রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ
# খুনী দ্যা মাস্টার মাইন্ড
#লেখক: RAJA Bhuiyan. (মি.440)
পর্বঃ >> ২৩ <<
..................
“ আপু আপনি এত রাতে আমার রুমে কি করছেন ”কথা টা বলে রাফি উওরের অপেক্ষায় চেয়ে থাকে নুসরাতের দিকে।
নুসরাত আজ অনেক কিছু জানার জন্য রাফির কাছে আসে,, কিন্তু এসে দেখে রাফি রুমে নেই তাই সে নিজেই রুমে ডুকে রাফির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।কিছুক্ষন পর রাফি রুমে প্রবেশ করলে নুসরাত কে দেখে কথাটা বলে। রাফির কথা শুনে নুসরাত অবাক হলো না। নুসরাত মুচকি হেসে বলে-- আমাকে আপু বলা লাগবে না। আর এখন রাত কোথায় তর জন্য তো এটা সকালই।(নুসরাত)
• রাফি একটু অবাক হয়ে বলে-- আপনি আমার বড়,,আবার বড়লোক বাবার একমাত্র মেয়ে আপনাকে আপু না বল্লে আর কি বলবো। আমার জন্য এখন সকাল হতে যাবে কোনো,,আপনার জন্য রাত যা আমার জন্যও তো একই। সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি বন্ধ রুমে ডুকলেন কি করে। (রাফি)
• নুসরাত রাফির মুখের সামনে চাবির ছড়াটা ঝাকাতে ঝাকাতে বলে--রাফি আমার মনে হয় না আমি তর থেকে বেশি ধনী হবো। এই চাবি টা দেখছিস এটা দিয়ে রুমে ডুকেছি,, তর সাথে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। (নুসরাত)
• রাফি বলে-- জ্বি আপু বলেন কি গুরুত্বপূর্ণ কথা।
• নুসরাত বিছানার উপর থাকা সিগারেটের পেকেট থেকে একটা সিগারেট জ্বালায় আরেকটা সিগারেট রাফির দিকে ঢিল দেয়। রাফি সিগারেট টা ঠোঁটে চাপে আর পাশে থাকা চেয়ার টা টেনে বসে পরে। নুসরাত হেসে বলে - তাহলে রাফিন কি অবস্থা তর।(নুসরাত)
• রাফি চমকে উঠে কথাটা শুনে-- আমতা আমতা করে বলে- আপু রাফিন কে।(রাফি)
• নুসরাত ধোঁয়া গুলো উপরের দিকে ছেড়ে বলে-- আমি জানি তুই রাফি না রাফিন যে কি না রাফিয়ান শহরের মাইন্ড গেমার। কথাটা বলে নুসরাত বিছানার পাশ থেকে ব্যাগ টা বের করে রাফির সামনে রাখে। রাফি কি বলনে বুঝতে পারছে না সে তার মাথাটা ঠান্ডা করে নুসরাত কে বলে-- আপু আমি রাফিন হতে যাবো কেন আমি তো রাফি আর আপনি আমার ব্যাগ ধরছেন কেনো।(রাফি)
• রাফিন আমি সব জেনে গেছি আর তর ব্যাগ তো আমি আগেই চেক করেছি। হঠাৎ ভার্সিটিতে ২য় বর্ষে ক্ষেত গরীব একটা ছেলে ভর্তি হয় যার রেজাল্ট খুবই খাবাপ আবার ভার্সিটির ভিপি রাকিব ভাই তকে দেখে ভয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা,, ঐই দিন সজিব যখন তকে র্যাগ দেয় তখন কেউ কিছু বল্লো না কিন্তু পুলিশ অফিসার তকে বাচিয়ে নিলো তুই সেটা দেখে মুচকি হেসেছিলি,,পরের দিন সকালে সজিবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, কিন্তু তিন ধরে তকে আর দেখা যায় না, আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ঐই দিন রাতে জঙ্গলে