রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ
খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড
লেখক:RAJA Bhuiyan.
পর্ব:~~( ১৮ )~~
........................
রাত ১২ টার দিকে কে এই ভাবে বাসা থেকে বের হতে পারে বুঝতে পারছে না নুসরাত,, তাই সে দৌড়ে নিচে চলে আসে, নুসরাত কে হাঁপাতে দেখে মফিজ মিয়া নুসরাত কে জিজ্ঞেস করে।
• আপা মনি আপনি এভাবে দৌড়ে কই যাইতাছেন। (মফিজ)
• নুসরাত মফিজ মিয়া কে একদম সহ্য করতে পারে না তাই সে রেগে বলে- সেটা কি তোমাকে বলতে হবে,,তুমি আগে বলো এত রাতে তুমি কাকে গেট খুলে বাইরে যেতে দিছো।( নুসরাত)
• নুসরাতের এমন রাগ দেখে মফিজ মিয়া ভয় পেয়ে যায় তাই সে আমতা আমতা করে জবাব দেয় --অ.আপা মনি ঐই টা তো ছিল রাফি,, আর সে তো মাঝে মধ্যে ই রাতে বাইরে বের হয়ে যায়। কথাটা শোনা মাএ নুসরাত গেট টা খুলে বেড়িয়ে পরে রাফির পিছনে পিছনে। নুসরাত একটা জিনিস বুঝতে পারছে না যে রাফি এত রাতে কোথায় যায়। ল্যামপোস্টের আলোয় দেখা যাচ্ছে রাফি তার পেন্টের পকেট থেকে ফোন টা বের করে কাকে যেন ফোন দিয়ে কথা বলছে। হঠাৎ ই রাফির সামনে কালো একটা গাড়ি এসে থামে,, নুসরাত লুকিয়ে পরে যাতে কেউ তাকে দেখতে না পারে। রাফি সেই কালো গাড়ির ভিতর ডুকে পরে,,নুসরাত ভাবতেও পারে নি রাফির মতো ক্ষেত, ছেলে এমন দামি গাড়ি তে উঠতে পেরেছে। নুসরাত আর এক মূহুর্ত দেরি না করে গাড়ির নাম্বার টা নোট করে নেয়,,লোকেশন টা অন করে মোবাইলে কানেক্ট করে নেয়। জোরে জোরে দৌরে বাসায় চলে আসে,,পছন্দের গাড়িটা বের করে লোকেশন ট্র্যাকিং করতে করতে রাফির গাড়ির পিছনে যেতে। নির্জন রাস্তা সামনে রাফির গাড়ি ২য় নাম্বার গাড়িটা নুসরাতের কিন্তু হঠাৎ একটা মোড় পেরুতে পর পর দুইটা গাড়ি নুসরাতের পিছনে পরে যায়। নুসরাত বুঝতে পারছে না এখানে আসা তার ঠিক হয়েছে কি না। রাফির গাড়িটা যেতে যেতে নির্জন জঙ্গল এলাকায় এসে থামে। নুসরাতও রাফির গাড়ির থেকে কিছু দূরে গাড়িটা থামায়,, কিন্তু নুসরাত তার গাড়ি থেকে নামে না। নুসরাত পিছনের দিকে চেয়ে দেখে তার গাড়ির পরের দুইটা গাড়ি নেই। রাফির গাড়ি থেকে তিন টা ছেলে নামে, ছেলেগুলো জিন্স জ্যাকেট, স্টাইলিস ছেড়াঁ পেন্ট, মাথায় লাল রুমাল বাধাঁ দেখতে পুরা বখাটেদের মতো লাগছে। কিন্তু রাফি নামছে না, কিছুক্ষণ পর একটা লোক গাড়ি থেকে নামে, নুসরাত অবাক হয়ে সেদিকে চেয়ে থাকে কেননা লোকটার পরনে মাফিয়াদের স্টাইলের সব কিছু পড়া। চার জন লোক সামনের দিকে এগিয়ে যায়। নুসরাত বুঝতে পারছে না রাফি কোথায় গেলো সে তো এই গাড়ির ভিতরেই ছিলো তাহলে কই গেলো সে। নুসরাত দৌড়ে সামনের গাড়ির কাছে চলে আসে কিন্তু সে দেখতে পায় গাড়ির ভিতর কেউ নেই তাহলে রাফি কই। নুসরাত আর কিছু না ভেবে সামনের দিকে এগিয়ে যায় লোকগুলোর পিছন পিছন।
..
