Friday, July 2, 2021

খুনী দ্যা মাস্টার মাইন্ড-- পর্ব:-২২---RAJA Bhuiya.

 রহস্যময় মাফিয়া সিরিজ 



# খুনী দ্যা মাস্টার মাইন্ড

#RAJA Bhuiayan. (মি. 440)


পর্ব: >> ২২

..............…



রিমি ভাবতেও পারে নি এত সকালে সিএম ফরহাদ তাদের বাড়িতে আসবে। ফরহাদ কে দেখে রাজ একটু শব্দ হসে। মেহেরাব নিজের জায়গায় আরাম করে বসে আছে,, ফরহাদ কে দেখে যে অবাক হবে কিন্তু সে তা হচ্ছে না। তাকে দেখে মনে হচ্ছে,, যে ফরহাদ আগে থেকেই আসবে এখানে সেটা মেহেরাব জানতো। ফরহাদ যেয়ে সিঙ্গেল সোফায় বসে,, রাজ সিগারেটের পেকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে ফরহাদের সানের ঢিল মারে। ফরহাদ রাজের কাহিনী দেখে একটু মুচকি হাসে। রাজ সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়া গুলো উপরের দিকে ছেড়ে মেহেরাব কে উদ্দেশ্য করে বলে--



• মেহেরাব আমি বলছিলাম পৃথিবীর এমন কোনো জেল নেই যেখানে আমাকে আটকিয়ে রাখবে। তুই আমাকে ধরার জন্য পাঁচ বছর ধরে পরে আছিস কিন্তু আজ আমি তর সামনে বসে আছি কিন্তু তুই আমাকে কিছু করতে পারবি না,,,,,,হিহিহিহি। (রাজ)



• মেহেরাব একটু মুচকি হেসে রাজ কে বলে-- তর সাথে ফরহাদের অনেক আগে থেকেই পরিচয়। ফরহাদের নামে ১৯ টা মাডার কেস রয়েছে কিছু ডাকাতি আর ছোট খাটো কিছু মামলা রয়েছে কিন্তু সে কিভাবে এত অল্প বয়সে সিএম হয়ে গেছে বুঝতে পারছিলাম না আর ফরহাদের সম্পর্কে অনেক তথ্য ভুল এবং নকল। অনেকেই বলতো রাফিন আর রাফসানের কারণে ফরহাদ সিএম হতে পেরেছে। তুই জানিস কি রাজ পৃথিবী টা অনেক ছোট কিন্তু এত ছোট পৃথিবী তে বেইমান লোকের অভাব নেই ধর আজ তেমনই কেউ বেইমানি করবে তর সাথে। (মেহেরাব)



• রাজ মেহেরাবের কথাটা বুঝতে পারছে কিন্তু বেইমানি করবে কে সেটা তার জানা নেই। রাজ কখনো বেইমান কে বাচিয়ে রাখে না,, শত্রু কে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু বেইমান কে নয়।.... হিহিহিহিহি...রাজের সাথে বেইমানি, সম্ভব না কারণ আমি বেইমান কে বাচিয়ে রাখি না।(রাজ)



• যদি সেই বেইমান টা কে মারার জন্য তুমি বেঁচে না থাকো তাহলে কেমন হবে। হঠাৎ করেই সিঙ্গেল সোফায় শান্ত হয়ে বসে থাকা ফরহাদ রাজ কে উদেশ্য করে কথাটা বলে। রাজ ফরহাদের মুখ থেকে এমন কথা শুনে হালকা অবাক হয়ে যায়। ফরহাদ তা দেখে মুখের জ্বলন্ত সিগারেটের ছোট টুকরা টা ট্রি, টেবিলের উপর স্টেটা তে রেখে রাজ কে বলতে থাকে। রাজ আমি ক্ষমতার পাগল তুমি যেমন মাফিয়াদের কিং ঠিক তেমনই আমার প্রয়োজন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা বান হওয়ার কিন্তু তুমাকে সেটা বলার পর তুমি আমাকে না করে দিলে। তাই তুমার সাথে আমি একটা মাইন্ড গেম খেল্লাম আর মাইন্ড গেম টা এত শূখ্য ভাবে খেলেছি যা তুমি নিজেও ধরতে পারো নি।(ফরহাদ)



