রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ
#খুনি দ্যা মাস্টার মাইন্ড
# RAJA Bhuiyan.
# পর্ব>>>>:- ২১
.................
ব্যর্থরা অবচেতনভাবে ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে। সচেতনভাবে সাফল্যের সঙ্গে একাত্ম হলে সাফল্যই তোমার দিকে আকৃষ্ট হবে। রাজ খাবার শেষ করে সোফায় বসে বসে চিন্তা করছে কে আজকে বাসা থেকে চলে যাবে। আর মেহেরাব কেন আজ এত রহস্যময় কথা বলছে বুঝতে পারছে না রাজ ঠিক তখনই মেহেরাব সোফায় বসতে বসতে কথাটা বলে রাজকে। রাজ কথাটার মানে বুঝতে পারছে না তাই মেহেরাব কে প্রশ্ন করে ফেলে --- স্যার আপনার কথার মানে বুঝতে পারছি না। (রাজ)
• মেহেরাব ঠোঁটের কোনে হাসির ঝলক রেখে বলে-- তখন বল্লাম না যে আমি রাফিন আর রাফসানের থেকে একজন কে ধরে ফেলছি কিন্তু কাকে ধরছি তার নাম টা কি সেটাই বুঝতে পারছি না। (মেহেরাব)
• রাজ একটু আগ্রহ নিয়ে বলে-- স্যার ঐ দুইটা বড় মাফিয়া কে তো কেউ কখনো দেখে নি কিন্তু আপনি কিভাবে বুঝলেন যে সে বড় মাফিয়া।(রাজ)
• মেহেরাব জানে রাজ একটু বেশিই মাইন্ড গেম খেলতে পছন্দ করে, রাজ সবসময় তার মাইন্ড দিয়ে যে কোনো ব্যক্তির সাথে ভাব তৈরী করতে পারে। কিন্তু মেহেরাব তাদের কাতারে পরতে চায় না সে নিজেও একজন মাইন্ড গেমার। এবার রাজ কে বলে -- তুমি জানো কি না জানি না, আরো পাচঁ বছর আগে রাফিন আর রাফসানের সম্পর্কে একটা আর্টিকেল বের হয়েছে। আমি পাঁচ বছর ধরে সেই আর্টিকেল টা নিয়ে গবেষণা করেছি বলতে গেলে পুরো বই টা আমার মুখস্ত। সেই বইয়ের রাফিন আর রাফসানরা কিভাবে মাইন্ড গেম খেলে প্রায় সবই লেখা আছে।(মেহেরাব)
• মেহেরাবের কথা শুনে রাজ একটু অবাক হয় কারণ মাফিয়াদের নিয়ে মেহেরাব পাঁচ বছর ধরে পরে আছে। রাজের একটা বদ অভ্যাস আছে সেটা হলো রাজ তার মাইন্ড টা ঠান্ডা রাখার জন্য হাতে সবসময় দুই টা মারবেল রাখে। মেহেরাবের কথা শুনে রাজ তার মারবেল দুটু নাড়াতে থাকে।
• মেহেরাব খেয়াল করে দেখে রাজ তার হাত দিয়ে দুইটা মারবেল নাড়াচাড়া করছে এটা দেখে মেহেরাব মুচকি হাসে। মেহেরাব আজ সাদা কালারের পাতলা একটা পাঞ্জাবি পরছে সেই পাঞ্জাবির পকেট থেকে প্রথমে একটা ছোট সাদা কালারের পেকেট বের করে,, দুইটা মারবেল স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে পেকেটের মধ্যে। মেহেরাব আবারো একটা ছোট সাদা কালারের পেকেট বের করে যার ভিতর তিনটা পিস্তলের বুলেট স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। মেহেরাব রাজ কে উদ্দেশ্য করে বলে--- রাজ দেখো তো চিন্তে পারছো কি না।(মেহেরাব)