“ এই কে তুই আমাদের এখানে কেন নিয়ে এসেছিস,, ফরহাদ স্যার যদি জানে তুই আমাদের এখানে ধরে এনে বেঁধে রেখেছিস তাহলে তদের একটা কেও ছাড়বে না”।
• হিহিহিহিহিহি.....ইমন নামের ছেলেটির কথা শুনে সামনে বসা আগন্তুক টা উচ্চ সরে হাসতে থাকে। ফরহাদ আমাকে মারবে সেটা কিভাবে সম্ভব আমি তো খুন করে কোনো প্রমাণ রেখে যাই না, তাহলে। (আগন্তুক)
• সোহান নামের ছেলেটা জোরে বলে উঠে-- রাফসান ভাইয়ের কানে যদি খবর টা যায় তাহলে কিন্তু পরেরটা আর নাই বল্লাম।(সোহান)
• হিহিহিহিহি.... রাফসান তাকে কি তোরা কখনো দেখেছিস।
• রাফসান ভাই কে দেখা লাগে না, তার কথা বলে সব মায়েরা তাদের সন্তান কে ঘুম পাড়ায়,,আর তুই বলছিস তাকে দেখা লাগে না কি..(ইমন)
• আগন্তুক টা টেবিলের উপর থাকা সিগারেটের পেকেট আর পিস্তল টা নাড়াতে থাকে। সিগারেটের পেকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে তার ঠোঁটে চাপে,,ডান হাত দিয়ে গান টা কে নাড়তে থাকে। আগন্তুক টা সাকিব নামের ছেলেটা কে হাতের ইশারায় বল- ওর বাঁধন টা খুলে দে।
• আগন্তুকের কথা শুনে সাকিব ওর বাঁধন খুলে দেয়। ভাইয়া এখন এই তিনটা কে কি করবো।(সাকিব)
• আগন্তুক টা একটু হাসে কিছু না বলে পর পর দুই টা গুলি করে বাঁধা দুইজন ছেলের মাথায় যেয়ে লাগে ছেলেদুটির চোখ জোরা যেন বেরিয়ে আসার উপক্রম।
• বাঁধা থেকে মুক্তি পাওয়া ইমন যেন এটা দেখে উওেজিত হয়ে গেছে সোজা যেয়ে আগন্তুকের কালার ধরে ঝাকাতে থাকে আর বলতে থাকে -- তুই এটা কি করলি কুওার বাচ্চা এদের মেরে দিলি কেনো। (ইমন)
• আগন্তুক টা একটু হেসে জবাব দেয়- রাফির কলার ধরা মানে বাঘের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা। বলেই শক্ত বুট দিয়ে সজোরে ইমনের তলপেটে লাথি মারে,, ইমন দূরে ছিটকে পরে যায়। আগন্তুক টা বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ইমনের সামনে এসে হালকা নিচু হয়ে বলে- মাফিয়া জগৎ মানে হচ্ছে রক্তের খেলা। সব রাফিয়ান রা রক্তের নেশায় মেতে উঠে,,সবার একটাই কথা হয় মারো নয় মর। তুই ও এই জগৎের একজন তাই তকেও মৃত্যুর সামনে দাঁড়াতে হবে। যেমন আজ দাঁড়িয়ে আছিস, মৃত্যু কে কখনো ভয় পাবি না। তুই যদি মৃত্যুর সামনে থেকে বেঁচে যেতে পারিস তাহলে মনে করবি তর আবার চান্স এসেছে তা তুই কাজে লাগাবি কিন্তু আজ... আগন্তুক টা আর বেশি কিছু না বলে সোজা ইমনের বুকে তিনটা গুলি করে। ইমন যেন ভয়ক্রান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আগন্তুকের দিকে। আগন্তুক টা তার মাথা থেকে হুড ওয়ালা টুপি টা আস্তে আস্তে খোলে মুখ থেকে কাটা মাক্স টাও খুলে লাশের পাশে ফেলে চলে আসে গাড়ির দিকে। গাড়িতে উঠবে তখনই দেখতে পায় সাদা ড্রেস পড়া কেউ যেন ওখানে দাঁড়িয়ে আছে। সাকিব কে জোরে বলে উঠে -- সাকিব দেখ ওখানে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে তাড়াতাড়ি যা পালাতে যেন না পারে।সাকিব আর শাহিন ঐ দিকে দৌড় দেয় কিন্তু দূরভাগ্য বশত তারা সেখানে যেয়ে কাউকে পায় না এর আগেই সাদা ড্রেস পরা ছায়াটা উদাও হয়ে যায়।
• সাকিব আর শাহীন এসে আগন্তুকের সামনে মাথাটা নিচু করে নেয় আর বলে- ভাইয়া ওখানে কাউকে পেলাম না মনে হয় পালিয়ে গেছে।
• আগন্তুক টা সজোরে পা দিয়ে গাড়ির চাকয় একটা লাথি মেরে গাড়িতে উঠে বসে৷ আগন্তুক টা ভাবছে ছায়া টা হচ্ছে কোনো এক মেয়ে কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব এত রাতে কে এই ঘন জঙ্গলের ভেতর আসবে,,ঘোর ভাবে ভাবতে থাকে আগন্তুক টা.......