• মেহেরাব কথাটা শুনে একটু মুচকি হাসি দিয়ে পাঞ্জাবির পিছন থেকে পয়েন্ট 68 একটা পিস্তল বের করে হাত দিয়ে নাড়াতে থাকে। রাজ কে উদেশ্য করে বলে-- আমার কি মনে হয় জানিস রাজ, তর সাথে ফরহাদই বেইমানি করবে। (মেহেরাব)



• রাজ আরেকটা সিগারেট জ্বালায়,, সিগারেটের ধোঁয়ার গন্ধে পরিবেশ টা মম করছে। রাজ জানে শত্রুর সামনে নিজেকে কখনো দুর্বল পরিচয় দেওয়া ঠিক হবে না। তাই সে শান্ত মাথায় মাইন্ড গেম খেলবে এখানে তবে ফরহাদ তার সাথে বেইমানি করে নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছে। রাজ এবার একটু জোরেই বলে -- রাজ কখনো বেইমান আর দুর্বল দের সঙ্গে মাইন্ড গেম খেলতে পছন্দ করে না। (রাজ)



• রাজের সামনে বসে থাকা ফরহাদ আর মেহেরাব জানে রাজ খুবই ভালো মাইন্ড গেমার কিন্তু এখানে বসে বসে শান্ত হয়ে সে কিভাবে বেচে যাবে এটা চিন্তা করেই অবাক হয়ে যাচ্ছে। মেহেরাবও শান্ত প্রকৃতির মাইন্ড গেমার তাই সে ঠোঁটের কোণে হাসির রেখা ফুটিয়ে ফরহাদ কে বলে-- আচ্ছা ফরহাদ রাজ যে রাফসান কিন্তু রাফিন কে তাকেও তো ধরতে হবে।(মেহেরাব)



• ফরহাদ কিছু বলবে কিন্তু এর আগেই রাজ জোরে হাসতে হাসতে বলে-- রাফিন রাফিন কে দেখবি সম্ভব না কারণ সে আমার থেকেও দূত মাইন্ড গেমার। রাজ মনে মনে ভাবে,, ফরহাদ তো কখনো রাফিন কে দেখে নি তাহলে কিভাবে তাকে ধরবে এটা ভেবেই রাজ হাসে।



• মেহেরাবের প্রশ্নের কি জবাব দিবে জানা নেই ফরহাদের, করণ ফরহাদ কখনো রাফিন কে দেখে নি। ফরহাদের কোনো বিশেষ জরুরি দরকার থাকলে রাফসান তা সমাধান করে দিতো কিন্তু ফরহাদ কখনো রাফিনের অভয় দেখে নি। ফরহাদ মুখ টা কে ছোট করে উওর দেয়-- আমি রাফিন কে কখনো দেখি নি সে কেমন কি তার উদেশ্য আমি তা কখনো অনুভব করি নি।(ফরহাদ)



• রাজ কথাটা শুনে মুচকি হাসে। মেহেরাবও কিছু একটা ভেবে মুচকি হাসে যেই হাসিতে আছে রহস্যে ভরা। মেহেরাব বলে মাফিয়ার মাস্তানী শহরে এবার ভাইকে বাঁচাতে আরেক ভাই কে আসতেই হবে। রাফসান কে বাঁচাতে রাফিন আসবেই,, খেলবো আবার রাফিনের সাথে মাইন্ড গেম দেখাবো মাস্তানী শহরে আমার মাস্তানী।(মেহেরাব)



