুলিশ এখনো তদন্ত করে কোনো ক্লো বের করতে পারছে না। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।” ( সাংবাদিক )
আবির আর রকি ছোট একটা চা স্টলে বসে চা খাচ্ছিলো তখনই টেলিভিশনে সাংবাদিক কথাটা বলছে। এই কথাটা শুনে আবির রকি কে উদ্দেশ্য করে বলে।
• দেশে যে কি হচ্ছে বুঝতে পারছি না। একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে, পুলিশ কি করে কে জানে। (আবির)
• আবিরের কথা শুনে রকি মুচকি হেসে বলে -- টেলিভিশনে দেখলি কি বল্লো খুন গুলো কে করেছে, M.K করেছে। তার সম্পর্কে মনে হয় তর কোনো ধারণা নেই, সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে ভয়ংকর মাফিয়া কিং, ছোট বাচ্চা না ঘুমালে মায়ের M.K এর নাম বল্লে বাচ্চারা ভয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এমপি মন্ত্রী মেয়র যা আছে সব তার আন্ডারে। ( রকি )
• তুই M.K সম্পর্কে এত কিছু কিভাবে জানিস, তুই কি কখনো তাকে দেখেছিস। (আবির)
• হিহিহিহিহি....M.K সম্পর্কে আমার অনেক কিছু জানা যা সে নিজেও জানে না। আমি M.K কে কিভাবে দেখবো যেখানে তার নিজের লোকেরাও আজ পর্যন্ত দেখে নি। M.K কে দেখা যায় না শুধু অনুভব করা যায়, ঝড়ের বেগে তার অস্তিত্বের বাতাস বুঝা যায়। কোনো এক অচেনা অজানা শহরের শান্ত একটা ঠান্ডা মাইন্ড গেমার নামক ছেলে যার পদবী M.K দেওয়া হয়েছে। সে যেই শহরে পা রাখে ঐই শহর টা ওর হয়ে যায়, শত্রুর মনে ভয়ানক কম্পন সৃষ্টি তৈরি করে । ( রকি )
• আবির সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রকি কে বলে -- রকি তর আসল পরিচয় কি, কে তুই। (আবির)
• তুই কি আমাকে কোনো ভাবে সন্দেহ করছিস তাহলে সেটা ভুল, আমি তর বন্ধু রকিই। (রকি)
• আমার কাছে তকে কেমন যেন রহস্যময় রহস্যময় লাগছে। তুই M.K সম্পর্কে এত কিছু জানিস, আমার মনে হয় না কোনো পুলিশ প্রশাসন এত কিছু জানে। তাই তকে একটু সন্দেহ করছি এই আরকি। (আবির)
• আমাকে আবার কি রকম রহস্যময় লাগে, আমি সব সময় এই রকম করে কথা বলতে পছন্দ করি। আর M.K সম্পর্কে এত কিছু জানি আমার এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে। আমাকে সন্দেহ করার কোনো মানেই হয় না। (রকি)
• রকি সামনে তাকিয়ে দেখ নাহিদ রা হাতে স্টীক নিয়ে আমাদের দিকেই আসছে চল এখান থেকে চলে যাই। (আবির)
• আবিরের কথা শুনে রকি পাশে তাকিয়ে দেখে নাহিদ, আরাফ, সিয়াম, আরো তিনটা ছেলে সবার হাতে মোটা স্টীক, রকি পকেট থেকে মোবাইল টা বের করে কাকে যেন একটা মেসেজ পাঠায়। আবিরের দিকে চেয়ে দেখে আবির ভয় পেয়ে আছে, রকি আবিরের পিঠে হালকা বারি দিয়ে বলে -- আমরা এখান থেকে কোথাও যাবো না এখানে বসে থাকবো। (রকি)
• তুই কি পাগল হয়ে গেছিস, আমরা এখানে বসে থাকলে আমাদের কি করবে বুঝতে পারছিস,,চল এখান থেকে। (আবির)
আবির রা আর সেখান থেকে যেতে পারে না, এর আগেই নাহিদের ছেলেপেলে রা চলে আসে। নাহিদ তার ডান হাতে স্টীক টা নিয়ে বাম হাতে আস্তে বারি দিতে দিতে বলে..
• কিরে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাবস্তা করছিলি নাকি। (নাহিদ)
• পালিয়ে যাব কেনো, আবির হালকা ভয় পাচ্ছিলো তাই আমাকে চলে যাওয়ার জন্য বলছিলো.।(রকি)
• হাহাহাহাহা....আবির ভয় পাচ্ছিলো কিন্তু তুই ভয় পাচ্ছিলি না আমাদের দেখে। (নাহিদ)
• রকি মুচকি হেসে বলে -- তুমাদের ভয় পাওয়ার কি আছে, যার জন্য ভয় পাবো। (রকি)
• কালকে তো খুব ভাব নিয়ে বলে গিয়েছিলি আমার কথা শোনবি না। আজ এর উপযুক্ত শাস্তি দিবো তকে দেখবো বড় বড় কথা কোথায় যায়। (নাহিদ)
• এত চার পাঁচ টা ছেলে নিয়ে আমাকে মারার জন্য চলে এসেছো, হিহিহিহিহি... এরা আমাকে মারবে হাসি পাচ্ছে আমার। (রকি)
* নাহিদ স্টীক টা দিয়ে রকির বাম পায়ে জোরে একটা বারি মারে। রকি নিচে পরে যায়, কিন্তু ব্যাথায় কোনো চিৎকার করছে না, চোখ জোরা বন্ধ করে ব্যাথাটা সহ্য করে নেয়। নাহিদ রকির শার্টের কলার ধরে উঠায় মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলতে থাকে...