ছেলেগুলো কে মারার সময় আমিই গাছের আরালে দাঁড়িয়ে সব কিছু দেখছিলাম,,তো মি. রাফিন তুই এখন যতই না করিস বা নাটক করিস এখন লাভ হবে না কারণ তুই ধরা পরে গেছিস। কথাটা বলে জোরে সিগারেটে একটা টান দেয় নুসরাত। রাফি সময় নষ্ট করতে চায় না তাই পিছন থেকে গান টা বের করে নুসরাতের মাথার দিকে তাক করে, সিগারেট টা টান দেয়। ট্রিগারে চাপ দিবে কিন্তু তা আর পারে না এর আগেই নুসরাত চোখের পলকে রাফির হাত থেকে গান টা নিয়ে রাফির কপাল বরাবর তাক করে। রাফির কেবল মুখ টা হা হয়ে যায়,, এমন ভাবে তার হাত থেকে গান টা নিয়ে নিবে ভাবতে পারে নি রাফি। নুসরাতের মোবাইলে একটা মেসেজ আসে, বিছানার উপর থেকে মোবাইল টা নিয়ে মেসেজ টা পড়তে থাকে,, মেসেজ টা পড়া শেষ হলে নুসরাত জোরে জোরে হাসতে থাকে আর বলতে থাকে, আমি মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসি না তবে যারা মাইন্ড গেম খেলে তাদের খুঁজে বের করা আমার কাজ তকে একটা সুযোগ দিলাম, দ্বিতীয় বার সুযোগ টা নাও পেতে পারিস।(নুসরাত)
• নুসরাত বাইরে চলে যাবে এমন সময় রাফি হাসতে হাসতে বলে-- রাফিন কে সুযোগ দেওয়ার মতো কেউ এখনো জন্ম নেয় নি, এখন তর সাথে একটা ছোট মাইন্ড গেম খেল্লাম জানিস সেটা কেমন কথাটা বলে বিছানার উপর থেকে গান টা নিয়ে গুলি করে কিন্তু কোনো বুলেট বের হয় না আবারও তিনটা গুলি করে কিন্তু সব গুলো গুলিই মিস ফায়ার হয়। নুসরাত বুঝতে পারছে না কেনো পিস্তল থেকে বুলেট বের হলো না। রাফি মুচকি হেসে বলে-- অবাক হচ্ছিস তাই তো কেনো বুলেট বের হয় নি তার কারণ এই পিস্তলে কোনো বুলেট ছিলো না,,এটাই আমার মাইন্ড গেম আর না শিখিয়া ওস্তাদি করিও না।(রাফি)
• নুসরাত রাফির মাস্টার মাইন্ড গেম দেখে অবাক হয়ে যায়। নুসরাত রাফিকে বলে-- রাফসান কে বাঁচাতে চলে যা। কথাট বলে দাঁড়ায় না আর চলে যায় নুসরাত। রাফি পিছনে দাঁড়িয়ে ভাবতে থাকে কি বলে গেলো নুসরাত। রাফি পেকেট থেকে মোবাইল ফোন টা বের করে কাকে যেন কল দেয় কিন্তু ঐই পাশের মোবাইলটা বন্ধ দেখাচ্ছে রাফি অস্থির হয়ে যায়।
..
“ ভাইয়া তুমি এখানে এসো না, মেরে ফেলবে তুমাকে রাফসান ভাই কে নিয়ে চলে গেছে ”
রাফি উওেজিত হয়ে সাকিব কে ফোন দেয়,, তিন বার রিং হওয়ার পর সাকিব ফোন ধরে কান্না করে কথা গুলো বলতে থাকে। রাফির বুকের ভিতর ধুকপুক ধুকপুক করছে হালকা ভয়ের আভাস পাচ্ছে সে হয়তো আজই শেষ হতে যাচ্ছে মাস্টার মাইন্ড গেমের গুটির তালিকা। রাফি আনাফ সাহেবের বাসা থেকে বেড়িয়ে পরে সাকিবদের উদ্দেশ্য,, প্রতিদিনের মতো আজও রাফির জন্য একটা কালো রঙের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। রাফি দেড়ি করতে চায় না গাড়ির ভিতর বসে পরে গন্তব্য এখন সাকিবদের কাছে,,রাতের হালকা চাঁদের আলোয় বুঝা যাচ্ছে সামনে কিছু লোক