মাফিয়া সিরিজ
#টোকাই যখন মাফিয়া কিং
#RAJA Bhuiyan.(মি.440)
# পর্ব:- ৩
...........
• আচ্ছা রকি তুমি তো নতুন তাহলে তোমাকে সহজ একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি-- অনেকেই বলে ধনীরা নাকি গরীবের হক মেরে খায় এই সম্পর্কে তুমার কি মতামত তুমি নিজ থেকে ব্যাখা করো। (স্যার)
“ রকি স্যারের প্রশ্ন শুনে মুচকি হাসে করণ প্রশ্নের উত্তর টা তার জানা আছে তাই সে বলতে থাকে-- স্যার সব ধনী লোক যে গরীবের কাছ থেকে তার হক মেরে খায় এটা আমি বলবো না,,কারণ মানুষের মধ্যে ভালো খারাপ আছেই। হয়তো কিছু লোক মনে করে গরীবের হক মেরে নিজে আরো ধনী হয়ে যাবে আবার কিছু লোক নিজের সম্পদ কমানোর জন্য গরীব দুঃখীদের দান করে দেয়। এই শহরে এমন অনেক প্রভাবশালী লোক আছে যারা গরীবের হক মেরে খায় কিন্তু দেখ গেছে কিছুদিন পর ই সে কোনো কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আমি জানি না কেনো ধনীরা গরীবদের সাথে এমন করে, তবে আমার জীবনের একটা বড় লক্ষ্য এই গরীব দুঃখীদের জন্য কিছু একটা করে যাওয়া। স্যার আমার অবস্থান টা যতই দূরে বা বড় হক না কেন গরীবের সাথে কেমন যেন একটা আত্নার সম্পর্কে প্রকাশ পায় আমার মাঝে। আমি এখানে কারো প্রিয় হওয়ার জন্য মিথ্যে মিথ্যে কথা বা উদ্দেশ্য করি নি যত টুকু পেরেছি নিজ থেকে উপস্থাপন করেছি,,ধন্যবাদ।( রকি)
• রকি তুমি ঠিক বলেছো আমাদের সবারই উচিৎ গরীবদের জন্য নিজের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।(স্যার)
রকি অনুমতি নিয়ে নিজের সিটে বসে ক্লাস সম্পূর্ণ করে। ক্লাস শেষ করে বাইরে বেড়িয়ে যায় আবির আর রকি। আজ প্রচন্ড গরম পড়েছে গ্রীষ্মের দুপুর সূর্য মাথার উপর সোজা কিরণ দিচ্ছে। রকি আর আবির আম গাছটার নিচে যেয়ে বসে আছে কারো মুখে কোনো কথা নেই পিনপিন নিরবতা বিরাজ করছে দুজনের মধ্যে, নিরবতা ভেঙে প্রথমে রকি বলা শুরু করে..
• কিরে আবির চুপ করে আছিস কেনো মন খারাপ নাকি।(রকি)
• না রে বসে বসে তর কথা চিন্তা করছি।(আবির)
• রকি অবাক হয়ে বলে-- আমার কথা আবার কি চিন্তা করছিস।(রকি)
• আবির মুচকি হাসি দিয়ে বলে-- তুই একজন ধনী পরিবারের ছেলে হয়েও গরীবের প্রতি তর কতো ভালো ভালো ধারনা। কিন্তু কিছু ধনী ছেলে মেয়ে আছে যারা গরীবদের যেন সহ্য করতে পারে না,, তুই তাদের তুলনায় কত আলাদা এটা চিন্তা করছিলাম।(আবির)
• আবির শুন -- যখন তর কাছে অনেক অনেক টাকা থাকবে, তখন তুই ভুলে যাবি যে তুই কে । আর যখন তর কাছে টাকা থাকবে না, তখন সমস্ত পৃথিবী ভুলে যাবে তুই কে।(রকি)
• রকি তুই কি জানিস তুই খুবই রহস্যময় কথা বলিস।(আবির)
• রকি মুচকি হাসে,, জানি আমি রহস্যময় কথা বলি কিন্তু তা বের করার জন্য রহস্যময় লোকের প্রয়োজন। (রকি)
• রকি সকালের সংবাদ দেখেছিস,, কাল রাতে কে বা কারা যেন আহাদ চৌধুরী কে মেরে পালিয়ে গেছে।(আবির)