• রাজ সাদা পেকেটে মুড়ানো দুইটা জিনিস দেখে একটু অবাক হয় কিন্তু মেহেরাব কে তা বুঝতে দেয় না। রাজ হালকা মুচকি হেসে জবাব দেয়-স্যার আমি জিনিস গুলো তো চিন্তে পারছি কিন্তু এগুলো কার সেটা তো আপনিই ভালো বলতে পারবেন।(রাজ)
• মেহেরাব একটু অবাক হয় কারণ রাজ যে এত শান্ত ভাবে উত্তর দিবে তা আশা করে নি মেহেরাব। রাজ জানো কি রাফসান যখন কোনো মিশনে বের হয় তখন সে তার মাইন্ড টা কে ঠান্ডা রাখার জন্য দুইটা মারবেল ব্যবহার করে। আমি তো জানতাম রাফসান তার মিশনের কোনো প্রমাণ রেখে যায় না কিন্তু সে সাব্বিরের খুন টা করার সময় একটা ভুল করে ফেলে আর সেটা হচ্ছে তার পিস্তল থেকে ছোরা এই তিনটা বুলেট। (মেহেরাব)
• রাজ তার বাম হাত দিয়ে হালকা করে সোফায় একটা বারি দেয়। মেহেরাবের চোখ এড়ালো না সে শান্ত একটা মুচকি হাসে। রাজ নিজেকে স্বাভাবিক করে মেহেরাব কে বলে-- স্যার আজ কি থানায় যাবো না? সময় তো প্রায় হয়ে গেছে রেডি হয় নাকি!!(রাজ).
• মেহেরাব রিমি কে উদ্দেশ্য করে বলে-- রিমি তুমি দাঁড়িয়ে আছো কেনো এসে আমার পাশে বসো। রিমি তার বাবার কথা অনুযায়ী তার পাশে যেয়ে বসে। এবার রাজ কে উদ্দেশ্য করে বলে- না আজ থানায় যাবো না আমি তোমাদের একটা গল্প বলবো!! কি শুনবে তো রাজ? (মেহেরাব)
• রাজ মেহেরাবের এমন কথা আশা করেছিলো না।রাজের কেন জানি মনে হচ্ছে আজ এই শহরে তার ছদ্মবেশী পরিচয় টা প্রকাশ হতে চলছে।রাজ বিনয়ী কন্ঠে বলে-- স্যার থানাতে কোনো সমস্যা না হলে আমার গল্প শুনতেও কোনো সমস্যা হবে না। (রাজ.)
• মেহেরাব মুচকি হাসি দেয়,, যেটা রহস্যময়। রাজ তুমি জানো, তুমি যদি পুলিশের চাকরি না করে কোনো চলচিত্রে কাজ করতে তাহলে খুবই ভালো অভিনয় করতে পারতে এখন যেমন অভিনয় করছো কারো ধরার ক্ষমতা নেই। (মেহেরাব)
• রাজে বুঝতে পারছে না কেনো মেহেরাব আজ এত রহস্যময় কথা বলছে তবে কোনো!! রাজ তার মুখ টা কে হালকা বাঁকা করে উত্তর দেয়- স্যার আমি অভিনয় করতে পারবো কিভাবে যেখানে আমি এই সব বিষয় থেকে দূরে দূরে থাকি আর আপনি বলছেন আমি অভিনয় করি।(রাজ)
• আচ্ছা এগুলো বাদ দেও এখন একটা গল্প বলবো,, রাজ তুমি আবার গল্প টা শুনতে বিরক্ত বোধ করো না।(মেহেরাব)
• রাজ তার মস্তিষ্ক টা কে কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থির রেখে এক বার সামনে মেহেরাব আর তার পাশে বসা নীল রঙের ড্রেস পরা রিমির দিকে চেয়ে মেহেরাব কে বলে- স্যার বলেন আমি বিরক্ত বোধ করবো না।(রাজ)
• মেহেরাব তার চোখ থেকে চশমাটা খুলে সামনের ট্রি টেবিলের সংবাদপত্রের উপর রাখে। একবার রাজ আর রিমির দিকে চেয়ে মুচকি হেসে বলতে শুরু করে --