রাস্তায় শুয়ে আছে, রাফি গাড়ি থেকে নেমে গান টা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়,,যেয়ে এমন একটা দৃশ্য দেখার জন্য সে প্রস্তুত ছিলো না। আজমির কে কেউ গুলি করে মেরে দিয়েছে, ওসমানের শরীর খেকে মাথাটা আলাদা করা, রফিকের বুকে মধ্যে কেউ ছুরি দিয়ে অনেক গুলো আঘাত করেছে, সাকিব কে হাতে পায়ে গুলি করা হয়েছে, রাফি সাকিব কে ধরে ঝাকাতে ঝাকাতে থাকে সাকিব রক্ত মাখা মুখ দিয়ে হালকা করে ছোট একটা হাসি দিয়ে বলে-- ভাইয়া তুমাদের সাথে অনেক দিন কাজ করছি আমাদের অনেক স্নেহ করেছো কিন্তু আমরা রাফসান ভাইকে বাঁচাতে পারলাম না তুমি চলে যাও শহর থেকে ওরা সবাই তুমাকে মেরে দিবে চলে যাও। (সাকিব)
• রাফি জোরে চিৎকার করে বলে-- সাকিব কিছু হবে না তর আমি তকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো, বলেই সাকিব কে পাজা কোলে উঠাতে যাবে, তখন কোথা থেকে যেন একটা স্নাইপারের বুলেট এসে সাকিবের শরীরে লাগে,, সাকিব জোরে চিৎকার দিয়ে বলে-- ভাইয়া কোনো বেইমান কে বাঁচতে দিবে নাহ..... সাকিব আর কিছু বলতে পারে না, রাফির কোলে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যায়। রাফি জোরে চিৎকার দিয়ে কান্না করে দেয় কারণ রাফি আর রাফসান সবাইকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতো কিন্তু আজ এমন একটা দিন দেখতে হবে ভাবতেই পারছে না রাফি, অজরে কান্না করতে থাকে। রাফির চোখ যায় দূরে পড়ে থাকা কাগজের টুকরার দিকে,, বসা থেকে উঠে কাগজটা হাতে নেয়, পাশে আবার একটা ভয়ংকর ট্যাটু আঁকা যার ব্যাখা রাফির ভালো করেই জানা।
“ মাইন্ড গেম খেলতে ভালোবাসি আমি আবার খেলাতেও ভালোবাসি,, হবে আজ গেম বেঁচে থাকবে আসল মাফিয়া যার অস্তিত্ব ছড়িয়ে যাবে সবখানে ”... হিহিহিহিহি
কাগজের রহস্যময় কথা পড়ে রাফি ভাবতে থাকে কে লিখলো কথা গুলো কাগজের পিছনের দিকে একটা ঠিকানা দেওয়া আছে রাফি রওনা দেয় ঠিকানার উদ্দেশ্য.........
.......
পূর্নিমার আলো ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে হিমেল হাওয়ার গতিবেগ পরিবর্তন হচ্ছে,, চাঁদের আলোয় রাজের জ্ঞান ফিরে নিজেকে চেয়ারের সাথে বাঁধা অবস্থায় আবিষ্কার করে সে। চোখ জোরা দিয়ে চারিদিকের পরিবেশ টা দেখছে রাজ,, আশেপাশে কিছু গাছপালা আছে মধ্যে খোলা মাঠ চাঁদের আলোয় জায়গাটা অনেক টুকু স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে,, কিছু ছেলে হাতে AK47 নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, দূরে বসে আছে কিছু পরিচিত মুখ। রাজের চোখের সামনে সকালের দৃশ্য টা ভেসে উঠে,, পিছন থেকে কেউ শক্ত কিছু দিয়ে বারি দেওয়ার কারণে রাজ অজ্ঞান হয়ে যায়, এর পর কি হয়েছিলো জানা নেই রাজের। রাজের জ্ঞান ফিরেছে দেখে একটা ছেলে, সামনে বসে থাকা