• আহাদ চৌধুরী সেটা আবার কে, আমি তো চিনি না। তবে সকালে ভার্সিটিতে আসার সময় অনেকের মুখে বলতে শুনেছি আহাদ চৌধুরী নামে কাউকে সন্ত্রাসীরা মেরে পালিয়ে গেছে।(রকি)
• তুই ঢাকায় থাকিস আর আহাদ চৌধুরী কে চিনিস না। আহাদ চৌধুরী হচ্ছে ঢাকার টপ বিজনেসম্যান কিন্তু লোকটা বেশি ভালো ছিলো না।(আবির)
• কেনো ওনি আবার কি করেছে। (রকি)
• কিছু দিন আগে ওনার একটা বিল্ডিং ভেঙে পঞ্চাশ জনের মতো লোক মারা গেছে সবাই আমাদের বসতিতেই থাকতো,, মৃত শ্রমিকের পরিবার কে ক্ষতিপূরন হিসেবে দশ হাজার টাকা করে দিয়েছে। ওনার কাছে একজন গরীব শ্রমিকের জীবনের মূল্য মাএ দশ হাজার টাকা। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে আহাদ চৌধুরীর মৃত্যু হওয়াতে অনেকেই খুশি।(আবির)
• আমার কি মনে হয় আবির আহাদের খুন টা হয়েছে তার এই অপকর্মের জন্য। লোকটা কে দেখতেই কেমন জানি খারাপ খারাপ মনে হয়। (রকি)
• ঠিক বলিছিস তুই। রকি দেখ সামনে তাকিয়ে নাহিদ ভাই আমাদের হাতের ইশারায় ডাকছে,,চল আমরা এখান থেকে চলে যাই নয়তো ওনি কোনো না কোনো ঝামেলা করবে আমাদের সাথে।(আবির)
• সিনিয়র বড় ভাই ডাকছে এখনতো যেতেই হবে, যতই ঝামেলা করুক চল আমার সাথে।(রকি)
• কিরে আবির কতক্ষণ দরে তদের ডাকতেছি আসতে এত দেরি হলো কেনো। (নাহিদ)
• আবির মাথাটা নিচু করে জবাব দেয় -- ভাই হাতে ইশারায় ডাকছিলেন তো তাই বুঝতে পারছিলাম না কাকে ডাকছিলেন,,দুঃখীত ভাই। (আবির)
• হু বুঝতে পারছি, তা এই নতুন ছেলেটা কে ভার্সিটিতে নতুন এসেছে মনে হচ্ছে। (নাহিদ)
• জ্বি ভাই নতুন ভর্তি হয়েছে আমাদের সাথেই। (আবির)
• এই তর নাম কি, রকিকে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলে। (নাহিদ)
• ভাই ওর নাম রকি। (আবির)
• আমি তকে জিজ্ঞেস করছ। (নাহিদ)
• আবির মাথাটা নিচু করে বলে-- জ্বি না ভাই। (আবির)
• এই রকি তুই কি আমাকে চিনিস আমি কে। (নাহিদ)
• না ভাইয়া আমি আপনাকে চিনি না আর আমি তো কালকে মাএ ভর্তি হয়েছি কারো সাথে তেমন পরিচয় হয় নি,, তা এবার আপনার পরিচয় টা দিয়ে দেন। (রকি)
• আমি নিজের পরিচয় নিজে দিতে পছন্দ করি না। কিছু দিন ভার্সিটিতে ঘুরাঘুরি কর এমনিতেই আমার পরিচয় পেয়ে যাবি। (নাহিদ)
• ভাইয়া যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ কিছুর জন্য ডেকে থাকেন তাহলে বলেন, নয়তো আমারা চলে যাই । ( রকি )
• রকির কথা শুনে নাহিদ পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে জ্বালায় আর মুখের বিষাক্ত ধোঁয়া গুলো রকির মুখের উপর ছেড়ে দিয়ে বলতে থাকে-- বড় ভাই যখন ডাক দিয়েছি তাহলে সেটা গুরুত্বপূর্ণ কথাই হতে পারে। তকে আমি কাল থেকে দেখছি তুই ভার্সিটিতে এসে অনেক ভাব নিয়ে ঘুরাঘুরি করছিস, কালই বলতাম কিন্তু প্রথম দিন তাই কিছু বলি নি, আজ আবারও তুই একই ভুল করলি, কেনো ভার্সিটিতে এত ভাব দরে আসতে হবে কেনো। কাল থেকে যেন আমি এমন আর না দেখি আজ সাবধান করে দিলাম মনে থাকে যেন কথাটা, তরা এখন যেতে পারিস। (নাহিদ)