................
* নুসরাত কিছুক্ষন আগের বিধ্বংসী একটা ঘটনা দেখেছে সেটা মনে করতেই তার বুক কেপেঁ উঠছে।*
নুসরাত ছেলেগুলোর পিছনে যেতে যেতে একসময় গাছের সাথে লেগে পা টা হালকা কেটে যায়। কোনো রকমে রক্ত টা বন্ধ করে আবার হাটা শুরু করে কিছু পর লোকগুলো থামে আর তাদের সামনে তিন জন ছেলেকে বেধেঁ রাখা হয়েছে। নুসরাত গাছের আরালে লুকিয়ে তাদের কাজ কর্ম দেখতে থাকে। কালো ড্রেস আপ পরা লোকটা যখন দুইটা গুলি করে মেরে দেয় তখন নুসরাত হালকা ভয় পেয়ে যায় কারণ হঠাৎ কাউকে এবাবে মেরে দিবে বুঝতে পারে নি সে। যখন আগন্তুক টা নিচে বসা ইমন নামের ছেলেটি কে মেরে মাথা থেকে টুপি আর কাটা মাক্স টা খুলল তার পুরো চেহারা টা হালকা চাঁদের আলোয় স্পষ্ট দেখতে পারছে নুসরাত সেটা আর কেউ না তাদের বাসার ছাদের চিলেকোঠার রুমে যেই ছেলেটা থাকে রাফি সেই। সে কিছুক্ষনের জন্য নিস্তব্ধত হলে গিয়েছিল। ভার্সিটির সবচেয়ে ক্ষেত, গরীর ছেলেটা এভাবে তিনটা খুন করতে পারলো ভাবতে পারছে না নুসরাত। রাফিরা যখন গাড়িতে উঠবে তখনই নুসরাত গাছের আরাল থেকে বেড়িয়ে যায় যার কারণে রাফি তাকে দেখে ফেলে। নুসরাতের জানা নেই রাফি তার মুখটা দেখতে পারছে না কি পারছে ন। নুসরাত যখন দেখলো রাফির হাতের ইশারায় দুইটা ছেলে দৌড়ে আসছিল তখন নুসরাত সেখান থেকে জোরে দৌড়ে চলে আসে। নুসরাত জঙ্গল থেকে বেড়িয়েই খোলা একটা মাঠে চলে আসে আর ভাবতে থাকে রাফি কি করে হতে পারে মাফিয়া।.........
...