• কিরে কেমন ব্যাথা করে, একটু চিৎকার কর আমার মন টা যেন শান্তি পায়। তকে মারার জন্য আমি একাই যথেষ্ট, কিন্তু ওদের এনেছি আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য। (নাহিদ)
• হিহিহিহিহি.....আমি এত টাই দুর্বল না যে তর মতো ছেলে আমাকে মেরে দিবো,, আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর আমার ক্ষমতা দেখিয়ে দিবো৷ (রকি)
• তর ক্ষমতা,, হাহাহাহা,, এই ক্যাম্পাসে শুধু আমার রাজ্যত্ব চলে তর কোনো ক্ষমতা আজ কাজে লাগবে না। কথাটা বলে নাহিদ আবারো রকির ডান পায়ে বারি মারে। রকি কিছু বলে না, এই ব্যাথা যেন ওর কাছে কোনো কিছু না। নাহিদের কাছে রকির এই নিরব ভঙ্গি ভালো লাগতেছে না তাই সে উচ্চ সরে বলতে থাকে -- এই কুত্তার বাচ্চা তুই চিৎকার করছিস না কেনো, কি দিয়ে তৈরী তর শরীর, এত জোরে জোরে বারি মেরেছি তর কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। (নাহিদ)
রকি কিছু বলে না মুচকি হাসে। নাহিদ আবারো রকির শার্টের কলার ধরে উঠিয়ে কিছু বলতে যাবে তখনই ক্যাম্পাসের গেট দিয়ে তিন টা ব্ল্যাক কালারের গাড়ি আর পিছনে চারটা বাইক নিয়ে কিছু ছেলে প্রবেশ করে। প্রথম গাড়ি থেকে একটা ছেলে নামে পড়নে তার জিন্স জ্যাকেট, মাথায় কালো একটা রুমাল বাঁধা, মুখে জলন্ত সিগারেট। পিছনের গাড়ি গুলো থেকে এরকম অনেক ছেলে নেমে রকিদের কাছে আসতে থাকে। এতক্ষণে ভার্সিটি তে অনেক স্টুডেন্ট জমে গেছে। ছেলেগুলো কে দেখে নাহিদ বোকার মতো চেয়ে আছে আর রকি জোরে জোরে হাসতে থাকে। প্রথম গাড়ি থেকে নামা আরাফাত নামের ছেলেটা এসে পকেট থেকে একটা সিগারেটের পেকেট বের করে তার থেকে একটা সিগারেট রকির ঠোঁটে দেয়, লাইটার দিয়ে সিগারেটে আগুন লাগায়, রকি সিগারেট টা টানতে থাকে, আম গাছের নিচের পাকা মিনারের উপর আরাম করে বসে। সবাই অবাক হয়ে চেয়ে আছে, সবচেয়ে অবাক হচ্ছে আবির কারণ রকির এমন এটিটিউড দেখে। আশেপাশে থাকা কম বেশি সকল স্টুডেন্ট শক খায় রকির এমন এটিটিউড দেখে। রকি তার ডান হাত টা আরাফাতের সামনে ধরে, আরাফাত পিছন থেকে একটা পয়েন্ট 38 এর পিস্তল বের করে রকির হাতে দেয় আর সিগারেট টানতে টানতে নাহিদ কে উদ্দেশ্য করে বলে --
• কিরে নাহিদ অবাক হয়েছিস মনে হয়। হঠাৎ করে আমার এমন এটিটিউড দেখে, আসলে আমি চাই নি আজই এই শহরে আমার আসল পরিচয় প্রকাশ পাক কিন্তু ভাগ্য বলে যে কিছু একটা আছে, সে সব কিছু আজই শেষ করে দিতে চায়। তুই তর বাবার ক্ষমতা দেখিয়ে মানুষ কে ভয় দেখাস কিন্তু আমি আমার ক্ষমতা নিজে তৈরী করে দেখাই তাও আবার মানুষের ভালোর জন্য। খারাপ ধনী আর অহংকার দুটাকে আমি সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করি। আমি নিজে খারাপ কিন্তু যে খারাপ কাজ করে তাকে আমার পছন্দ না। আমি কে তুই হয়তো চিনিস না,, M.K নাম শুনেছিস কখনো আমি সেই মাফিয়া কিং গড ফাদার ইন বাংলাদেশ। (রকি)
রকির কথা শুনে নাহিদ ভয় পেয়ে যায় আর যেয়ে........
@@@ চলবে @@@
[ ব্লগে পোস্ট করলে মনে হয় অনেকে পড়ে না। আমি চেষ্টা করবো ফেসবুকেই পোস্ট করার। ] ধন্যবাদ
wait for the next part.
No comments:
Post a Comment
ok