কালো পাঞ্জাবি পড়া আগন্তুক কে ডাক দেয়। আগন্তুক টা পিছন থেকে ডাক শুনে সেদিকে তাকায়,, আগন্তুক টা কে দেখে রাজের মুখ থেকে একটা শব্দ বেড়িয়ে আসে-‘ সালমান ’। রাজ যেন এটা বিশ্বাস ই করতে পারছে না সালমান তার সাথে এমন করবে,, রাজের কাছে মনে হচ্ছে সে শুধু শুধু মাইন্ড গেম খেলছে, নিজের কাছে কেমন যেন হিংস্রতা আর ভয় কাজ করছে কিন্তু শএুর সামনে তা প্রকাশ করা যাবে না। তাই রাজ দাঁতে দাঁত চেপে বলতে থাকে-- সালমান আমাকে এখানে ধরে আনার মানে কি, তুই জানিস না আমার এগুলো পছন্দ না।(রাজ)
• সালমান পিছন থেকে চেয়ার টা টেনে পায়ের উপর পা তুলে বসে, সিগারেটের পেকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে জ্বালায় আর এক মনে টানতে থাকে, দুজন দুজনের অনেক পরিচিত মাস্তানী শহরের দুই সিংহ সামনাসামনি বসে আছে কারো পরিচয় এই শহরে পুলিশ অফিসার রাজ হিসেবে আবার আরেকজনের পরিচয় শহরের বড় সন্ত্রাস সালমান ভাই হিসেবে। সালমান হাসতে হাসতে বলে-- মাফিয়া কিং, রাফিয়ান সিটির কিং, মাস্টার মাইন্ড গেমার,(রাফসান ভাই) এখন বাঁধা রক্তাত্ব শরীর নিয়ে অামার সামনে বসে আছে। ভাবা যায় বিষয় টা যেখানে কি না রাফসান ভাই নিজের ভাগ্য টা নিজেই লেখে, কিন্তু আফসুসের বিষয় হলো নিজের মাইন্ড গেমে নিজেই ফেঁসে গেলে রাফসান ভাই,,কথাটা বলে হাসতে থাকে সালমান।( সালমান)
• সালমানের কথা শুনে রাজ মুচকি হাসে কিন্তু হাসিটা প্রকাশ করে না। সালমান কে উদ্দেশ্য করে বলে-- সালমান তুই হয়তো জানিস আমি কেমন মাইন্ড গেমার আমাকে বেকাপ দেওয়ার জন্য আমার পিছনে একটা BaD man আছে,,কিন্তু তর কিছু ছেলে আর কিছু অস্ত্র নিয়ে রাফসানের সাথে এসেছিস যুদ্ধ ঘোষণা করতে। সে আসবে আর আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাবে, সালমান আগের বার তকে দ্বিতীয় বার সুযোগ দেওয়াটা আমার বড় ভুল ছিল কিন্তু আমি এবার আর কোনো ভুল করতে চাই না। (রাজ)
• রাজের কথা শুনে বাঁকা হাসে সালমান। রাফিন মাস্তানী শহরের টপ মাস্টার মাইন্ড গেমার, যার মাইন্ড গেম দিয়ে রাফিয়ান জগৎের সমস্ত গুটি সাজানো হয়। রাফসানের ভাই, কিন্তু রাফসান কে অনেকে দেখে থাকলেও রাফিনকে খুবই কম দেখা যায়। যার আভাস পাওয়া যায় ঝড়ের বেগে,, রাতের আধারের এসেই রাতের আধারের মিলিয়ে যায়,,মাস্তানী টাও যেন কম যানে না। সালমান রাফিন কে নিয়ে কিছুটা চিন্তিত কিন্তু রাজ কে তা বুঝতে দেওয়া যাবে না তাই সে বলে-- রাফিন,, হাহাহাহাহা.. আসলে আমি ভেবেছিলাম রাফিন হয়তো বড় মাইন্ড গেমার কিন্তু আসলে সে কোনো মাইন্ড গেমারই না,, ভুল ভুল আর অন্ধ বিশ্বাস করাটা জীবনের কোনো একটা সময় বড় সমস্যায় ফেলতে পারে। ঠিক তেমনই রাফিন কে একটা গোলক ধাঁধাঁর মধ্যে ফেলে দিয়েছি যা থেকে চাইলেও সে বেড়িয়ে আসতে পারবে না।(সালমান)
..