রাজ প্রতিদিন রাতে ছাঁদে এসে সিগারেট টানে আর প্রতিদিন সেখানে রিমি চলে আসে। কিন্তু আজ রাজ অবাক হয়ে গেছে এক ঘন্টা হয়ে গেছে তবুও রিমি ছাঁদে আসছে না। তবে রাজের কাছে ভালোই লাগতেছে একা একা বসে সিগারেট টানছে। অন্য দিন হলে রিমির কথার জ্বালায় শান্তিতে সিগারেট খেতে পারতো না। রাজ একটার পর একটা সিগারেট খেয়েই যাচ্ছে কোনো মতে মাথা থেকে চিন্তা মুক্ত হতে পারছে না। পকেট থেকে আরেক বার লকেট টা বের করে দেখতে থাকে। এই পর্যন্ত সে নয় বার দেখে ফেলছে লকেট টা কিন্তু সে বুঝতে পড়েছে না কিভাবে এই সামান্য জিনিস দিয়ে খুনি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে। রাজের কাছে ফরহাদের রহস্যময় কথা গুলো কেমন যেন ভাবাচ্ছে। আবার ফরহাদের রহস্যময় কথা গুলো শুনে মেহেরাব শান্ত হয়ে মুচকি হাসি দিয়েছে। কি হতে পারে কি হতে পারে সেটাই বুঝতে পারছে না রাজ।
“ আপনার সাথে মনে হয় আমার আর কথা হবে না ”
রাজ এগুলো চিন্তা করছিলো তখন ই পিছন থেকে রিমির গলার আওয়াজ শোনে পিছনে ফিরে তাকায় দেখে,, রিমি আজ একটা কালো রঙের কামিজ পরেছে চোখের নিচে হালকা কালো দাগ, চোখ জোরা লাল, মনে হয় অনেক ক্ষন ধরে কান্না করেছে। কিন্তু কেন রিমি কান্না করেছে সেটাই বুঝতে পারছে না রাজ তাই তাড়াতাড়ি করে প্রশ্ন করে ফেলে -- রিমি তুমার এই অবস্থা কেনো,, মনে হয় কান্না করেছো কি হয়েছে।
• রিমির চোখ থেকে দু ফোটা পানি পরে, হাত দিয়ে তা মুছে বলতে থাকে-- আমি আপনাকে সত্যি ভালোবাসতাম কিন্তু আপনি আমার ভালোবাসার কোনো মূল্যই দিলেন না। সব আপনার জন্য হয়েছে সে দিন যদি আমাকে একসেপ্ট করতেন তাহলে আজ আর এই দিন দেখতে হতো না।(রিমি)
• রাজ বুঝতে পারছে না রিমির কথা তাই সে বলে-- আমি তো তুমাকে আগেই বলছিলাম আমাকে ভালো না বাসতে কিন্তু তুমি তা করলে এখন এটা ভেবে কষ্ট পেলে আমার কি করার আছে।(রাজ)
• রিমি এবার সত্যি সত্যি ই কান্না করতে করতে বলে-- বাবা বলে দিয়েছে আমি যেন আপনার থেকে দূরে দূরে থাকি। আমি আপনার সাথে দূরে দূরে থাকতে পারবো না। আমার কেমন যেন দম বন্ধ হয়ে আসে। আমি বাঁচবো না আপনাকে ছাড়া।(রিমি)
• রাজ নিজের চিন্তায় নিজে বুঝতে পারছে না কি করবে এখন আবার আরেক ঝামেলা। রাজ রেগে বলে- দেখ রিমি তুমার বাবা যেহেতু না করছে আমার সাথে মিশতে তাহলে তুমি তাই করো। আমার মনে হয় সেটা সবার জন্যই ভালো হবে। আর আরেকটা কথা,, রাজ বলতে যেয়েও বলতে পারলো না,,অন্য দিকে ফিরে আরেক টা সিগারেট জ্বালায় আর বিষাক্ত ধোঁয়া গুলো মুক্ত বাতাসের সাথে তীব্র গতিতে উড়ে যাচ্ছে। রাজের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে রিমি নিচে চলে যায়। রিমির চলে যাওয়ার আওয়াজ শোনে রাজ পকেট থেকে মোবাইল টা বেরে করে কাকে যেন ফোন দেয়.........
....