সময় টা আরো অনেক বছর আগে আমি আর রিমির মা দুজন দুজনকে ভালোবাসতাম কিন্তু বাসা থেকে আমাদের মেনে নেয় নি তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেই পালিয়ে যাব। আমরা চলে আসি অচেনা অজানা দূর একটা শহরে। প্রায় এক বছর পর পর ই আমাদের ছোট সংসারে আলো ফোটে রিমি জন্ম নেয়। রিমির যখন পাঁচ বছর বয়স তখন আমরা আমাদের বাসায় যাই কিন্তু ভাগ্য খারাপ হলে যা হয় আমাদের কেউ মেনে নেয় না। কিন্তু আমার আপন বড় ভাই আরমান আমাদের যেতে দেয় না সবাই কে ভালো করে বুঝিয়ে আমাদের মেনে নিতে বলে। সবই ভালো ভাবে চলছিলো কিন্তু হঠাৎ একদিন এমন একটা ঘটনা ঘটলো যা আমরা কেউ ভাবতেও পারি নি। মেহেরাব এবার একটু থামে সামনে বসে থাকা রাজের দিকে তাকায় দেখে রাজ খুবই শান্ত আর আগ্রহের দৃষ্টিতে চেয়ে আছে মেহেরাব একটু মুচকি হাসে। রাজের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে পাশে বসে থাকা রিমির দিকে তাকায় মেহেরাব। রিমি খুবই আগ্রহ নিয়ে বসে আছে কখন আবার বলা শুরু করবে। কারণ এটা কোনো গল্প নয় মেহেরাবের জীবনের একটা অংশ । রিমিকে কখনো মেহেরাব তার ছেলেবেলার কথা বলে না কিন্তু আজ হঠাৎ বলছে তাই সে একটু অবাক হয়। মেহেরাব সময় নষ্ট করতে চায় না তাই আবার বলা শুরু করে- ‘ আমাদের সব কিছু সুখেই চলছিল কিন্তু এক রাতের ব্যবধানে সব শেষ হয়ে যায়। আমি ঐই দিন রাতে একটু রাত করেই বাসায় ফিরছিলাম কিন্তু বাসায় যেয়ে এমন একটা দৃশ্য দেখতে হবে আমাকে, আমি বলার ভাষা হাড়িয়ে ফেলেছিলাম। কারণ গলায় দড়িঁ দিয়ে ফেনের সাথে ঝুলে আছে রিমির মা আর পাশে রক্ত মাখা দেহ নিয়ে পরে আছে আমার বড় ভাই আরমান। কেউ বলতে পারছিলো না এটা কিভাবে হয়েছে,, পুলিশ এসে ঘটনা টা তদন্ত করে জানায় রিমির মা মারা যাবার আগে তাকে যৌন হয়রানি করেছে আর সেটা করেছে আমার বড় ভাই আরমান। যার জন্য রিমির মা আরমান ভাই কে মেরে নিজেও ফাঁসিতে ঝুলে যায়। রিমির মা মারা যাওয়ার আগে চিঠি তে লিখেছে কথা গুলো যা পরে সবাই জানতে পারি। আরমান ভাই এর দুই টা ছেলে ছিলো কিন্তু কি নাম মনে করতে পারছি না। আমাদের অনেক সম্পদ ছিলো যায় কারণে ভাবি আর তার ছেলেদের কোনো সমস্যা হয় নি। আমি পাঁচ বছরের রিমিকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসি অচেনা অজানা শহরে এসেই পুলিশের ছোট পদে একটা চাকরি পাই আর আস্তে আস্তে আমি এখন কমিশনার পদে এসেছি। কথা গুলো বলে মেহেরাব থেমে যায় পরিবেশ টা এখন নিরবতায় ছেয়ে আছে সেকেন্ডে সেকেন্ডে শুনা যাচ্ছে দীর্ঘ নিশ্বাসের শান্ত শব্দ।