“ বেইমানি টা ভালোবাসার মানুষের সাথে করলে জমে না কিন্তু মাস্তানীর শহরে করলে সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যায় ”
পিছন থেকে কেউ কথাটা বলে, কন্ঠ টা রাজের অতি পরিচিত তাই সে মাথাটা হালকা ঘুড়ায়, মুখে লম্বা মোটা সিগারেট জ্বলছে , গলায় সোনালী কালারের মোটা চেইন, সাদা শার্ট হাতা গুলো ভাঙানো, চাঁদের আলোয় চেহারা টা স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে ছেলেটা ফরহাদ। রাজ অবাক হয়ে যায় ফরহাদ কে এখানে দেখে, তাহলে সেই দিনের রহস্যময় কথাটার মানে এটাই যে ফরহাদ ক্ষমতার লোভে রাজের সাথে বেইমানি করবে কিন্তু রাজ বুঝতে পারছিলো না ফরহাদ এমন একটা মাস্টার মাইন্ড খেল্লো তার সাথে। ফরহাদ সিগারেট টানতে টানতে সালমানের পাশে দাঁড়ায় পাশ থেকে একটা ছেলে চেয়ার এনে দিলে পায়ের উপর পা তুলে বসে।
• কেমন লাগলো আমার মাইন্ড গেম টা। তর মাইন্ড গেম দিয়েই তকে নিজের জালে ফাঁসিয়েছি।(ফরহাদ)
• রাজ রাগে বাম পা টা দিয়ে মাটিতে হিট করে বলতে থাকে -- ফরহাদ আমাকে এখনই মেরে দে নয়তো সময় যত বাড়বে আমার মাইন্ড গেম তত বেড়ে যাবে। হয়তো কিছুক্ষন পর এখানে কেউ বেঁচে থাকবি না,,তুই জানিস আমি শত্রু কে ছেড়ে দিলেও বিশ্বাসঘাতকে ছাড়ি না।(রাজ)
• সালমান আর ফরহাদ রাজের কনফিডেন্স দেখে হালকা অবাক হয় কিন্তু তা প্রকাশ করে না। সালমান হালকা হাসে, তুই চিন্তা করিস না রাফসান রাফিন আসলেই দুটা কে একেবারে মেরে দিবো। (সালমান)
• পৃথিবীতে সবাই ধোঁয়াসার মধ্যে বাস করি তুই হয়তো জানিস রাফসান আর রাফিন কে পিছন থেকে মারার সাহস সবারই থাকে কিন্তু সামনে এসে ফুলের টুকা দেওয়ার সাহস কারো নেই।(রাজ)
• কথাটা শুনে সালমান রেগে রাজের বাম গালে কষে একটা চড় মারে। রাজের গায়ে সকালের সাদা গেঞ্জি টা এখনো পরা, সাদা কালারের গেঞ্জি লাল রক্তের ছেয়ে গেছে। সালমানের চড় খেয়ে রাজের ঠোঁট কেটে রক্ত বের হতে থাকে, হালকা লম্বা চুল গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কপালের আশেপাশে মুখে হালকা বড় বড় ঘন কালো দাঁড়ি, মুখে লেগে আছে রক্ত এখন রাজকে পুরো মাস্তানী জগৎের রাফিয়ান মনে হচ্ছে। সালমানের চড় মারা দেখে ফরহাদ বলে-- বাচ্চা ছেলেকে কেউ এমন করে চড় দেয়, তুমিও না সালমান একে হাত দিয়ে মারবো না মাইন্ড দিয়ে মারবো তাহলেই মজা পাবো। (ফরহাদ)
• ফরহাদ স্যার ওনি এখনো আসছে না কেনো আমার আর ভালো লাগতেছে না মন চাচ্ছে এখনই মেরে দেই কুত্তার বাচ্চা টা কে। (সালমান)
• আরে সালমান অপেক্ষা করো জানো তো একটা কথা, অপেক্ষা করার ফল মিষ্টি হয়।(ফরহাদ)
* দূর থেকে গাড়িট হলদে আলোয় বুঝা যাচ্ছে কেউ আসতেছে। সাদা কালারের গাড়ি টা এসে রাজদের পাশে থামে গাড়ি থেকে একটা আগন্তুক নামে রাজ আগন্তুক টা কে দেখে অবাকের শেষ পর্যায় চলে গেছে. এমন একজন কে এখানে দেখবে ভাবতে পারছে না............
@@@ চলবে @@@
[ এই গল্প টা কিছু দিন বন্ধ থাকবে যার জন্য আমি অনেক দুঃখীত। সবাই গঠন মূলক কমেন্ট করবেন আশা করি ]
wait for the next part.
No comments:
Post a Comment
ok