• রাজ আর সময় নষ্ট করতে চায় না তাই উঠে দাড়িয়ে মেহেরাবের কাছ থেকে পিস্তল টা নিয়ে রিমির মাথায় ধরে যেন ট্রিগার টা চাপ দিলে গরম বুলেটে রিমির মাথা টা বেদ করে বুলেট টা বের হয়ে যাবে। রিমি ভাবতেও পারে নি রাজ তার সাথে এমন কিছু করবে,, রিমি এখন বুঝতে পারছে সে একটা ভুল মানুষ কে ভালোবেসেছে। আজ বুঝতে পারছে কেনো রাজ তাকে ছাঁদে দাঁড়িয়ে রহস্যময় কথা গুলো বলতো। রিমি ভয় পেয়ে যায় রাজ এমন অবাক করা কান্ডে। ফরহাদ বাসা থেকে উঠে দাড়াঁয় কিন্তু মেহেরাব নিজের জায়গায় স্থির হয়ে বসে আছে সামনে যে এত কিছু হয়ে গেছে সেদিকে যেন তার কোনো খেয়াল নেই। রাজ মুচকি হাসি দিয়ে রিমি কে বলে-- রিমি আমি জানতাম আমার সাথে এমন কিছু একটা হবে তাই তুমাকে রিজেক্ট করে দিতাম। আজ যদি তুমাকে ভালোবাসতাম তাহলে তুমার মাথায় পিস্তল ধরে এখান থেকে বেড়িয়ে যেতে পারতাম না। রিমি মাস্তানি শহরটা পুরো কালো আমাদের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই আর যারা রাফিয়ান তাদের কোনো পিছুটান থাকতে নেই। কোনো রাফিয়ানের যদি দুর্বল পয়েন্ট থাকে তাহলে তার মাইন্ড গেম খেলার চাপ টা একটু বেশি থাকে।(রাজ)



• রিমি রাজের কান্ড দেখে সামান্য ভয় পায় আর তার কথা শুনে রেগে বলতে থাকে-- কি মনে করেছো কি আমি খেলার পুতুল আমাকে নিয়ে তুমরা পুতুল খেলা খেলবে। রাজ এই মুহূর্তে তুমি আমাকে ছেড়ে দেও নয়তো এখানে কি হবে তা আমি নিজেও জানি না,, বলে রিমি রাজের থেকে ছুটে দৌড়ে রুমের দিকে চলে আসে। রাজ তার ডান পা টা দিয়ে সোফায় জোরে একটা দাথিঁ দেয়। 



• মেহেরাব বসা থেকে উঠে দাড়ায় রাজের সামনে যেয়ে হাসতে হাসতে বলে-- রাজ তকে এখন যেতে হবে আমার সাথে। (মেহেরাব)



• রাজ হাসতে হাসতে বলে-- আমি যাবো না আমাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এখানেই তদের দুটা কে মেরে চলে যাবো,,কথটা বলেই রাজের হাতে থাকা পিস্তল টা দিয়ে মেহেরাবের দিকে তাক করে। মেহেরাব উচ্চ সরে হাসতে থাকে,, রাজ রেগে পিস্তলের ট্রিগারে চাপ দেয় কিন্তু কোনো বুলেট বের হয় না পর পর তিন টা চাপ দেয় কিন্তু কোনো বুলেট বের হয় না। 