• রকি বুকের উপর ঝুলিয়ে রাখা চশমা টা ফু দিয়ে চোখে লাগিয়ে ভাব নিয়ে বলতে থাকে-- ক্যাম্পাসটা কারো বাবার না,, যার যেমন ইচ্ছে সে সেই ভাবে চলবে আর আমি কাল থেকে আরো বেশি করে ভাব নিয়ে ভার্সিটিতে আসবো দেখি আপনি আমার কি করতে পারেন। কথাটা বলেই আবিরে হাতটা ধরে টানতে টানতে চলে আসে সেখান থেকে । ( রকি )
• দেখছিস নাহিদ ছেলেটা কেমন খারাপ তর সাথে কেমন ব্যবহার করে গেলো এটা কিন্তু মানা যায় না,, কিছু একটা ব্যবস্তা করতে হবে। (সিয়াম)
• আমি দেখছি ব্যাপার টা তদের চিন্তা করতে হবে না,, ওর সব ভাব নেওয়া আমি বের করবো। ( নাহিদ)
আবির আর রকি এসে আবার আম গাছের নিচে বসে পরে, আবিরের চোখে ভয় বিরাজ করছে, কারণ নাহিদের সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করলে তার ফল ভালো হয় না৷ এখন যদি রকির এমন কিছু করে এটা ভেবেই আবিরের বুক কেঁপে উঠছে,,
• রকি তুই নাহিদের সাথে এমন না করলেও পারতি,, এর পরিমান কিন্তু ভয়ংকর হতে পারে মনে রাখিস আমার কথাটা । ( আবির)
• রকি মুচকি হেসে বলে -- আবির তকে আগেই বলেছি নাহিদ আমার কাছে কোনো ব্যাপার না, হাতের ময়লা। আর তুই এটা বল যে সামনে দিয়ে আসছে মেয়েটা কে। (রকি)
• আবির সামনের দিকে চেয়ে দেখে নীল রঙের জামা পড়ে একটা মেয়ে এদিকেই আসছে,, কিন্তু আবির মেয়েটাকে চিনতে পারছে না, আজই ভার্সিটিতে প্রথম দেখছে। তাই রকিকে বলে-- রকি মেয়েটা মনে হয় ক্যাম্পাসে নতুন, আগে তো কখনো দেখি নি। (আবির)
• মেয়েটার চেহারায় একটা মায়া কাজ করে, কেমন যেন ইনোসেন্ট ইনোসেন্ট ভাব রয়েছে তার মধ্যে। ( রকি)
• কি ব্যাপার রকি, মেয়েটা কে দেখে প্রেমে পড়ে গেলি নাকি। (আবির)
• আরে দূর আমি কি বলছি মেয়েটাকে ভালোবাসি, প্রথম দেখাতে কি ভালোবাসা হয়ে যায়। তবে মেয়েটা দেখতে খারাপ না, আমার পছন্দ হয়েছে এর সম্পর্কে আমার জানতেই হবে। (রকি)
• আরে সমস্যা নেই একই ভার্সিটিতে যখন পড়ে, মেয়েটার সম্পর্কে সব জানা যাবে। (আবির)
• আবির আর ক্লাস করবো না চল কোথাও থেকে ঘুরে আসি। (রকি)
• আরে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এখন ঘুরতে যাওয়া যাবে না। (আবির)
• আবির চল আমার সাথে ক্যাম্পাসে আর ভালো লাগছে না। বলে রকি তার বাইক টা নিয়ে আবিরের সামনে দাঁড়িয়ে বলে-- উঠ কাছেই একটা জায়গায় যাবো। (রকি)
• রকি ক্লাস ফাঁকি দিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে না। (আবির)
• আবির উঠ বলতেছি আমার কিন্তু রাগ হচ্ছে। ( রকি)