হ্যাঁ এবং না কথা দুটো সবচেয়ে পুরনো এবং সবচেয়ে ছোট। কিন্তু এ কথা দুটো বলতেই সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়। রাফি আজ একটু দেরি করে ভার্সিটিতে যায় গত কাল রাতে কথা মনে করে একটু মুচকি হাসে। গেট দিয়ে যখন ডুকবে তখনই রাফি দেখতে পায় তিনটা ছেলে মিলে নুসরাত কে বিরক্ত করছে। একটা ছেলে যেয়ে নুসরাতের কোমর স্পর্শ করে রাফি যেন এটা মেনে নিতে পারছে না তার চোখ দুটো লাল হয়ে আসছে,, সবাই নিরব দর্শকের মতো চেয়ে চেয়ে দেখছে কারো কিছু বলার সাহস নেই কারণ ভার্সিটির সভাপতির ছেলে রিয়াদ নুসরাত কে বিরক্ত করছে। রাফি নিজের হাত টা মুষ্ঠি বদ্ধ করে নুসরাতের পাশে যেয়ে দাঁড়িয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্য করে বলে-- ভাইয়া নুসরাত আপুর সাথে এরকম করছেন কেনো।
• রিয়াদ রাফিকে দেখে রেগে যায় শোয়েব নামের ছেলেটা কে ইশারা দিলে সে এসে রাফির কলার ধরে টানতে থাকে কিন্তু রাফি যেন সেখানে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাই শোয়েব রাফিকে গালি দিয়ে বলে- শালা মা** দাড়িয়ে আছিস কেন, চল আমার সাথে দেখছিস না বড় ভাই কথা বলছে চল এখন থেকে।
• রাফি যেন আর ধৈর্য ধরতে পারছে না। তাই সে তার কলার থেকে হাত টা সড়ায়। আর বিনয়ী কন্ঠে বলে- ভাইয়া আপুর সাথে এরকম করছেন কেনো এটা কিন্তু ঠিক না। ওনাকে ছেড়ে দেন প্লিজ ভাইয়া (রাফি)
• নুসরাত হালকা করে রাফির দিকে চেহে দেখে কিভাবে সুন্দর করে অভিনয় করছে। রাফি চালেই সব কটার লাশ ফেলে দিতে পারবে কিন্তু এইবাবে অভিনয় করার কি দরকার বুঝতে পারছে না নুসরাত।
• ছেড়ে দিবো যা সত্যি সত্যি ছেড়ে দিবো কিন্তু আজ রাতের জন্য হলেও এই মেয়েকে আমার চাই।বলেই রিয়াদ হাসতে থাকে।
• রাফি দাঁতে দাঁত চেপে ধরে আছে। এই কথার জবাব কি দিবে বুঝতে পারছে না রাফি। ভাইয়া আপনার মুখের ভাষা ঠিক করুন আর ভদ্র ভাবে কথা বলুন।(রাফি)
• রিয়াদ কিছু বলবে এর আগেই নুসরাত কষে একটা চড় মারে রিয়াদের বাম গালে। আর বলতে থাকে- এতক্ষণ ধরে তর সব অন্যায় কাজ গুলো সহ্য করছি এর মানে এই নয় যে আমি তকে ভয় পাচ্ছিলাম। তর মতো রাস্তার কুকুর রা সবসময় গেউ গেউ করে আবার যখন খাবার পেয়ে যায় তখন ঠিক হয়ে যায়। কথাগুলো বলে নুসরাত সেখান থেকে চলে আসে।
• রিয়াদ বাম হাত দিয়ে গাল টা চেপে ধরে আছে। দাঁতে দাঁত চেপে রাফিকে উদ্দেশ্য করে বলে-- আজকে রাতে তকে ধরে এনে এমন শিক্ষা দিবো যা তুই কখনো চিন্তা করতে পারবি না বলেই রিয়াদ একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে আসে। রাফি রিয়াদের চলে যাওয়ার দিকে চেয়ে আছে আর নিচের দিকে চেয়ে মুচকি হাসে।
..
নুসরাত কোনো ভাবে নিজের রাগ টা কন্ট্রোল করতে পারছে না,,সবচেয়ে বেশি রাগ উঠছে রাফির উপর, কেন সে তখন অন্যয় দেখেও ওদের কিছু বলল না। তাই সে রাফির ক্লাসের দিকে চলে আসে।
* রাফি ক্লাসে বসে বসে ক্লাস করছিলো তখনই নুসরাত বাইরে রাফি কে উদ্দেশ্য করে বলে-- এই রাফি এখনই ক্যাম্পাসের পুকুর পারে আসবি খুবই তাড়াতাড়ি। রাফি বুঝতে পারছে না কেনো নুসরাত তাকে এইভাবে ডাকলো। তাকে দেখে মনে হচ্ছে খুব রেগে আছে কিন্তু কেন সেটাই বুঝতে পারছে না রাফি। পুকুর পারে যেয়ে দেখে নুসরাত পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে। রাফিকে অবাক করে দিয়ে এমন এক প্রশ্ন করলো নুসরাত,, তার কি উওর দিবে বুঝতে পারছে না রাফি.........
@@@ চলবে @@@
[ ভালো মন্দ যেমন ইচ্ছে কমেন্ট করবেন তবে ভালো কমেন্ট ই আশা করবো।]ধন্যবাদ
wait for the next part.
রহস্যময়
ReplyDelete