• মেহেরাব আবারো হাসতে হাসতে বলে-- ভুল, ভুল করলি রাজ তুই,, তর সাথে হালকা মাইন্ড গেম খেল্লাম বলেই পাঞ্জাবির পকেট থেকে পাঁচ টা বুলেট বের করে রাজের সামনে ঝাকাতে থাকে। রাজ এটা সহ্য করতে না পেরে মেহেরাবের পাঞ্জাবির কলার ধরতে যাবে এমন সময় একাটা গুলি করার শব্দ হয়,, পিছন থেকে ফরহাদ গুলি টা করে,, বুলেট টা যেয়ে রাজের বাম পায়ে লাগে রাজ ফ্লোরে লুটিয়ে পরে চিৎকার দিয়ে বলে-- ফরহাদ তুই কাজ টা ঠিক করলি না, আমি জানি তরা আমাকে এখন মারবি না কিন্তু বলছি আমাকে মেরে ফেল নয়তো আমি বেচে গেলে কিন্তু বেইমানির শাস্তি তকে পেতেই হবে সেটা কিন্তু হবে অথবা ভয়া.....রাজ আর কথাট বলতে পারে না এর আগেই মেহেরাব ছোট ট্রি টেবিল টা দিয়ে রাজের মাথায় বারি মারে রাজের মাথা দিয়ে অঝরে রক্ত পড়তে থাকে,, তার চোখ দুটু ঝাপসা হয়ে আসছে এত বুঝি মৃত্যু তাকে হ্রাস করে ফেলেছে শেষ বারের মতো শুনতে পায় মেহেরাব আর ফরহাদের উচ্চ সরে হাসির শব্দ,,  কিছু ছেলে রাজের কাছে হেঁটে আসছে........



.............



আজ পাঁচ দিন পর জান্নাতকে আবার ভার্সিটিতে দেখা গেছে কিন্তু আজ সে আর আগের মতো আসে নি মর্ডান বোরকা নতুন হিজাপ দেখেই আগের থেকে পরিবর্তন মনে হচ্ছে। জান্নাত ভার্সিটি তে এসেই আম গাছের দিকে তাকায় যেখানে রাফি প্রতিদিন বসে থাকে। জান্নাত চেয়ে দেখে রাফির সাথে কিছু বখাটে ছেলেরা ঝামেলা করছে,, জান্নাত সেদিকে এগিয়ে যায়। 




* ভাই আমাকে ছেড়ে দিন আমার কাছে কিছু নেই প্লিজ আমাকে মারবেন না* 

 বখাটে ছেলেগুলো ধারালো ছুরি দিয়ে রাফিকে ভয় দেখাচ্ছে। রাফি চায় না ভার্সিটি তে কোনো ঝামেলা হক তাই সে ছেলেগুলোকে বলছে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কিন্তু ছেলেগুলো রাফির কথা না শুনে তার সাথে জোড়াজুড়ি করতে থাকে। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হয় জান্নাত,, রাফি যেন জান্নাত কে একটু ভরসা পেলো।  



• জান্নাত ভালো করেই ছেলেগুলো কে বলে-- ভাইয়ারা আপনারা সবাই ওর সাথে এমন করছেন কেনো,, কি করেছে সে।(জান্নাত)



• ছেলেগুলোর মধ্যে থেকে মামুন নামের ছেলেটা বলে-- তকে কেন বলবো কে তুই, এখানে কি করছিস। (মামুন)



• পাশ থেকে আরেকটা ছেলে বলে-- এই মামুন তুই চুপ থাক,, দেখছিস এর ফিসার টা কি, চল আজ ওকে দিয়ে আমাদের খাট গরম করাই। কথটা বলেই সবাই মিলে হাসতে থাকে আর জান্নাতের সাথে বাজে ব্যবহার করছে। জান্নাত এগুলো সহ্য করতে না পেরে একটা ছেলেকে কষে চড় মেরে, ব্যাগ থেকে একটা পিস্তল বের করে,, সবাই পিস্তল দেখে ভয় পেয়ে চলে যায়। রাফি অবাক হয়ে যায় জান্নাতের মতো সাধারণ একটা মেয়ের কাছে পিস্তল দেখে। তাই সে জান্নাতকে প্রশ্ন করে ফেলে-- আচ্ছা আপনার কাছে এই পিস্তল আসলো কোথা থেকে। (রাফি)



• জান্নাত ছোট করে একটা মুচকি হাসি দিয়ে রাফিকে বলে-- রাফি চলো বসে শান্তিতে কথা বলি,, রাফি আর জান্নাত গাছের নিচে বসে পরে। জান্নাতই প্রথম বলা শুরু করে -- রাফি তুমি আমাকে কি একটা সাধারণ মেয়ে মনে করছিলে??।(জান্নাত)