রকির জোড়াজুড়ি তে আবির বাইকের পিছনে উঠে বসে। রকি বাইক টা চালিয়ে শহর থেকে একটু দূরে একটা লেকের পাড়ে দাঁড় করায়। বাইক থেকে নেমে আবির অবাক হয়ে যায় এমন একটা মনোরম পরিবেশ দেখে। সামনে একটা বড় ঝিল, আশেপাশে গাছপালা, হিমেল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে চারিপাশে, এখানে এসে মন টা ভালো হয়ে গেছে তাই রকি কে উদ্দেশ্য করে বলে --
• রকি জায়গা টা খুবই সুন্দর,, কিন্তু তুই এমন জায়গার খুজ পেলি কিভাবে, আগেও আসছিস মনে হয়। ( আবির)
• রকি মুচকি হেসে জবাব দেয় -- আরে নাহ আমি আগে কখনো এখানে আসি নি,,এই জায়গার নাম অনেক শুনেছি তাই আসলাম তকে নিয়ে। (রকি)
আবির আর রকি কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে চলে আসে। আবির কে নামিয়ে দিয়ে চলে আসবে তখনই রকির মোবাইলে একটা কল আসে রকি বাইক টা থামিয়ে পিছনের পকেট থেকে মোবাইল টা বের করে হাতে নিয়ে দেখে স্কিনের উপর সোহেল নাম টা ভেসে উঠছে, রকি ফোনটা রিসিভ করে বলতে থাকে....
• সোহেল ঐদিকের কি অবস্থা। (রকি)
• বস শালাকে ধরে এনেছি, এখন কি করবো। (সোহেল)
• আমার আস্তানায় নিয়ে বেধে রাখ আমি আমার সময় চলে আসবো। (রকি)
আজকে ঢাকার সবচেয়ে ধনী এবং ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক নেতা ‘ আরিয়ান আহাম্মেদ কে ধরে আনার জন্য রকি কিছু ছেলে পাঠিয়েছে। আরিয়ান আহাম্মেদ কে ধরে আনার পর সোহেল নামের একটা ছেলে রকি কে ফোন দিয়ে জানায়। রকি মুচকি হেসে বাইক টা স্টার্ট দেয়।
“ সময় রাত ১১ টা ৪৫ মিনিট রকি BMW টা নিয়ে, তার পুরোনো আস্তানার সামনে দাঁড়িয়ে আছে,, বাইরে হালকা বৃষ্টি পড়ছে,, একজন ছেলে হাতে একটা ছাতা নিয়ে রকির গাড়ির গেট খুলে দিলো, রকি প্রথমে তার পা জোরা বের করে পরে মাথাটা বের করে। পড়নে তার কালো ড্রেস, কালো হাত মোজা উপরের অংশ কাটা,,লম্বা হুড ওয়ালা টুপি, কাটা মাক্স দিয়ে মুখটা ডাকা,, হাতের থাকা অর্ধেক জ্বলন্ত সিগারেট টা কয়েক বার জোরে টান দিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা রাস্তায় ফেলে রুমের দিকে যেতে থাকে। ছেলেটা ছাতা টা বন্ধ করে রুমের সাটার টা খুলে,, রকি ভিতরে প্রবেশ করে, চল্লিশ ওয়াটের একটা বাল্বে ছোট আটকা রুম টা হলদে আলোয় আলোকিত হয়ে গেছে,, সামনে চেয়ারের সাথে বাঁধা আরিয়ান আহাম্মেদ, তার চোখে মুখের অবস্থা বেশি ভালো না, চোল গুলো কপালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, ডান গালে মনে হয় কেউ জোরে চড় দিয়েছে যার কারণে ঠোঁটের কোণায় রক্ত জমাট বেঁধে কালো হয়ে গেছে। আরিয়ান কে শক্তিশালী ড্রাক্স পুশ করার জন্য, তার এখনো জ্ঞান ফিরে নি তাই রকি হাতের ইশারায় পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা আরিফ নামের ছেলেটাকে আরিয়ানের মুখে পানি মারার জন্য ইশারা দেয়। আরিফ আরিয়ানের মুখের উপর পানি দেয়,, যার ফলে সে কিছুক্ষণ পর চোখ মেলে তাকায় আর নিজেকে চেয়ারের সাথে বাঁধা অবস্থায় আবিষ্কার করে। আরিয়ান এটা দেখে উত্তেজিত কন্ঠে বলে--