• রিমির চোখে পানি চিকচিক করছে যেন চোখের পলক ফেল্লে পানি বেয়ে পরবে। তার মনে পরে যায় ছোটবেলার সেই ভয়ংকর ঘটনা -- সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে রিমি দেখতে পায় তার মা ফেনের সাথে ঝুলে আছে জ্বিব্বা টা অর্ধেক বেড়িয়ে আছে,,রিমি এটা দেখে কান্না শুরু করে কিন্তু তার কান্না থামানোর মতো কেউ সেখানে ছিলো না। কারণ তার জননী পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। রিমি আর কিছু মনে করতে পারে না কারণ সে প্রতিদিন রাতে এই স্বপ্ন টা দেখে। রিমির চোখ জোরা থেকে অজরে পানি পড়তে থাকে। মেহেরাব রিমির কান্না থামায় না কারণ সে আজ তার ছোটো বেলার কথা শুনে ইমোশনাল হয়ে পড়েছে।
• মেহেরাবের বলা ঘটনা টা শুনে রাজের ছেলেবেলার কথা মনে পরে যায় কিন্তু সে তার অতীত নিয়ে ভাবতে চায় না কারণ মানুষ অতীত নিয়ে বেশি ভাবলে তার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা কমে যায়। রাজ অতীত কে নিয়ে ভাবে না সে ভবিষ্যত নিয়ে একটু বেশিই চিন্তা করে। তবে ঘটনা টা রাজের কাছে পরিচিতই মনে হচ্ছে।
• মেহেরাব রাজ কে জিজ্ঞেস করে-- রাজ তুমার দেশের বাড়ি যেন কোথায়। (মেহেরাব)
• রাজ হালকা মুচকি হেসে জবাব দেয়-- চট্টগ্রামে কোনো এক গ্রামে।
• মেহেরাব এভার রিমিকে উদ্দেশ্য করে বলে- আচ্ছা রিমি তুই কি এমন কাউকে ভালোবাসবি যে কি না প্রতিদিন রাতে রক্ত নিয়ে খেলা করতে ভালোবাসে।(মেহেরাব)
• রিমি চমকে উঠে কেন তার বাবা তাকে এমন প্রশ্ন করলো। বুঝতে পারছে না যে সে এই প্রশ্নের জবাব কি দিবে। রিমির মনে পরে যায় রাজের ঐই দিনের কথাটি। রিমি আমতা আমতা করে বলে-- ন..না বা..বাবা তেমন কাউকে আমি আমার জীবনের সাথে জুড়াবো না।(রিমি)
• রাজ প্রশ্ন টা শুনে অবাক হয়ে যায়। অধির আগ্রহ নিয়ে রিমির উওরের অপেক্ষা করে,, রিমির উওর শুনে রাজ নিচের দিকে চেয়ে মুচকি হাসে।
• রিমি আমি জানি তুমি রাজ কে পছন্দ এবং ভালোবাসাে।আচ্ছা যদি তুমি শুনো- তুমি যাকে ভালোবাসো তার বাবা তুমার মায়ের মৃত্যুর জন্য দায়ি তাহলে কি তুমি তাকে ভালোবাসবে।(মেহেরাব)
• মেহেরাবের কথাটা শুনে রাজ শান্ত হয়ে নিজের জায়গায়ই বসে আছে। কিন্তু রিমি বসা থেকে উঠে দাঁড়ায় তার বাবাকে প্রশ্ন করে ফেলে -- কি বলতে চাচ্ছো বাবা বুঝিয়ে বলো,,আমি বুঝতে পারছি না। (রিমি)
• মেহেরাব একটু মুচকি হাসে,, রিমি তুমি হয়তো ভালো করে জানো না তুমার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে সে আসলে কোনো পুলিশ অফিসার না সে আমারই বড় ভাই আরমান এর ছেলে। কথাটা শুনে রাজ নিজের জায়গায় ই শান্ত হয়ে বসে আছে,, মেহেরাব জানতো রাজ কেবল ঠান্ডা মাথায় গেম খেলতে ভালোবাসে কিন্তু তার যে আসল পরিচয় ফাস হয়ে গেছে সেই দিকে তার কোনো চিন্তাই নেই এমন ভাবে বসে আছে যেন এখানে কিছু ঘটেই নি।