• এটা আবার কেমন প্রশ্ন! আমি তো আপনাকে সবসময় একজন সাধারণ মেয়ের মতো দেখে এসেছি এখানে আবার অসাধারণতার কি আছে সেটাই তো বুঝতে পারছি না।(রাফি)




• রাফির উওর শুনে জান্নাত একটু হাসি দিয়ে বলে- আসলে রাফি আমি একজন CBI এর সদস্য, আমার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে দেশের জন্য কিছু করবো তাই পড়াশোনা  করার পাশাপাশি CBI এ জয়েন হই। আর সিলেট থেকে এখানে আসি একটা বড় আসামি কে ধরার জন্য,,তাই পরিচয় গোপন রেখে এই ভার্সিটিতে ভর্তি হই। (জান্নাত)



• রাফি জান্নাতের কথা শুনে একটু ভয় পেয়ে যায় আর জান্নাতের কাছ থেকে দূরে যেয়ে বসে,, জান্নাত কে জিজ্ঞেস করে -- আচ্ছা আপনি এমন একটা গোপন কথা আমাকে কেন বল্লেন।(রাফি)



• জান্নাত স্মিথ হেসে বলে-- রাফি তুমি কি জানো তুমি কতো বোকা আর ইনোসেন্ট আর আমি তুমাকে কথাটা বলছি কারণ তুমার উপর আমার একটা বিশ্বাস আছে,, যে তুমি এই কথাটা কাউকে বলবে না।(জান্নাত)



• জান্নাতের কথা শুনে রাফি একটা রহস্যময় মুচকি হাসি দিয়ে বলে- জানেন জান্নাত এই ছোট্ট পৃথিবীতে কাউকে বিশ্বাস করা ঠিক না আপনি যাকে মন দিয়ে এক আস্থায় বিশ্বাস করবেন দেখা গেছে সে ই আপনার সাথে বেইমানি করে চলে গেলো।(রাফি)



• আমি সেটা জানি তবে তুমি যে আমার সাথে বেইমানি করবে না সেটা আমি জানি। রাফি কিছু বলে না, মাথাটা নিচু করে বসে থাকে। দুজনের মধ্যে নিরবতা বিরাজ করছে নিশ্বাস ত্যাগ করার শব্দ পর্যন্ত। জান্নাত নিরবতা বেঙে বলে ফেলে-- রাফি আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি?? (জান্নাত)



• রাফি বসা থেকে উঠে দাঁড়ায় আর উত্তেজিত কন্ঠে বলে- দেখুন জান্নাত আমি আপনার মতো সবাই কে বিশ্বাস করতে পারি না,আমার লাইফ আর আপনার লাইফ রা ব্যাতিক্রম।(রাফি)



• জান্নাত প্রশ্ন করে- মানে বুঝি নি আমার লাইফ আর তুমার লাইফ পার্থক্য কি?? (জান্নাত)



• যেমন ধরেন চোর পুলিশের মতো। কথাটা বলেই রাফি আর এক মূহুর্ত না দাঁড়িয়ে দূত সেখান থেকে চলে আসে। জান্নাত অবাক হয়ে যায় দুইবার একটা ছেলে তার রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করে নি রাগে তার অবস্থা খারাপ আর রাফি তাকে কেন এই রহস্যময় কথা বলে চলে গেলো ভাবতে থাকে জান্নাত..........



@@@ চলবে @@@




[ আমার আইডি টা তিন দিনের জন্য locked হয়ে গিয়েছিলো। যার কারণে গল্প টা পোস্ট করতে পারি নি'' সবাই সাপোর্ট করেন ]ধন্যবাদ 





Wait for the next part.

No comments:

Post a Comment

ok

KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪

 # গল্প :- KGF of Diamond City. ৪ # লিখা :- RAJA Bhuiyan. (মি.440) # পর্ব :- ০ ৪ ............. আকাশে তাজা সূর্যের তীব্র আলো। শকুন আর গাংচিলদ...