• ভাই কে আপনারা আর আমাকে এখানে ধরে এনে বেঁধে রাখার মানে কি?? আমার সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে আপনাদের, দেখেন ভালোই ভালোই বলছি আমাকে ছেড়ে দেন, নয়তো আপনাদের সবগুলোর এমন অবস্থা হবে যা ভাবতেও পারবেন না। (আরিয়ান)
• রকি মুচকি হেসে বলতে থাকে -- আমি কে সেটা তর জানা লাগবে না। তুই কে সেটা সবাই ভালো করে জানে কিন্তু কি বলতো আমার জগৎে সবাই আমাকে ভয় পায় আর আমার কথা শোনে এবং মানে। তর ক্ষমতা সম্পর্কে সবার ধারনা আছে কিন্তু এখানে তর কোনো ক্ষমতাই কাজে লাগবে না, এটা আমার আস্তানা, এখানে আর কথা শোনবে সবাই তকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। (রকি)
• আমাকে এখানে ধরে আনার কারণ কি, আমার ভুল বা দোষ কি?? (আরিয়ান)
• এত অস্থির হচ্ছিস কেনো, আমি বলবো তুই শোনবি তর কি দোষ বা ভুল। তুই তো ঢাকার টপ ধনীর মধ্যে একজন আবার রাজনীতিও করিস। কিন্তু এত টাকার পাহাড় বানালি কিভাবে। (রকি)
• আমার একটা ছোট বিজনেস আছে সেটা থেকেই আর পার্টি থেকে পাটনারশিপ পাই এগুলো দিয়েই তৈরি করেছি। (আরিয়ান)
• রকি জোরে হাসতে হাসতে বলে -- তুই যে মিথ্যা কথা বলছিস সেটা তর চেহারার হাব ভাব দেখেই বুঝা যাচ্ছে। (রকি)
• আমি সত্যি বলছি বিশ্বাস করুন আমাকে,, এগুলো ছাড়া আর কোনো ইনকাম করার সোর্স নেই আমার। (আরিয়ান)
• কথাটা শুনে রকি রেগে যায়, পাশে থাকা শক্ত স্টীক টা দিয়ে আরিয়ানের বাম হাঁটু তে জোরে একটা বারি মেরে বলে-- আমি তর সম্পর্কে সব কিছু জানি তাই তর সব অপকর্মের কথা তুই নিজের মুখে শিকার করবি এই জন্য তকে প্রশ্ন টা করেছি। আমি মিথ্যা বাদি কে একদম পছন্দ করি না আর যারা বেশি কথা বলে তাদেরকেও পছন্দ করি না। তুই ঢাকার নামকরা একজন রাজনৈতিক নেতা, তুই মানুষের সেবা করবি কোনটা করলে তাদের জন্য ভালো হবে সেটা করবি কিন্তু তুই কি করিস,, স্মাগলিং করিস, গরীবের হক মেরে খাস,,মনে আছে ধানমন্ডি তে একটা ছোটো খাটো বসতি ছিলো গরীব দুঃখীদের বাসস্থান ছিলো কিন্তু তুই কি করলি সরকারি একটা বড় প্রজেক্টের জন্য সব গরীব দুঃখীদের সেখান থেকে বের করে দিলি। এই কাজ টা করার পর থেকেই আমার চোখে পরে গিয়েছিলি তকে ছোট একটা চান্স দিয়েছিলাম কিন্তু তুই দ্বিতীয় বার একই ভুল করলি। এখন বল এগুলোর জন্য তকে কি শাস্তি দেওয়া যায়। (রকি)
• ভাই আমাকে ছেড়ে দেন আমার দ্বারা এমন ভুল দ্বিতীয় বার আর হবে না। (আরিয়ান)
• কথাটা শুনে রকি উচ্চ সরে হাসতে হাসতে বলে..........
@@@ চলবে @@@
[ আপনারা যদি সাপোর্ট না করেন তাহলে কিভাবে আমি গল্প লিখবো। যদি ভালো মন্তব্য করেন তাহলে ইনশাআল্লাহ পরের পাঠ তাড়াতাড়ি দিবো।] ধন্যবাদ
wait for the next part.
রহস্য
ReplyDelete