• রাজ নিজের জায়গায় বসে আছে আর মুচকি হেসে মেহেরাব কে বলে-- স্যার আপনার সামনে কি আমি একটা সিগারেট জ্বালাতে পারি। মেহেরাব অবাক হয়ে কিছুক্ষন চেয়ে থাকে রাজের দিকে। সিগারেট খাওয়ার কোনো অনুমতি সে দিবে না রাজ কে। কিন্তু মেহেরাব কে আরো অবাক করে দিয়ে রাজ পকেট থেকে একটা সিগারেটের পেকেট বের করে একটা সিগারেট মেহেরাব কে দেয় আরেকটা নিজের ঠোঁটে চাপে। মেহেরাব সিগারেট টা হাতে নিয়ে ময়লার ঝুড়ি তে ফেলে দেয়। রিমি কেবল বুকার মতো চেয়ে আছে রাজের সিগারেট টানার দিকে। ডান হাতে দুইটা মারবেল আর বাম হাত দিয়ে সিগারেট টানছে।
• মেহেরাব রিমিকে বলে-- রিমি তুমি এখন তুমার রুমে যাও,, আর আশা করি তুমি বুঝতে পেরেছো আমি কেনো ঐই দিন তুমাকে রাজের থেকে দূরে থাকার জন্য। (মেহেরাব)
• রিমি একটু রেগেই বলে-- বাবা আমি রাজের সাথে একান্তে কথা বলতে চাই।(রিমি)
• রাজ কিছু বলে নিজের মতো করে সিগারেট টানছে। মেহেরাব উচ্চ সরে বলে-- রিমি তুমাকে আমি যেতে বলছি একটা ক্রিমিনাল এর সাথে তুমার কোনো পারছোনাল কথা নেই।(মেহেরাব)
• রিমি সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় না। রাজ মুচকি হেসে বলে-- স্যার আমাকে এখন কি করবেন,, থানায় নিয়ে যাবেন,, লাভ নেই লাভ নেই পৃথিবীতে এখনো কোনো জেল নেই যেখানে এই রাজ কে আটকে রাখবে।(রাজ)
• রাজ তুই নিজের বিপদ নিজেই ডেকে এনেছিস,, তকে বলছিলাম আমার সাথে মাইন্ড গেম খেলতে তুইও রাজি হয়ে গেলি,,গেমটা শুরু করছিস তুই কিন্তু শেষ করবো আমি।(মেহেরাব)
• রাজ একটু শব্দ করে হাসে আর বলতে থাকে-- গেম মাইন্ড গেম.. হিহিহিহিহি.. আমি খেলতে যেমন ভালোবাসি ঠিক তেমনই অন্য কে দিয়ে খেলাতেও ভালোবাসি। আমাকে তুই থানায় নিয়ে পাঁচ মিনিটও রাখতে পারবি না কারণ এর আগেই সিএম ফরহাদ আমাকে বের করে আনবে।(রাজ)
• মেহেরাবও শব্দ করে হেসে হেসে বলে-- আচ্ছা তকে নিয়ে গিয়ে আমি পাঁচ মিনিটও রাখতে পারবো না তাই তো তুই দেখবি আমার কি ক্ষমতা তকে........... মেহেরাব আর কথা বলতে পারে না মেইন দরজায় কেউ কলিং বেল বাজাতে থাকে। রিমি কলিং বেলের আওয়াজে চমকে উঠে দাঁড়ায় একবার সোফায় বসে থাকা রাজের দিকে তাকায় আরেক বার দরজার দিকে তাকায়। রিমি তাড়াতাড়ি যেয়ে দরজা টা খোলে দেয়,, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আগন্তুক টা কে দেখে রিমি অবাক হয়ে যায়। আর সোফায় বসে থাকা রাজ শব্দ করে হাসতে থাকে.............
@@@ চলবে @@@
[ গল্পে কোনো সাড়া পাচ্ছি না,,মনে হয় সবার এই গল্প পড়ার মন উঠে গেছে তাই দিতে দেরি হয়েছে। আর এই পর্বে সাড়া না পেলে পরের পাঠ কবে দিবো জানা নেই]ধন্যবাদ
wait for the next part.
Vai next part kob taratari deben vai
ReplyDeleteআরও রহস্যময় হবে
ReplyDelete